হিমুর মুসলমানি - ৫ম পর্ব

আবার প্রেসাবের রাস্তা বন্ধ হয়ে যায় করতে পারছি না অনেক ভয় পেলাম পড়ে আব্বু এসে দাঁড় করিয়ে বিছানা তেই অনেক কষ্ট করে দেরিতে করলাম ঘুমালাম কোন রকম রাত কাটিয়ে সকাল আমার কাছে লাগছে নুনু ভারি হয়ে যাচ্ছে আর কোন ব্যাথা বা জালা পুরা নেই শুধু নুনু ভারি, ভারি লাগছে আর খুব অসহ্য লাগছে কেমন যেন লাগছিল তখন এভাবে আর কত সময় লাগবে আমার ভালো হতে যাক দুপুরের পড়ে হঠাৎ লুঙ্গি পড়া এক লোক আসলো বাসার বাইরে আব্বু গেলো আমি আম্মু কে জিজ্ঞেস করলাম কে আসছে বললোেম মুসলমানির সময় যে আমাকে ধরে ছিল সে আমি শুনে তো অনেক ভয় পেলাম সারা শরীরে কাটা দিয়ে ওঠলো ঘরে ই আছি ভয়ে মনে হচ্ছে পালাতে চেয়েছিলাম কিন্তু নুনু যে অবস্থা তা পারি নাই আর আম্মু না আব্বু এসে বললো মনে নেই আরে ভয় কিসের তোমার তো কাজ শেষ আর তো কিছু হবে না দেখি দুই বোন ও আসলো আব্বু সবাই কে বললো আমার বেনডিস খুলতে হবে আমি বললাম কি ভাবে এখন যে ভাবে আছে আবার ও ভয় ও চিল্লাপাললা শুরু করলাম বললো আরে না ভয়ের কি হাজামের সাথের যে লোক টা আসছিল সে বলে গেছে কি ভাবে খুলতে হবে তারপর আম্মু আর আপুদের শিখিয়ে দিল আব্বু। সন্ধা না রাতের দিকে দেখি দুই বোন একসাথে আসলো আমাকে বললো বস তো দেখি আমি কেন আরে বস না ঠিক আছে বসলাম দুই পা ফাঁক করে আর দেখি একটা বাটিতে করে নারিকেল তেল গরম করে নিয়ে আসলো আমি বললাম কিসের জন্য এগুলো বললো আমরা দুই বোন তোর মুসলমানির কাপড়টা খুলবো আমি ভয় পেলাম বললো তুই চুপ করে বসে থাক আমরা দেখছি এই বল একদেখি তেলে আঙুল দিয়ে দেখলো কেমন গরম আছে তারপর আমাকেও দিতে বললো আমি ও দিলাম বললো এতটুকু গরম দিবো আমি তো অবাক বললো হুম দিতে হবে না হলে তো খুলবে না আচ্ছা দাও আস্তে আস্তে নুনুর মাথা ও যে জায়গা দিয়ে কাপড় সে সমস্ত জায়গায় ফোটা ফোটা করে তেল দিতে লাগলো মাঝে মাঝে ব্যাথা ও করলো কিছু সময় পরে দেখি একটা বলে করে গরম পানি নিয়ে আসলো এনে আমার সামনে রাখলো নিচে ফ্লরে একেবারে নুনুর নিচে তারপর আমি পানিতে হাত দিয়ে দেখলাম কেমন গরম পড়ে বললাম হুম চলে দেখি একটা বড়ো কাপড়ের টুকরো পানিতে ভিজিয়ে দিল তারপর হাত মুঠ করে ও আরেক টা ব্যাপার তা হলো গরম পানি তে ডেটল না সেভলন দিলো সেই কাপড়ের পানি নুনুতে দিতে থাকলো ছোট বোন অবশ্য আমাকে ধরে রাখে আর বড় বোন নুনু তে ডেটল পানি দিতে থাকে খারাপ লাগছিল পড়ে ভালো লাগে কিছু সময় এমন করার পড়ে বললো আজ এতটুকু ই কাল থেকে ভালো করে কয়েকবার দিবো তোমাকে তারাতাড়ি ভালো হতে হবে আর আমি ও বললাম আর ভালো লাগে না মুসলমানিতে এতো কষ্ট কেন আর এতো ঝামেলা আর ভালো লাগে না এভাবে থাকতে
পরের দিন থেকে কোন ব্যাথা বা জালা পুরা নেই শুধু নুনু ভারি হয়ে যাচ্ছে আর ফুলেছে আরেক সমস্যা আবার সকালে, দুপুরে, বিকালে ও রাতে সেই হালকা কুসুম গরম তেল পরে হালকা কুসুম গরম ডেটল পানি বোনেরা দিয়ে দেয় এবং নুনুতে পেঁচানো কাপড় ও লুজ হয়ে ফুলে যায় এমনই করতে করতে একদিন হঠাৎ করে কাপড় খোলা শুরু হয় তবে খুব সাবধানে নুনু থেকে কাপড়ের আশ বের হয় সেটা ধরে বিভিন্ন উপায়ে আস্তে আস্তে টেনে খুলতে হয় একদিন হঠাৎ জোরে টান লাগে আমি আবার ও কেঁদে ওঠি তারপর সব ই খোলা হয় কাটা জায়গায় ঘা হয়ে গেছে কাঁচা ঘা তা শুকাতে হবে এবং চলটা ও গেছে আস্তে আস্তে লুঙ্গি পড়া শুরু করলাম আর লুঙ্গি হাত দিয়ে ধরে উঁচু করে হাঁটি না হলে লুঙ্গির সাথে নুনুর মাথা বা নুনুতে ঘষা লাগলে কেমন যেন লাগে আবার ও শুক্রবার এসে পড়লো সকালে আব্বু আমাকে ডাক দিলো আমি গেলাম তারপর বাথরুমে নিয়ে গিয়ে গোসল করালো করলাম মুসলমানির প্রথম গোসল খুব ভালো লাগলো দুপুর হলো আমি লুঙ্গি পড়ে বসে আছি দেখি বিহারি চাচা আসলো পড়ে হাজাম ও সহযোগী ও আসলো আমি বললাম কি ব্যাপার উনারা কেন বললো তাদের দাওয়াত দিয়েছি আজ দুপুরে খাবে ৭ দিন হলে কিছু করতে হয় এদের দাওয়াত খাওয়াতে হয় যারা তোমার মুসলমানি করছে আচ্ছা আমি অন্য রুমে বসে আছি আব্বু, চাচা, হাজাম ও সহযোগী খাবার খেয়ে ড্রয়িং রুমে বসলো আমাকে ডাকলো আমি ও গেলাম হাজাম তার কাছে ডাকলো আর সহকারী বললো হুম ভালো হয়ে গেছে


Post a Comment

0 Comments