গ্রামে ওস্তাদ দিয়ে খাৎনা

মুসলমানির সময় ক্লাস টু তে পড়তাম, প্রথম সাময়িক পরীক্ষার পরে দেওয়ার কথা ছিল তবে আমাকে না জানিয়েই। যেহেতু আমরা গ্রামের মানুষ নদীতে, পুকুরে, অনেক সময় মাছের ঘেরে গোসল করি। আমি , এবং আরো ২ জন চাচাতো ভাইকে মুসলমানি করানোর কথা ছিল কিন্তু কেহই জানতামনা কিছু। অন্যান্য দিনের মতো মুসলমানির দিন ও সকালে গোসল করলাম আমরা আর খেলাধুলা করতেছিলাম উঠানে। তখন দাদি আমাদেরকে রুমে ডাকলো, ভিতরে আম্মু সহ অন্য চাচী, ফুপু ছিল।  

এবার জানানো হলো যে আজকে আমাদের মুসলমানি করানো হবে, ভয় পাচ্ছিলাম সবাই খুব। একজন চাচাতো ভাই তো পালাতেও চাচ্ছিলো কিন্তু সবাই ধরে রাখলো। একটু পরে শুনলাম বাইরে ওস্তাদ চলে আসছে, সিরিয়ালি এক এক জন করে করবে। প্রথমে যেই চাচাতো ভাই পালতে চাচ্ছিলো খুব তাকেই নিয়ে গেলো। যে ওকে আগে না করলে বেশি ভয় পাবে। ওকে বাইরে নিয়ে গেলো চাচা এসে, এবার অনেক চিল্লানোর শব্দ পেলাম। ৪-৫ মিনিট পরে বললো পরেরজনকে পাঠান। এবার ছোট চাচা এসে আমাকে ধরলো, আমি চিল্লানো শুরু করলাম আর যাবোনা বলতে থাকলাম। টেনে ধরে, ২ হাত উঁচু করে নিয়ে গেলো আমাকে বাইরে। হাফ প্যান্ট টেনে খুলে দাঁড় করালো কিন্তু নড়াচড়ার জন্য হচ্ছিলোনা, এবার বসালো তও আমার লাফালাফি আর চিল্লানোর জন্য হচ্ছিলোনা। সবাই চেষ্টা করেও আমাকে থামাতে পারছিলো না, তখন ওস্তাদ বললো পাটি বিছায় দেন এখানে, নিচে শোয়ায় দিয়ে পা ফাক করে ধরে হাত পা চেপে রাখেন সবাই। এরটা খুব দ্রুত করতে হবে। এবার আমাকে ঐভাবে নিচে শোয়ানো হলো, আমি অনেক চেষ্টা করেও বাধা দিতে পারলাম না। সবার শুধু আমাকে ভালোভাবে চেপে ধরার কাজ ছিল তাই চোখ মুখ ঢাকার কথা মনে হয় কারোর মাথায় আসেনি, কালেমা পড়ানোর কথা ও না আসেনি। ওস্তাদ মনে হলো আমাকে পজিশন মতো পেয়ে ১ মিনিটের কম সময়ে কাজ সেরে ফেলছিলো। 

দেখলাম আমি যে নুনু ফুটিয়ে একটা কাঠি রেখে চামড়া টেনে নিয়ে একটা কুঞ্চির চিমটা লাগিয়ে দিয়ে, বিসমিল্লাহ বলে ক্ষুর ধরে একটানে নুনু কেটে দিলো। এবার উল্টিয়ে ছাই মাখিয়ে দিয়ে কাপড় দিয়ে বেঁধে উঠানে যেখানে চাচাতো ভাইকে শোয়ানো হয়েছিল সেখানে তার পাশে শোয়ায় দিলো। একে একে সবাইকে কেটে শোয়ানো হলো। প্রচন্ড জ্বালাপোড়া করছিলো নুনু, মা দাদি চাচী ফুপি এসে চালভাজা খাওয়াচ্ছিল আমাদের। 

এরপরে প্রায় ৭ দিন এর সময় নুনুর বাঁধন খোলা হলো, খুললে ছাই ও ঝরে পড়লো এবং আমাদের গোসল করানো হলো সেইদিন, সারা গায়ে কাঁচা হলুদ ও মাখানো হয়েছিল।

Post a Comment

0 Comments