আমার মুসলমানি মূলত আমার ফুপার একজন বন্ধু করেছিল। উনি ডাক্তার ছিলেন।
ঘটনার শুরু হয় ফুপুর বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার পরে। ফুফু ফুফা ২ জন ই ডাক্তার ছিলেন। কোনো এক ছুটির সময় ওখানে বেড়াতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আমি আর আমার বোন ২ জন তো যাওয়ার কথা শুনেই অনেক খুশি। যাওয়ার পরে অনেক ভালো আনন্দে ছিলাম কারণ বরাবর ই আমি আর আমার বোন ফুপুর কাছে খুব আদরের। সেদিন রাত্রে ঘুমানোর আগে বাথরুমে পেসাব সেরে আসতে ভয় পাচ্ছিলাম। আসলে রাত্রে টিভিতে ভুতের নাটক দেখা হয়েছিল এজন্য একা যেতে ভয় পাচ্ছিলাম রাত্রে। তখন ফুপু নিয়ে গেলো সাথে করে। আমি চেন খুলে করতে লাগলাম, করা শেষে চেন আটকাতে গেলে উনি বললেন, দাড়া আগেই আটকাস না । এরপরে টিস্যুপেপার চিরে উনি নুনুর মাথা মুছলেন আর ফুটিয়েও মুছতে যেয়ে দেখলেন ফুটছে না। এরপরে একটু জোর করে চেষ্টা করে চাপ দিয়েও দেখলেন ফোটে না। আমাকে বললেন যে নুনু ফুটিয়ে পরিষ্কার করিস না ? আমি বুঝছিলাম না। ফুপু এবার আরেকটু জোরে চেষ্টা করেও পারলেন আর, তখন বললেন, এ তো মহা সমস্যা। মাথা তো সামান্যতম ও দেখা যায়না।
আমিও এসব নিয়ে কিচু না ভেবে শুতে গেলাম। পরেরদিন আম্মু আর উনি এই নিয়ে বলতেছিলেন যে ওর নুনু ফুটিয়ে পরিষ্কার করে দেওনা গোসলের সময় ? কি অবস্থা হইছে এখন। মনে হচ্ছে বেশি ময়লা জমছে তাই একটুও ফুটছে না এখন। আম্মু বললো ও তো একাই গোসল করে। এবার ফুপু আমাকে ডাকলেন, কাছে গেলে খাটে উঠার পরে প্যান্ট সামান্য নামিয়ে নিলো। নুনু আম্মুকে দেখিয়ে বললেন দেখো একটুও ফোটে না। এরপরে বোন কে উনার ড্রেসিং টেবিল থেকে ভ্যাসলিন আর কান কটন আনতে বললেন।
ভ্যাসলিন কান কটন এ মাখিয়ে ভিতরে ঢুকিয়ে চেষ্টা করেও তেমন সুফল পাওয়া গেলো না। তবে মাথার দিকটা দেখা গেলো।
এবার উনি নিজে খাট থেকে নেমে কিছু জিনিশ আনলো যেগুলা ওড়না দিয়ে ঢাকা ছিল তাই দেখতে পাইনি। এবার শুতে বললেন আর উঠতে নিষেধ করলেন, বললো আমি কিছুই করবো না শুধু ফুটাবো। আর যদি লাফালাফি করিস তাহলে, আমার ছোটবোনকে বললেন যে তুই রান্নাঘর থেকে চাকু নিয়ে আসবি, নুনু কেটে ফেলবো একদম। আমি ভয়ে আর উঠলাম না। পরে শুনছি উনার কাছে স্টিলের কি কি যেন ছিল সেগুলা দিয়ে বেশ চাপাচাপি করে ফুটিয়েছিল। ব্যাথা অনেক পেয়েছি কিন্তু উনার দেখানোর ভয়ের জন্য একদম চুপ ছিলাম, শুধু মাঝে মধ্যে আঃ উঃ করে ফেলছি একটু।
এরপরে বোনকে দিয়ে তুলার প্যাকেট আর পানি আনিয়ে ফুটানো নুনু ভালোভাবে পরিষ্কার করে দিলেন। কিন্তু নুনুতে তখন ও ব্যাথা ছিল অনেক, ফুপুকে বললে উনি বললেন ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু সেদিন বিকালেও ঠিক হলোনা, রাত্রেও না। এবার ফুপুকে জানালে উনি নুনু আবার চেক করলো। কিন্তু নুনু ফুটছে না, শুধু মাথা দেখা যাচ্ছে। মানে তখন ওই একবারই ফুটছে শুধু, এবং ওই ফুটাতে যেয়ে চামড়া চিরে/ফেটে গেছে কিছুটা। এজন্যই ওই জ্বালাভাব ছিল আর পেসাব করতে গেলেও একটা তীক্ষ্ণ ধরণের ব্যাথা অনুভূত হচ্ছিলো।
তখন আমাকে রুমে থাকতে বলে উনি, ফুপা আর আব্বু আম্মু দ্রুত মুসলমানি করিয়ে ফেলার ব্যাপারে আলোচনা করলেন নয়তো যেখানে চিরে গেছে ওখানে ইউরিনে ভিজতে ভিজতে এবার ইনফেকশন ও হয়ে যেতে পারে।
পরেরদিন ফুপা যখন দুপুরে খেতে আসেন তখন উনার সাথে উনার একজন বন্ধু ও আসেন। উনাকে লাঞ্চ করতে বললে উনি বলেন কাজ শেষে করা যাবে, এরপরে ফুপু আমাকে নিয়ে আসেন উনার কাছে।
উনি জিজ্ঞেস করেন কোথায় করবো? ড্রইং রুমের খাট দেখিয়ে বলেন এখানে ? বলে যেখানে সুবিধা হয়, কোনো অসুবিধা নাই। এবার লোকটা বেডে বসে ইনজেকশন রেডি করলেন একটা। আমাকে কাছে এসে প্যান্ট খুলে নুনু দেখতে বললেন। ফুপার সামনে আর লোকটার সামনে এবার একটু লজ্জা পাচ্ছিলাম।
ঘটনার শুরু হয় ফুপুর বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার পরে। ফুফু ফুফা ২ জন ই ডাক্তার ছিলেন। কোনো এক ছুটির সময় ওখানে বেড়াতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আমি আর আমার বোন ২ জন তো যাওয়ার কথা শুনেই অনেক খুশি। যাওয়ার পরে অনেক ভালো আনন্দে ছিলাম কারণ বরাবর ই আমি আর আমার বোন ফুপুর কাছে খুব আদরের। সেদিন রাত্রে ঘুমানোর আগে বাথরুমে পেসাব সেরে আসতে ভয় পাচ্ছিলাম। আসলে রাত্রে টিভিতে ভুতের নাটক দেখা হয়েছিল এজন্য একা যেতে ভয় পাচ্ছিলাম রাত্রে। তখন ফুপু নিয়ে গেলো সাথে করে। আমি চেন খুলে করতে লাগলাম, করা শেষে চেন আটকাতে গেলে উনি বললেন, দাড়া আগেই আটকাস না । এরপরে টিস্যুপেপার চিরে উনি নুনুর মাথা মুছলেন আর ফুটিয়েও মুছতে যেয়ে দেখলেন ফুটছে না। এরপরে একটু জোর করে চেষ্টা করে চাপ দিয়েও দেখলেন ফোটে না। আমাকে বললেন যে নুনু ফুটিয়ে পরিষ্কার করিস না ? আমি বুঝছিলাম না। ফুপু এবার আরেকটু জোরে চেষ্টা করেও পারলেন আর, তখন বললেন, এ তো মহা সমস্যা। মাথা তো সামান্যতম ও দেখা যায়না।
আমিও এসব নিয়ে কিচু না ভেবে শুতে গেলাম। পরেরদিন আম্মু আর উনি এই নিয়ে বলতেছিলেন যে ওর নুনু ফুটিয়ে পরিষ্কার করে দেওনা গোসলের সময় ? কি অবস্থা হইছে এখন। মনে হচ্ছে বেশি ময়লা জমছে তাই একটুও ফুটছে না এখন। আম্মু বললো ও তো একাই গোসল করে। এবার ফুপু আমাকে ডাকলেন, কাছে গেলে খাটে উঠার পরে প্যান্ট সামান্য নামিয়ে নিলো। নুনু আম্মুকে দেখিয়ে বললেন দেখো একটুও ফোটে না। এরপরে বোন কে উনার ড্রেসিং টেবিল থেকে ভ্যাসলিন আর কান কটন আনতে বললেন।
ভ্যাসলিন কান কটন এ মাখিয়ে ভিতরে ঢুকিয়ে চেষ্টা করেও তেমন সুফল পাওয়া গেলো না। তবে মাথার দিকটা দেখা গেলো।
এবার উনি নিজে খাট থেকে নেমে কিছু জিনিশ আনলো যেগুলা ওড়না দিয়ে ঢাকা ছিল তাই দেখতে পাইনি। এবার শুতে বললেন আর উঠতে নিষেধ করলেন, বললো আমি কিছুই করবো না শুধু ফুটাবো। আর যদি লাফালাফি করিস তাহলে, আমার ছোটবোনকে বললেন যে তুই রান্নাঘর থেকে চাকু নিয়ে আসবি, নুনু কেটে ফেলবো একদম। আমি ভয়ে আর উঠলাম না। পরে শুনছি উনার কাছে স্টিলের কি কি যেন ছিল সেগুলা দিয়ে বেশ চাপাচাপি করে ফুটিয়েছিল। ব্যাথা অনেক পেয়েছি কিন্তু উনার দেখানোর ভয়ের জন্য একদম চুপ ছিলাম, শুধু মাঝে মধ্যে আঃ উঃ করে ফেলছি একটু।
এরপরে বোনকে দিয়ে তুলার প্যাকেট আর পানি আনিয়ে ফুটানো নুনু ভালোভাবে পরিষ্কার করে দিলেন। কিন্তু নুনুতে তখন ও ব্যাথা ছিল অনেক, ফুপুকে বললে উনি বললেন ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু সেদিন বিকালেও ঠিক হলোনা, রাত্রেও না। এবার ফুপুকে জানালে উনি নুনু আবার চেক করলো। কিন্তু নুনু ফুটছে না, শুধু মাথা দেখা যাচ্ছে। মানে তখন ওই একবারই ফুটছে শুধু, এবং ওই ফুটাতে যেয়ে চামড়া চিরে/ফেটে গেছে কিছুটা। এজন্যই ওই জ্বালাভাব ছিল আর পেসাব করতে গেলেও একটা তীক্ষ্ণ ধরণের ব্যাথা অনুভূত হচ্ছিলো।
তখন আমাকে রুমে থাকতে বলে উনি, ফুপা আর আব্বু আম্মু দ্রুত মুসলমানি করিয়ে ফেলার ব্যাপারে আলোচনা করলেন নয়তো যেখানে চিরে গেছে ওখানে ইউরিনে ভিজতে ভিজতে এবার ইনফেকশন ও হয়ে যেতে পারে।
পরেরদিন ফুপা যখন দুপুরে খেতে আসেন তখন উনার সাথে উনার একজন বন্ধু ও আসেন। উনাকে লাঞ্চ করতে বললে উনি বলেন কাজ শেষে করা যাবে, এরপরে ফুপু আমাকে নিয়ে আসেন উনার কাছে।
উনি জিজ্ঞেস করেন কোথায় করবো? ড্রইং রুমের খাট দেখিয়ে বলেন এখানে ? বলে যেখানে সুবিধা হয়, কোনো অসুবিধা নাই। এবার লোকটা বেডে বসে ইনজেকশন রেডি করলেন একটা। আমাকে কাছে এসে প্যান্ট খুলে নুনু দেখতে বললেন। ফুপার সামনে আর লোকটার সামনে এবার একটু লজ্জা পাচ্ছিলাম।
0 Comments