আরেকটি গ্রাম্য খাৎনা - শেষ পর্ব

চাচী এসে মাথা ধরে রাখলো যাতে নিচে কিছু না দেখতে পারি। আমার সাথে এবার বাকি সবাই কথা বলতে লাগলো।
মনে মনে প্রচন্ড ভয় লাগলেও চুপ ছিলাম আর বুঝতে পারছিলাম না কি হচ্ছে। কিন্তু একটু পরে যখন হাজাম আমাকে তার সাথে কালেমা পড়তে বললেন তখন বুঝলাম যে এবার কেটে দিবে। কালেমা তাইয়েবা বললাম, কিছুই বুঝছিলাম না আমি, আর খুব টেনশনেও ছিলাম প্রতিটা সেকেন্ড। এবার কালেমা শাহাদাত পড়তে বললো উনার সাথে সাথে। উনার সাথে পড়তে পড়তে কেটে দিলো। বেশ জ্বালা করে উঠলো তবে নড়াচড়া করলাম না শুধু আম্মুকে বললাম আম্মু মুসলমানি কি হয়ে গেছে।আম্মু বললেন হয়ে গেছে আব্বু, এখন শুধু বেঁধে দিচ্ছে । একটু পরে ব্যাথার পরিমান আরো একটু বেড়ে গেলো, এবার চোখ থেকে পানি বের হয়ে গেলো। তাড়াতাড়ি দাদি কাছে এসে চোখ মুছায় দিয়ে বললো এই তো হয়ে গেছে দাদুভাই। তুই না অনেক সাহসী ছেলে, সাহসীরা তো কান্দেনা । এর কিছুক্ষন এর মধ্যেই কাজ শেষ হয়ে যায় আর তখন আমাকে সেখান থেকে নিয়ে খাটে শোয়ায়ে দেয়।
একটা কাঠিতে ফেলা চামড়াটা লাগানো ছিল, একটা কাপড়ের টুকরো দিয়ে ওটা ধরে কাঠি বের করে নিয়ে কাপড়টা আলতো করে বেঁধে দাদির কাছে দিয়ে বলে রৌদ্রে বা চুলার কাছে রাখতে আর ৭ দিন পরে মাটিতে পুঁতে ফেলতে। দাদির থেকে আম্মু নিয়ে নেয় ওটা। এরপরে হাজাম আর কিছু কথা আর কিভাবে চলতে হবে, কি খাওয়া যাবে আর কি যাবেনা বলে তার সম্মানী নিয়ে চলে যায়।
দিন এ আসে পাশের কিছু প্রতিবেশীরা দেখতে আসেন আর কাজিনরা আসে, তবে কেউ ই প্রাইভেট পার্ট দেখেনি পাশের বাড়ির একজন আন্টি ছাড়া। উনিও বেশ বয়স্ক ই ছিলেন আর আম্মুর সাথেও বেশি ভালো সম্পর্ক ছিল। তাই আম্মু উনি দেখতে চাইলে আম্মু উনাকে বলেন যে দরজাটা আটকায়ে আসেন একটু। এরপরে উনি দেখে হাত দিতে গেলে আমি আবার ভয় তে অর্ধেক উঠে পড়ি। উনি বলে বাপ আমি তোমার কাটা জায়গায় হাত দিবোনা, ভয় নাই। এরপরে উনি গোড়ার দিকে ধরে নুন্টুটাকে একটু এদিক ওদিক করে ধরে দেখলেন। এরপরে বললেন অনেক কষ্ট হইছে তাইনা বাপ ?
আমিও শায় দিলাম যে বেশ ব্যাথা লাগছে আর জ্বলছে। উনি বললেন তোমার গোড়ার দিকের চামড়া ধরেই বুঝছি যে চামড়া বেশ মোটা হয়ে গেছে তাই ব্যাথাও বেশি। আচ্ছা কাটাটুক কোথায় ?
আম্মু কাপড়টা খুলতে লাগলেন উনাকে দেখানোর জন্য আর দাদি বলতেছিলেন যে দোষ তো ওদের ই। আরো কম বয়সে করে দিলে কত ভালো হতো, আমি না বললে কবে যে হতো তার ই ঠিক ছিলোনা।
উনি চামড়াটা হাতে নিয়ে বললেন আসলেই বেশ মোটা তো। এবার দাদিও ধরলেন, আমি ধরতে চাইলে আমাকেও হাতে দিলেন।
দাদি বললেন এইটুকের জন্য মাথা ঢেকে থাকে তাই পেশাব জমে থাকে। এরপরে কাপড়ে একটু লাগার সাথে সাথে কাপড় ও নাপাক হয়ে যায়, ওযু থাকলে তাও ভেঙে যায়। আর এই চামড়ার নিচে ময়লা ও জমে। এবার থেকে পেশাব করলে আর কিছুতে বেঁধে থাকবেনা, ময়লা ও জমবে না। এরপরে আরো কিছুক্ষন কথা বলে আন্টি চলে গেলেন। ঘন্টা ১.৫-২ পরে আমার প্রস্রাব লাগলে দাদি আর আম্মুকে বললাম। আম্মু দাদিকে বললেন কিভাবে করবো ?
দাদি বললেন করা যাবে তো, সমস্যা নাই। দাদি আর আম্মুর সাথে আস্তে আস্তে হেটে বাথরুমে গেলাম বেশ সাবধানের সাথে। বসার সময় ও দাদি ধরে ছিল, প্রস্রাব করতে কোনো সমস্যা হলোনা। দাদি আম্মুকে বললেন নুন্টুতে এখন পানি দেওয়া যাবেনা, বলে মাথার দিকে আঙ্গুল দিয়ে মুছে দিলো।
এবার আর ধরা লাগলোনা, নিজেই হেটে আসলে আর খাটে উঠলাম। দাদি বললেন যাক কোনো সমস্যা হয়নাই পেশাব করতে। হাজাম বলছিলো যে পেশাব যদি করতে না পারে তাহলে এখন পেশাব করা যাবেনা, চেপে রাখতে হবে এক বেলা। বিকালের দিকে উপরের যেই বান্ধাটা দিচ্ছে ওটার প্যাচ লুজ করে তারপরে করানো লাগবে। সমস্যা যেহেতু হয়নাই আর চিন্তা নাই। বান্ধনটা ঐভাবেই থাক কয়দিন, শুকায় গেলে খুললেই হবে। আম্মুও বললেন জি আম্মা, সমস্যা হয়নাই এইটাই ভালো। ছোট মানুষ কতক্ষন ই বা পেশাব আটকে রাখতে পারে। আর একটু আগে কেটে বেঁধে দেওয়া জায়গায় আবার খুলে ফেললে উল্টানো জায়গা নড়েচড়ে গেলেও সমস্যা। আমি এবার জিজ্ঞাসা করলাম উল্টানো জায়গা মানে ?
আম্মু বললো যে ওই যেইটুকু চামড়া কেটে দেয় ওখান থেকে যেটুক বাকি থাকে সেটা পিছনে উল্টা করে লাগায় দিয়ে বেঁধে দেয়।
দাদি বললেন চামড়াটা উল্টায় দিলে নুন্টু দেখতে সুন্দর হয়, না উল্টালে ওখান থেকে চামড়া আবার গজাবে। তো কয়বার মুসলমানি করা যায় একজনকে ? তাই উল্টায় দিলে আর গজায় ও না, একেবারেই কাজ শেষ। 

মোটামুটি ব্যথা সেদিন রাত পর্যন্ত ছিল, কখনো কম কখনো বেশি। পরেরদিন সকাল থেকে আর ব্যাথা বা জ্বালাপোড়াটা ছিলোনা।
বেশ কয়েকদিন পার হলো, এবার বাড়ির সবাই মিলে ব্যান্ডেজ খুললো। খোলার সময় তেমন একটা ব্যাথা আর পাইনি। আম্মু জিজ্ঞেস করলো যে ছাইগুলো তো কিছুটা লেগে আছে, ওটা পরিষ্কার করা লাগবেনা ?
আব্বু আর দাদি বললেন এখন ওখানে হাত ও দেওয়া যাবেনা, পানি ও ঠেকানো যাবেনা। কয়দিন পরে গোছল করানোর সময় ছাই ধুয়ে যাবে। ওই সময় উল্টানো অংশটা রিং এর মতো হয়ে ছিল। পরে রাত্রে দাদিকে জিজ্ঞেস করি যে নুন্টু কি এমন থাকবে এখন থেকে ? দাদি বললেন হ্যা, এজন্যই তো মুসলমানি করা। বললাম এইখানে কেমন গোল হয়ে ফুলে আছে। দাদি বললো এইটা ঠিক হয়ে যাবে কয়েকদিন পরেই। একদম মিশে সমান হয়ে যাবে, ওখান থেকেই চামড়া কেটে উল্টায় দিছে তাই ওভাবে ফুলে আছে।
এর কিছুদিন পরেই ঠিক হয়ে যায় আর আমিও সুস্থ হয়ে আগের মতো প্যান্ট পরে চলাফেরা শুরু করি।
সমাপ্ত।

Post a Comment

0 Comments