ইনবক্সে এক ভাই উনার খাতনার আগের একটি ঘটনা লিখে পাঠিয়েছেন
আমি রাফিদ। আজ আমি আমার মুসলমানির আগের ঘটনা শেয়ার করছি। আমি তখন ক্লাস থ্রিতে পড়ি।তখন আমার অনেক বন্ধুরই মুসলমানি হয়ে গেছে। আমার পাশের বাসায় আমার বন্ধু সাজিদ থাকতো,ওর তখনও মুসলমানি হয়নি।ছোট থেকেই আমি এবং আমার বন্ধু লাজুক স্বভাবের ছিলাম। কারও সামনে প্যান্ট পর্যন্ত খুলতাম না।একদিন শুনলাম আমার বন্ধুর নানী তাদের বাসায় বেড়াতে এসেছে।তাই একদিন আমি আর আমার আম্মু সাজিদদের বাসায় গেলাম,গিয়ে খানিকটা অবাকই হলাম,দেখলাম,আমা
আমিতো লজ্জায় লাল হয়ে গেছি,আমি আম্মুর দিকে তাকালাম,আম্মু দেখাতে বললো। আমি নানীর কাছে গিয়ে প্যান্টের চেইন খুললাম,নানী হেসে বললেন, "বাজান করো কি,প্যান্টটা খুইলা ফেলাও।" এই বলতে না বলতেই নানী নিজেই আমার প্যান্টটা খুলে দিলেন । এরপর আমার নুনু টান দিয়ে তারপর নুনুর মাথার চামড়া ছোলানোর চেষ্টা করলেন,কিন্তু আমার নুনু তখনও ফোটেনি তাই উনি পারলেন না।আমি ব্যাথা পেয়ে আ করে উঠলাম।নানী বললেন,"পোলার নুনু তো অহনও ফোটে নাই,খাড়াও আমি ফোটায়ে দিতাছি।" এরপর আমাকে বললেন পেসাব করে আসতে। আমি পেসাব করে আসার পর নানী এবার আমার নুনুতে সরিষার তেল মাখাতে শুরু করলেন,তারপর জোর করে চামড়া টেনে নুনু ফোটালেন। আমি অনেক ব্যথা পেয়েছিলাম। কিন্তু নানী এক ঘণ্টা ধরে আমার নুনু ফুটিয়ে ছিলেন।
--
এই গল্পটা এইটুকুই, পরের ফোটানোর গল্প জেট সেটা বড় এবং একাদিক পর্বে শেষ করা হবে।
0 Comments