রাজুর মুসলমানি - ১ম পর্ব

আমি রাজু।আমার মুসলমানির গঠনা টা শুরু হয় একটু ব্যাতিক্রম ভাবে।৪র্থ শ্রেনীর বার্ষিক পরিক্ষা শেষ হওয়া মাত্রই মা আমাকে নিয়ে খালার বাসায় নিয়ে যান।তবে সেখানে গিয়ে সন্ধ্যার পরপরিই বাসায় ফিরে আসব বলে ঠিক করেই গিয়েছিলাম।আমার খালা বিবাহিত খালু চাকরির কাজে জেলার বাহিরে থাকেন এবং তার এক মেয়ে রুমা আপু ১০ম শ্রেনীর এসএসসি পরিক্ষার্থী ছিল।আমার মুসলমানির কথাবার্তার সূত্রপাত খালার বাসায় গিয়ে শুরু হয়।খালার বাসায় পৌছানোর পর আম্মু আর খালা বেশ জমজমাট ভাবে আড্ডায় মৌজে ছিল।অন্যদিকে আমি রুমা আপুর রুমে একলা বসে বসে টিভি দেখতে থাকি তাও আবার সাউন্ড ছোট করে কারন রুমা আপু এসএসসি পরীক্ষার্থী হওয়াই বেশ মোনযোগ সহকারে পড়াশোনা করছিলেন।এইভাবে চলতে চলতে রাত আটটা বেজে গেল অথচ আম্মু গল্পর রেশে পড়ে গিয়ে বাসায় ফিরে যাওয়ার কথা হয়ত মাথা থেকে চলে গেল।আর যখন মনে পড়ল তখন বেশ রাত হয়ে যাওয়াই খালা আর আম্মু কে যেতেই দিল না।এদিকে আমিও রাতের ডিনার সবার সাথে একসাথে করে মাত্র রুমা আপুর বিছানায় শুয়ে পড়ি।কারন আম্মু আর খালা একসাথে রাত জেগে গল্প করবে আর অন্যদিকে রুমা আপু পড়তেই থাকবে।আমার বেশ বোরিং ফিল হওয়াই আমি ঘুমিয়ে পড়ি। কিন্তু ঘুমনোর ঘন্টা খানিক পরেই ঘুমের মধ্যেই বিছানায় হিসু করে দিই।আর এই কান্ড লক্ষ্য করেন রুমা আপু।উনি সাথে সাথেই চিল্লিয়ে আম্মুকে ডাকেন এবং রাগ করে বসেন উনার বিছানার চাদর এবং বেড ভিজে যাওয়ার ফলে।এদিকে আম্মু আর খালা আমাকে ঘুম থেকে উঠিয়ে দেন, আমি ঘুম থেকে উঠে গেলে আম্মু আমাকে বকা শুরু করেন ঘুমানো আগে হিসু করে ঘুমায়নি বলে, আর এদিকে ১০বছরের ছেলে বিছানায় হিসু করে এটা বলে রুমা আপু রাগ দেখান।আম্মু বলে বাথরুমে গিয়ে ভালো মত শেরে আসতে সেই সাথে ভিজা পেন্ট টা খুলে ফেলতে।আমি সকল লজ্জা মাথায় গুজে নিয়ে ওয়াস রুমে চলে যায় কিন্তু ওয়াস রুমে গিয়ে মনে পড়ল এখানে তো থাকার কথা ছিল না তাই বাড়তি কোন কাপড় ও আনি নি পেন্ট পালটিয়ে পড়ব টাই বা কি, ঘরে অন্য কোন ছেলেও নেই যে আমার বয়সির পেন্ট হয়ত থাকবে।এই কথা ভেবে আম্মুকে ডাক্লে আম্মু বকা শুরু করে দেয়, বলে এখন আমি কোথা থেকে কাপড় পাব।অন্যদিকে খালার কাছে আমার নামে নালিশ দিতে থাকে আমি প্রায় সময় এরকম বিছানায় হিসু করে দিয় আরও অনেক কিছু।খালা আমার অবস্থা বুঝে আমার দিকে এসে ওয়াস রুমের দরজা টুকু খুলে দিলেন এদিকে আমি নেংটু অবস্থায় অসহায়ের মত দাঁড়িয়ে আছি উনি বলল থাক কিছু হবে না পেন্ট ছাড়া শুয়ে পড় এইখানে ছোট কোন মানুষ নেই আমি আর তোমার আপু ছাড়া। আমি হতবম্ব হয়ে তাকিয়ে থাকি খালার দিকে, যেন একটা বড় ধরনের দুঘটনা হয়ে গিয়েছে আমার সাথে আর রুমা আপুর সামনে নেংটু হয়ে থাকব এটা মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে কিন্তু আম্মুও রেগে আছেন কোন সাহায্যও চেয়ে নিতে পারছিনা, আর উনারও করার মত কিছু ছিলিও না।খালা আমার মনের অবস্থা বুজতে পেরে বলে উঠল আরে আব্বু আসি যা পেন্ট ছাড়া ছোট ছেলেরা অরকম থাকে এত লজ্জা কিসের।আমি নিরুপায় হয়ে বাহির হয়ে আসলে খালা আমার নুনু টা দেখে ফেলতেই বলে উঠে এখনও তো ওর মুসলমানিই হয় নাই তাই পস্রাবের এত সমস্যা।আম্মু বলেন ওর মুসলমানি দিব বলে বলে আর দেওয়া হলো না এদিকে রুমা আপুও আমার দিকে তাকিয়ে বসেন আর বলেন হে নুনু টা কাটি দিলে সব সমস্যা সমাধান।এদিকে আম্মু বিছানার চাদর পালটে রেক্সিন বিছিয়ে দিলে আমি আর এক মুহুর্ত না দাঁড়িয়ে সোজা একটা কাথা নিয়ে নিজের লজ্জা স্থান ঢেকে শুয়ে থাকি।অন্যদিকে খালা বলেন যেন আমার মুসলমান দিয়ে ফেলতে এই ছুটির মধ্যেই, আর এতে আম্মুও রাজি হয়ে যান।আর অন্য দিকে রুমা আপু এইসব মজার ছলে নিয়ে আমাকে ক্ষেপাতে থাকে বলে উঠে হুম নুনু টা কাটি দিলেই বিছানায় আর হিসু করা বন্ধ।আম্মুও দুশ্চিন্তার সমাধান পেয়েই বলে দেন এই সপ্তাহেই তাহলে মুসলমানি সেরে ফেলবেন এই বলে খালা আর আম্মু চলে যান।এদিকে আমি উলঙ শরীর নিয়ে যতটা লজ্জায় আছি ততটা ঠিকেই ভয়ে আছি মুসলমানি করাবে বলে।অই রাত টা যেন আমার জন্য কাল রাত হয়ে গিয়েছিল।ঘুমও চলে গেল চোখ থেকে। চোখ খোলা রেখে একটার পর পর একটা ভাবতে থাকি কিভাবে নুনু টা কেটে ফেলবে,কারন আমার কোন ধারনায় নেই কিভাবে করে খতনা।রুমা আপু এদিকে পড়া শেষ করে যখন ঘুমাতে আসে আমার পাশে তখন আমার দিকে তাকিয়ে দেখে বলে অই না ঘুমিয়ে কি ভাবছিস আমি বলে উঠলাম কিছুনা উনি আমার দিকেহাসি দিলেন এবং সেই সাথে অনুভব করলাম একটা উনি একটা আংগুল দিলে আমার দাঁড়িয়ে থাকা শক্ত নুনু টাকে একটু নাড়া দিয়ে ফেলল এবং সেই সাথে বলে উঠল টুনটু পাখি টা কিসের জন্য দাড়িয়ে আছে কেটে ফেলবে বলে ঘুম কি হচ্ছে না টুনটু টার।উনি নুনু তে হাত দেওয়াই আমি জোরে চিল্লানি দিয়ে ওই আম্মু বলে ডাকি বিচার দেওয়ার জন্য একদিনে এত লজ্জা সহ্য হয়নি সেইদিন।আর নুনুটাও কোন সময় দাঁড়িয়ে গেল নিজেও জানতাম না।আমার চিল্লানি আম্মু কোন সাড়া দেয় নি কিন্তু রুমা আপু হাসতে থাকেন আমার আর সহ্য না হয়ে চোখে মুখে কান্না ভাব চলে আসে।রুমা আপু সেটা লক্ষ্য করে বলেন উমা ব্যাথা পেয়েছিস আমিতো আস্তে করে নাড়া দিয়েছিলাম শুধু।একটু ধরতে এত ব্যাথা কাল পরশু খতনা করলে তো তাহলে ব্যাথায় মরেই যাবে টুন্টু টা।আমি রাগে বললাম করবো না খতনা।আপু বলল ওমা খতনা না করে কি করবি হিসু করবি।ছোট থাকতে করে ফেলতে হয় নাহলে টুন্টু পাখি টা বড হয়ে গেলে আরও বেশি কস্ট পায়।আমি এইসব নিয়ে লজ্জায় কথা বলতে না চাওয়া সত্ত্বেও রাগে বললাম পাব না।আপু বলল তখন অত বড় টুন্টু পাখি টা বাহির করবা কেমনে এখনিই লজ্জায় শেষ হয়ে যাচ্ছিস।আর খালা এই সপ্তাহেই তোর টুন্টু কেটে দিবে ডাক্তার এনে,কিন্তু তোর টুন্টু পাখি টা তো এখনও ফুটানোই হয় নি।আমি নুনু ফুটানো মানে বুঝতে না পারায় আপু কে জিজ্ঞাসা করলাম ফুটাবে মানে,আপু হাসি দিল এবং আমার গায়ের উপর থেকে কাথা টুকু সরিয়ে ফেলে নুনু টা আঙুল দিয়ে ধরে বলেন নুনুর এই চামড়া আস্তে করে উপরে টেনে টেনে তুলতে হয়,আর আমি উনার আঙুলের ছোয়া পেয়ে উনার হাত সরিয়ে ফেলি।উনি বলেন এত লজ্জা ওটাতে এই বয়সে,আপু না ধরলে বুঝবি কি করে কেমনে ফুটাতে হয়।আমি আর কিছু বললাম না কারন উনি অনেক বার দেখে এবং ধরে ফেলাতে।তাই কথা ঘুরিয়ে বললাম না ব্যাথ্যা পাব ভেবেছি।উনি বলল ব্যাথা একটু পাবি আচ্ছা আমি একটু ধরে দে

Post a Comment

0 Comments