আরেকটি গ্রাম্য খাৎনা - ২য় পর্ব

 এবার আমি আর দাদি শুয়ে পড়লাম, তখন দাদিকে জিজ্ঞাসা করলাম যে দাদি মুসলমানি দিলে তো অনেক ব্যাথা লাগবে। দাদি বললো যে সামান্য পিঁপড়ার কামড়ের মতো একটু ব্যাথা লাগে। কোনো কষ্ট হয়না, কিন্তু চুপচাপ না থাকলে অনেক সমস্যা।
জাহিদের (আমার আরেক কাজিন) মোসলমানি দেওয়ার সময় ও মেলা নড়াচড়া করছিলো তাই হাজাম এর কাটা ভুল গেছিলো, তারপরে সেই কাটা অংশ টেনে ধরে আবারো কাটা লাগছিলো। তাই ওর অনেক ব্যাথা হইছিলো।
জিজ্ঞাসা করলাম আবার কাটা লাগলো ক্যান ?
এবার দাদি বললো বুঝাচ্ছি তোকে। বলে আমার প্যান্টটা আবার নামিয়ে চামড়াটা ধরে বললো এইটার একটা মাপ আছে, সেইটুক কেটে ফেললে মাথাটা বের হয়ে যাবে।  তখন আর পেশাব জমে থাকেনা ভিতরে, পরিষ্কার করতে সুবিধা হয়। আর ভিতরে পেশাব জমে থাকলে নামাজ হয়না।
এরপরে আগার থেকে সামান্য একটু ধরে বললো যে জাহিদের মাত্র এইটুক কাটা হইছিলো প্রথমবার, হাজাম ঠিক ধরছিল কিন্তু ওর নড়াচড়ার জন্য পুরো করতে পারেনি তাই তখনি আবার করছিলো।
এরপরে উনি নিজে আমার ফোরস্কিনটা ধরে বললো এইটুক এর মতো কাটা লাগে। তাহলে সুন্নত আদায় হয়, তুই নড়াচড়া করবি না। চুপচাপ বসে থাকবি।
তাহলে ঠিকভাবে মুসলমানি দিয়ে দিতে পারবে, প্রথমবারেই সুন্নত আদায় হয়ে যাবে। আর কাটাও লাগবে না, কষ্ট ও হবেনা। নড়াচড়া করলেই কিন্তু বেশি কষ্ট হয়। দাদিকে বললাম আচ্ছা আমি একটুও নড়াচড়া করবো না। 

পরেরদিন সকালে আব্বু কাজে যাওয়ার আগে দাদিকে বললেন যে আজকে হাজামের সাথে কথা বলবে। যাই হোক সারাদিনে এসব নিয়ে আর কোনো কথাবার্তা হয়নি কারোর সাথেই। সেইদিন কাজ থেকে এসে আব্বু জানালেন যে কথা হয়েছে এবং হাজাম দুপুরের আগেই ১১-১২ টার দিকে আসবে।
দাদির সাথে রাত্রে আর সেভাবে কথা হয়নি, শুধু এইটুকু বললেন যে দাদুভাই কথাগুলো যেন মনে থাকে তোর। একটুও নড়াচড়া করবি না, সুন্দরভাবে যেন মোসলমানিটা হয়ে যায়।


Post a Comment

0 Comments