উনি বুঝতে পেরে ফুপু কে বললেন ভাবি একটা গামছা বা আপনার কোনো ওড়না দেন। ফুপু উনার একটা ওড়না এনে দিলেন ওনাকে, উনি ওটা আমার মাজায় পরিয়ে প্যান্ট খুলে ফেললেন। এবার উনি ওড়নার ফাঁকা দিয়ে নুনু ধরে দেখলেন আর উপরের দিকে তাকানোর জন্য বললেন। একটা পিঁপড়ার কামড়ের মতো লাগবে আর কিছু না। তবে সত্যি বলতে পিঁপড়ার কামড়ের যেই ব্যাথা সেইটুকুও পাইনি আমি। অর্থাৎ টের ও পাইনি কখন ইনজেকশন দেওয়া হলো আমাকে। এরপরে কি যেন ২ টা মেডিসিন দিলো, ফুপু পানি এনে খাওয়ায় দিলো একটার একটু পরে আরেকটা।
লোকটা খাটে উনার কিছু সরঞ্জাম থাকা ব্যাগ, নীল প্যাকেট এর তুলা, স্যাভলন, আর কি কি যেন রাখছিলো।
ওসব দেখে খুব ভয় পেয়ে ফুপু কাছে ছিল তাই উনাকেই জড়িয়ে ধরে কান্না শুরু করে দেই। উনি কোনো বকা না দিয়ে যতটা পারেন আদরের সাথে বুঝাচ্ছিলেন যে কিছু হবেনা , আমরা তো আছি সবাই। ফুপা আব্বু আম্মুও শান্তনা দিচ্ছিলো। ফুপার বন্ধু ও বললেন কিছু করবোনা আমি। স্যাভলন তুলাতে মাখিয়ে শুধু পরিষ্কার করে দিবো। এরপরে কোনোভাবে আমাকে বুঝি শুনিয়ে শান্ত করে কিছুটা রাজি করায়।
এরপরে আমাকে খাটে শোয়ানো হলে ছোটবোনকে অন্য ঘরে পাঠিয়ে দেওয়া হলো আর আমার আসে পাশে ফুপু আম্মু আব্বু থাকলো। বলিস বাদে শোয়ায় দিয়ে পেটের উপরে ছোট টেডিবিয়ার রাখলো যাতে দেখতে না পারি।
সবাই বিভিন্ন কথার ছলে ব্যস্ত রাখলো আমাকে, বেশ অনেকটা সময় লাগছিলো। এরপরে পেটের উপরের টেডিবিয়ার সরায় নেওয়া হলো আর ২টা বালিশে হেলান দিয়ে আধশোয়া করে বসায় দিলো আম্মু আর ফুপু ।
ফুপু খুব আহ্লাদ করে জড়িয়ে ধরে গালে চুমু দিয়ে বললেন লক্ষি বাপ আমার, কিচ্ছু হয়নি, কাজ হয়ে গেছে। আসলে আমার কোনো ব্যাথা লাগেনি তাই চুপচাপ ছিলাম।
তখন কোনো ব্যান্ডেজ ছিলোনা, সেলাই করা ছিল শুধু। কোনো রক্ত ছিলোনা, তবে বোঝা যাচ্ছিলো যে কাটা হয়েছে। ফুপু আব্বুকে বললেন কোলে করে অন্য রুমে একটু নিয়ে দিতে আমাকে।
এরপরে সেখানে আধশোয়া হয়েই থাকলাম। এরপরে লাঞ্চ শেষে উনারা যখন চলে গেলেন তার বেশ খানিকটা পরে রুমে কেউ ছিলোনা তাই আমি নিজের ওটা একটু ধরে দেখতেছিলাম যে কোথায় কাটছে আর এমন কেন।
কিন্তু তখনি রুমে ফুপু ঢুকে একটু হন্তদন্ত হয়ে কাছে এসে বললেন , এই এসব কি করতেছিস । তখন বললাম দেখতে কেমন অন্যরকম লাগছে তাই একটু দেখছিলাম আর কোথায় কাটছে সেটাও ঠিক বুঝছি না।
এবার উনি বললেন হাত সরা আমি দেখাচ্ছি। এরপরে উল্টানো যেই অংশটা লাল-গোলাপি হয়ে আছে সেটুকু দেখায় বললেন এখন থেকে অল্প একটু কাটছে আর জুড়ায় দিছে।
এবার জিজ্ঞাসা করলাম জুড়ায় যখন দিবে তাহলে কাটছে কেন ? এবার উনি হাসতে লাগলেন, হাসি থামিয়ে বললেন ঐটুকু কাটার জন্য নুনু ফুটে থেকে সব সময় আর এইটাই আমাদের ধর্মের নিয়ম। মুসলমান হতে গেলে এভাবে নুনু কেটে মুসলমানি করতে হয়।
ব্যান্ডেজ আর করা হয়নি। খোলা রাখা হয়েছিল যাতে নিয়মিত ওষুধ দেওয়া যেতে পারে আর খোলা রাখলেই নাকি তাড়াতাড়ি সেরে যায়।
যাদের সিলাই করা হয়না তাদের ব্যান্ডেজ করা বাধ্যতামূলক কিন্তু সেলাই করলে ব্যারেজ না করলেও চলে। এরপরে আব্বু চলে গিয়েছিলো আর ৮দিন পরে এসে আমাদের নিয়ে যায়।
সুতা চামড়ার সাথেই মিশে গেছিলো আর বাইরের কিছুটা সুতা ছিল যেটা চামড়ায় মিশেনি, মানে সুতা পড়ে যায়নি। ফুপি খুব সুন্দরভাবে সুতোগুলো কেটে দিয়েছিলেন, বেশ সময় নিয়ে একদম মসৃন ভাবে। পরে ফুপিকে বললাম যে মুসলমানিতে তো একটুও ব্যাথা পাইনি কিন্তু তোমার ফোটানোতে খুব ব্যাথা পাইছি। ফুপি বললেন ওই ব্যাথাটা যদি না তাহলে মুসলমানির সময় ভিতরের নোংরা পরিষ্কার করার সময় বেশ সমস্যাও হতো, ফোটাতে যতটুক পেয়েছিস তার থেকেও অনেক বেশি ব্যাথাও পেতি। আগে ঠিক করা গেছিলো তাই মুসলমানিতে কোনো ব্যাথা, কষ্ট হয়নি।
এই হলো আমার মুসলমানির ঘটনা।
লোকটা খাটে উনার কিছু সরঞ্জাম থাকা ব্যাগ, নীল প্যাকেট এর তুলা, স্যাভলন, আর কি কি যেন রাখছিলো।
ওসব দেখে খুব ভয় পেয়ে ফুপু কাছে ছিল তাই উনাকেই জড়িয়ে ধরে কান্না শুরু করে দেই। উনি কোনো বকা না দিয়ে যতটা পারেন আদরের সাথে বুঝাচ্ছিলেন যে কিছু হবেনা , আমরা তো আছি সবাই। ফুপা আব্বু আম্মুও শান্তনা দিচ্ছিলো। ফুপার বন্ধু ও বললেন কিছু করবোনা আমি। স্যাভলন তুলাতে মাখিয়ে শুধু পরিষ্কার করে দিবো। এরপরে কোনোভাবে আমাকে বুঝি শুনিয়ে শান্ত করে কিছুটা রাজি করায়।
এরপরে আমাকে খাটে শোয়ানো হলে ছোটবোনকে অন্য ঘরে পাঠিয়ে দেওয়া হলো আর আমার আসে পাশে ফুপু আম্মু আব্বু থাকলো। বলিস বাদে শোয়ায় দিয়ে পেটের উপরে ছোট টেডিবিয়ার রাখলো যাতে দেখতে না পারি।
সবাই বিভিন্ন কথার ছলে ব্যস্ত রাখলো আমাকে, বেশ অনেকটা সময় লাগছিলো। এরপরে পেটের উপরের টেডিবিয়ার সরায় নেওয়া হলো আর ২টা বালিশে হেলান দিয়ে আধশোয়া করে বসায় দিলো আম্মু আর ফুপু ।
ফুপু খুব আহ্লাদ করে জড়িয়ে ধরে গালে চুমু দিয়ে বললেন লক্ষি বাপ আমার, কিচ্ছু হয়নি, কাজ হয়ে গেছে। আসলে আমার কোনো ব্যাথা লাগেনি তাই চুপচাপ ছিলাম।
তখন কোনো ব্যান্ডেজ ছিলোনা, সেলাই করা ছিল শুধু। কোনো রক্ত ছিলোনা, তবে বোঝা যাচ্ছিলো যে কাটা হয়েছে। ফুপু আব্বুকে বললেন কোলে করে অন্য রুমে একটু নিয়ে দিতে আমাকে।
এরপরে সেখানে আধশোয়া হয়েই থাকলাম। এরপরে লাঞ্চ শেষে উনারা যখন চলে গেলেন তার বেশ খানিকটা পরে রুমে কেউ ছিলোনা তাই আমি নিজের ওটা একটু ধরে দেখতেছিলাম যে কোথায় কাটছে আর এমন কেন।
কিন্তু তখনি রুমে ফুপু ঢুকে একটু হন্তদন্ত হয়ে কাছে এসে বললেন , এই এসব কি করতেছিস । তখন বললাম দেখতে কেমন অন্যরকম লাগছে তাই একটু দেখছিলাম আর কোথায় কাটছে সেটাও ঠিক বুঝছি না।
এবার উনি বললেন হাত সরা আমি দেখাচ্ছি। এরপরে উল্টানো যেই অংশটা লাল-গোলাপি হয়ে আছে সেটুকু দেখায় বললেন এখন থেকে অল্প একটু কাটছে আর জুড়ায় দিছে।
এবার জিজ্ঞাসা করলাম জুড়ায় যখন দিবে তাহলে কাটছে কেন ? এবার উনি হাসতে লাগলেন, হাসি থামিয়ে বললেন ঐটুকু কাটার জন্য নুনু ফুটে থেকে সব সময় আর এইটাই আমাদের ধর্মের নিয়ম। মুসলমান হতে গেলে এভাবে নুনু কেটে মুসলমানি করতে হয়।
ব্যান্ডেজ আর করা হয়নি। খোলা রাখা হয়েছিল যাতে নিয়মিত ওষুধ দেওয়া যেতে পারে আর খোলা রাখলেই নাকি তাড়াতাড়ি সেরে যায়।
যাদের সিলাই করা হয়না তাদের ব্যান্ডেজ করা বাধ্যতামূলক কিন্তু সেলাই করলে ব্যারেজ না করলেও চলে। এরপরে আব্বু চলে গিয়েছিলো আর ৮দিন পরে এসে আমাদের নিয়ে যায়।
সুতা চামড়ার সাথেই মিশে গেছিলো আর বাইরের কিছুটা সুতা ছিল যেটা চামড়ায় মিশেনি, মানে সুতা পড়ে যায়নি। ফুপি খুব সুন্দরভাবে সুতোগুলো কেটে দিয়েছিলেন, বেশ সময় নিয়ে একদম মসৃন ভাবে। পরে ফুপিকে বললাম যে মুসলমানিতে তো একটুও ব্যাথা পাইনি কিন্তু তোমার ফোটানোতে খুব ব্যাথা পাইছি। ফুপি বললেন ওই ব্যাথাটা যদি না তাহলে মুসলমানির সময় ভিতরের নোংরা পরিষ্কার করার সময় বেশ সমস্যাও হতো, ফোটাতে যতটুক পেয়েছিস তার থেকেও অনেক বেশি ব্যাথাও পেতি। আগে ঠিক করা গেছিলো তাই মুসলমানিতে কোনো ব্যাথা, কষ্ট হয়নি।
এই হলো আমার মুসলমানির ঘটনা।
0 Comments