আরেকটি গ্রাম্য খাৎনা - ৩য় পর্ব

আম্মু পর্দানশীল ছিল তাই গ্রামের অন্যদের মতো ছিল না তাই পরেরদিন ও সবকিছুই নরমাল ছিল বাড়িতে। সেইদিন সকালে আম্মু গোসল করানোর সময় আমার প্রাইভেট পার্টটা সুন্দর ভাবে সাবান দিয়ে কচলে এবং ফুটিয়ে ও ধুয়ে দিলেন। আমাদের গ্রামের প্রায় সবাই যদি বা পুকুরে গোসল করলেও আম্মুর জন্য শুধু আলাদা পাকা বাথরুম আর টয়লেট রুমের সাথেই এটাচড করে বানানো ছিল। আর  সময় রুমের দরজা ও আটকে দিতো।
আম্মু একটু বেশি ইমোশনাল ধরণের ছিল, গামছা দিয়ে আমাকে মুছে দেওয়ার পরেই জড়ায় ধরে বেশ কান্না করছিলো, শব্দ শুনতে পেয়ে দাদি দরজায় নক করে খুলতে বলে। আম্মু খুলে দিলে দাদি ঢুকে দরজা আটকে দেয় কারণ আম্মুর মুখ আটকানো ছিল না। এরপরে বলে যে এতো কান্নার কি আছে রে বৌ, সামান্য একটু কাজ আর তাতেই এমন।
তুই হুজুর মানুষের মেয়ে হয়েও ধর্মের বিধান মানতে এত তাল করতেছিস। আম্মু বললো না আম্মা কানতেছিনা আমি। চোখে কি যেন গেছে, দাদি বললো হুদাই মিছা কথা কইস না। তোর তো একটা পুলা আর আমার কয়টা ? তোর এই সময়টা আমিও পার করছি।
শোন কিচ্ছু হবে না ওর, কয়দিন পরেই দেখবি দৌড়াবে আর ফুটবল ও খেলবে। করার সময় আমি তো থাকবো, কিন্তু তুই থাকবি না। আম্মু বললো না আম্মা, আমি একদম চুপ থাকবো কিন্তু আমি ওর কাছে থাকবো।
আচ্ছা ঠিক আছে, কিন্তু এমন ফ্যাচ ফ্যাচ করা শুরু করলে কিন্তু তোকে তাড়ায় দিবো তখনি। 

এরপরে ১১ টার দিকে হাজাম আসলো তার ছেলেকে সাথে নিয়ে । এসে কথাবার্তা বললো, সে সাথে থাকবে তবে তার ছেলে করবে। দাদি হাজামকে বললো যে উঠানে করানো যাবেনা। এই বেটার বৌটা হুজুরের মেয়ে তো একটু বেশি ধার্মিক। বলছে যে গোপন কাজ সবার সামনে না, রুমে করতে হবে।
হাজাম বললো আমার কোনো সমস্যা নাই, যেখানে বলবেন সেখানে বসায় করে দিবো।
এরপরে রুমে আমি, দাদি , আব্বু আম্মু , ২ জন চাচা আর একজন চাচী থাকলো আর দরজা আটকায় দেয়া হলো।
হাজাম বললো প্রস্রাব করে আসতে বললেন। আম্মু আর চাচী নিয়ে গেলো আমাকে। প্রস্রাব করা শেষে ফেরত আসলাম তখন বললো যে পিঁড়িতে করবো নাকি চেয়ার এ। যদি লাফালাফি না করে তাহলে চেয়ার এ একটু আগে বসলে করতে পারবো। নয়তো শুয়েও করা যাবে।
আব্বু আর দাদি বললেন যে যেভাবে সুবিধা হয় সেভাবেই। এরপরে চাচাকে দিয়ে আমি একটা পিঁড়িতে আর চাচা পিছনে আরেকটা পিঁড়িতে বসে খাতনা করানোর কায়দায় বসানো হলো আমাকে।

Post a Comment

0 Comments