Story
ক্লাস এইটে মুসলমানি দেওয়া
আমার যখন মুসলমানি করানো হয় তখন ক্লাস ৮ এ পড়ি। তখন ও আমার মুসলমানী হয় নি। এটা নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলত। ছেলের দারি মোছ, বাল উইঠা গেছে মুসলমানি কেন দেয় না পারার ভাবিরা প্রায় বলত। মেয়ে বান্ধবীরা বিয়া কইরা ধোন একসাথে কাটবি। ওদিকে এক ভাবী বললল হাজাম আসার আগের দিন বাল গুলা কাইটা ফেলতে যাতে লজ্জা না পায়। ও দিকে একদিন মামা এসে হাজির আমার মুসলমানি দেখে উনি বারি যাবেন এসে রেগে ফায়ার। কেন লেট হচ্ছে। এদিকে পারার সব মেয়েরা এসে শুনতে লাগল হাজাম কবে আসছে। তারা হাসাহাসি করতে লাগল।রাতে শুনলাম হাজাম সৌদিআরব চলে গেছে নতুল হাজাম হইছে একজন। মামা বলল হাজাম দিয়েই দিতে হবে তাহলে মুসলমানি দেয়া ভাল হয়।ওদিকে আব্বু গেল হাজামকে খবর দিতে হাজাম। এসে জানাল বুধ বারে হাজাম আসবে।রাতে আমার এক কাকি বলল তুই নুনু ফুটায়ে দেক তো ফোটে নাকি। তাহলে বেথা কম লাগবে। নয়ত হাজাম নুনু ফুটাবে অনেক ব্যথা লাগবে। এদিকে এক ফ্রেন্ড বলল নুনুর ভিতরে রাতে বালি নিয়ে রখতে যাতে নুনু ফুতে যায় সকালে।আমি ভয়ে বালি নিলাম না বাট রাতে নুনুর গুরার পশমম গুলা কেটে ফেললাম।সকালে হাজাম আসল। সবাই চিৎকার দিয়ে উঠল।আমি ভয়ে কাপতে লাগলাম। হাজাম দেখতে কসায়ের মতই।আইসা লজ্জা দিল তা আর বলব না।সব মেয়ের চলে আসল। আমার সব চাচাত ভাই বোন ভাবি রাও।আমাকে গোসল করে আসতে বলল হাজাম। তার আগে উনি আমাকে ডেকে নিয়ে দেখল নুনুতে কোন প্রবেলেম আছে কিনা। বলল নুনু তো ফোটে না। আম্মু বলল না ফুটলে কি মুসলমানি নিতে কষ্ট হবে।হাজাম বলল সমস্যা নেয়। তারপরে আমি গোসল করে লুঙ্গীর তেনা পরে হাজামের শামনে শুয়ে পরলাম। পিছ পিছ সব লোকজন চলে গেল। মেয়ে রাও। কেউ নিষেধ শুনল না। ওদিকে আমার নুনু শক্ত হয়ে আসছিল হাজাম বলল পেসাব করে আস। আমি ভয় পাচ্ছিলাম যদি খারায়ে যায় নুনু মুসলমানির সময়। হাজাম বলল শুয়ে পরতে আমি শুয়ে পরলাম উনি আমার লুঙীর তেনা খুলে ফেললেন নুনু কিছুটা শক্ত হয়ে গেল। উনি বল্লেন এখন তুমার নুনু ফোটাব বলে দিলেন হেস্কা টান খুব ব্যাথা লাগল বলল। সবাই বলল এত বর ছেলের নুনু ফোটেনি। হাজাম ৩ টা বাঁশের কাঠি আমার নুনুর ভিতরে দিয়ে ঘুরাতে লাগল সরিষার তেল দিয়ে আমি ব্যাথায় কুকিয়ে উঠলাম ৫ মিনিট গুরাল অনেক রক্ত বেরোল। তার পর নুনু ফুটলো। তার পরে হাজাম বলল নানা বারি কোথায়। কিসে পরি। বিয়া করছি নাকি বলে কেটে দিল নুনুর মাথা। আমি কেঁদে দিলাম। হাজাম বলল চাল খাও যেটা একটা গ্লাসে রাখা ছিল।আমি খেলাম। তারপরে উনি নুনু ফুটায়ে ব্যান্ডেজ করে দিলেন। মেয়েরা সবাই আমার খাত্না দেখে ভয়ে উত্তেজনায় কাপতে লাগল। তার পরে নুনুর মাথা আমার বালিশের নিচে কেখে বলল৭ দিন পরে ফেলে দিতে। সে তার পরে তার চাকুটা আম্মুকে দিয়ে বলল গরম পানিতে সেদ্ধ করে জীবাণু মুক্ত করে দিতে। হাজাম আর ও বলল ১৫...১৬ বছরের পোলার ও নাকি উনি মুসলমানি দিছেন।সবাই নাকি হস্তমৈথুন করে এসে তার কাছে মুসলমানি নিছেন।যাতে সহযে কাজটা হয় নুনু
দাঁরিয়ে যাওয়ার ভয় না থাকে। এই জন্য। আমার মুসলমানি ২ টা হিন্দু ফেন্ড ও দেখছিল ওরা বললল ওদের ও নাকি নুনু দারিয়ে আসছিল আমার মুসল মানি দিয়া দেখে।
হাজাম নুনু কেটে ছাই মাখিয়ে দিতে চাইছিল কিন্তু মামা মানা করাতে দেয় নি। মামা বলেছিল ছাই দেয়া লাগবে না ওষুধ খাওয়াব। ছাই থাক।
দাঁরিয়ে যাওয়ার ভয় না থাকে। এই জন্য। আমার মুসলমানি ২ টা হিন্দু ফেন্ড ও দেখছিল ওরা বললল ওদের ও নাকি নুনু দারিয়ে আসছিল আমার মুসল মানি দিয়া দেখে।
হাজাম নুনু কেটে ছাই মাখিয়ে দিতে চাইছিল কিন্তু মামা মানা করাতে দেয় নি। মামা বলেছিল ছাই দেয়া লাগবে না ওষুধ খাওয়াব। ছাই থাক।
Post a Comment
0 Comments