আরেকটি গ্রাম্য খাৎনা - ১ম পর্ব

 যখন মুসলমানি করা হয় আমার বয়স ছিল ৮ বছর, এলাকায় একজন হাজাম বিখ্যাত ছিল এবং উনি আমার বাপ , চাচাদেরও করেছেন। আমার ২ জন কাজিন বাদে বাকি সবার খাৎনা উনি দিয়েছিলেন। বংশের মধ্যে আমি সবার ছোট, তখন যৌথ পরিবারে গ্রামে থাকতাম। পরে অবশ্য দাদি মারা যাওয়ার পরে আমরা আলাদা থাকা শুরু করি আম্মুর পর্দার সমস্যা হতো এজন্য।
মুসলমানির কিছুদিন আগের ঘটনা, দাদি আর আম্মু বসে গল্প করতেছিলো আর আমি দাদির পানের হামান-দিস্তা দিয়ে পান বাটতেছিলাম। তখন

 দাদি: দাদুভাইয়ের তো বয়স কম হলোনা, মুসলমানি করার ব্যাপারে কিছু ভাবিস না কেন ?
আম্মু: আমি কি বলবো, আপনারা গুরুজনরা আছেন আপনারা ভাবেন আর যা করার করেন।
দাদি: আরে ছেমড়ি এতো মিনমিনে হয়ে থাকলে মাইনষে ভাঙ্গায় খাবেনে তোরে মরা পযন্ত। নিজের ছাও নিজে ভাব।
আম্মু: তাইলে ওর বাপেরে কই আইজকা, আপ্নেও কইছেন এইডা কৈলে গুরুত্ত বেশি দিয়া তাড়াতাড়ি করায় দিবেনে।
আমি: আমি মুসলমানি করাইবো না কিসুতেই। বুড়ি এইসব কইলে তোরে ছেসমু এইডা দিয়া।
আম্মু আমার উপর রেগে একটু বেয়াদব টাইপ কিছু বলতে গেছিলো। ..
দাদি: রাগ করিস ক্যান থাম, আমার দামান আমারে কি কইছে এইডা আমাগো নিজেগো ব্যাপার। এই এইদিকে আয়, বাটা হয়েছে ?
আমি: হ হইছে, নে।
দাদি মুখে পান বাটা নিয়ে নিলেন, এর একটু পরে কাছে টেনে কোলে বসালেন। হাফ প্যান্ট পরা ছিল, মধ্যে দিয়ে হাত ঢুকিয়ে দিয়ে নুনু ধরলেন। এরপরে টেনে প্যান্টটা নামায় দিয়ে আম্মুকে বললেন কি মুগুর এক্ষান হইছে নিচে। এখনো খাসি বানাস নাই এরে, কয়দিন পরে বিয়া দিলে তো বছরখানেক পরে দাদি হইয়া জাবি তুই।
আম্মু চুপ ই থাকলো, দাদি বললো তোর কি নুনু ফোটে ? বলে নিজেই চামড়া পিছনে টান দিতেই ফুটে গেলো। বললো একেবারে ফাস্ট কিলাস, মোসলমানি দিতে কষ্ট হইবোনানে তোর। তোর বাপের চিল্লানি মনেহয় পুরো পাড়ার সবাই শুনছিলো।
আমি প্যান্টটা টেনে উঠায় দিতে গেলাম, দাদি আটকে দিলো। বললো দাড়া, থাম একটু , পরে পর। দাদি নুনু নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করে আম্মুকে বললেন বৌমা একটু ধরে দ্যাখ তো চামড়া মনে হয় ম্যালা মুটা হইয়া গেছে। আম্মু ও দাদি যেভাবে ধরছিলেন সেভাবে নেড়েচেড়ে বললেন সেরম ই তো ঠেকতেছে।
দাদি বললেন আগেত্তে যদি করায় দিতি, খালি সবকিছুতে নিমিঝিমি স্বভাব তোর। নুনু কাটার আর কি দরকার, বিয়ার পরে পোলার লগে একসাথে করবেনে নাহয়। না, তুই যেমন হুজুরের মাইয়া তেমনি তোর পোলার লাইগাও তো তাই আনবিনি। না কাটাইলে বাসরের রাইতে কবেনে আম্মা আপনের পুলার ঘর আমি করুম না। এইটা বলে হালকা হাসির সাথে একটু রাগ দেখালেন।
আম্মু বললো, আম্মা আপনি তো আগেভাগে করায় দিতে পারতেন আপনার ছেলেরে বইলা।
দাদি: হ এরপর কবি যে আপনার সুপারি কাটার জাতি দিয়া কাইটা দিলেইতো পারতেন। শোন, আমরা ঘুমাইতেছি, তুই যা ঘুমাতে আর মনসুর (আব্বু) রে যাইয়া ক যত তাত্তাড়ি পারে আজামরে খবর দিতে।
আম্মু: আইচ্ছা আম্মা আমি অহন ই যাইয়া কইতাছি। আমি গেলাম, তুই দরজার খিলডা আটকাইয়া আটকাইয়া ঘুমা আর দাদীরে জালাবিনা কিন্তু।
দাদি: আমার দামান আমারে যা করে, তুই যা। নাক গলাবি না আমাদের ব্যাপারে।


Post a Comment

0 Comments