মুসলমানির বাস্তব কাহিনী

আমার বয়স তখন আট বছর।স্কুল থেকে বাড়ী আসার পর আম্মু বললেন, "তোমাকে মুসলমানি করানো হবে।" আমি কথার কোনো উত্তর দেইনি,কেননা আম্মুর কথা শুনে গলার পানি শুকিয়ে গেছে। বাড়ীর অন্য কারো মুখে এ ব্যাপারে আলোচনা নাই তবে চাচাতো ফুফু সব সময় পঁচাতো।যখন কারো নাক-কান ফুঁড়ানো হতো,তখন তিনি আমাকে ব্যঙ্গ করে বলতেন,"তুমারও আগা কাটার দিন আসতেছে... তুমার কাঁদা তিন বাড়ীর মানুষ শুনবে।"
চতুর্থ শ্রেণীর বার্ষিক পরীক্ষা শেষে কাজিনরা বাড়ীতে আসলো। তাদের কাছে গেলেই তারা বলতো-তুই হিন্দু আমাদের থেকে দূরে যা।আর বলতো কবে যে হাজামের চাকুর নিচে পড়বি...।এদিকে ক্লাসের সবার ঐটা কাটা হয়েছে,শুধু আরিফ আর আমিই আকাডা। ক্লাসের ছেলেরা সবাই জানতো বিষয়টা,তাই তারা আমাদের আকাডা বলে সম্বোধন করতো। একদিন ক্লাসে আরিফ অনুপস্থিত।স্যার জিজ্ঞেস করলেন,"আরিফ কোথায়?" আসিফ বললো যে আরিফের মুসলমানি করানো হয়েছে।এরপর স্যার একে একে সবাইকে জিজ্ঞেস করলেন যে রকেটের আগা কাটার বাকি আছে কে কে? সবাই একযোগে আমার নাম উচ্চারণ করলো।স্যার খুবই রসাত্মক ছিলেন তাই বললেন,"তুমারটা কাটার দরকার নাই,বাসর রাতে বউয়েই কাটার কাজটা করে দিবে।" মেয়েরা সবাই হেসে দিলো,আজ একটা গোপনীয় বিষয় ফাঁস হয়ে গেলো।
পরদিন থেকে রীতিমতো ক্লাসে মেয়েরা খুঁচাতে শুরু করলো,দোস্ত শিব্বির বললো, "তুর আগা কাটতে খুব কষ্ট হবে কারণ আগার চামড়া ঘাড় হয়ে গেছে।" ক্লাসের স্মার্ট মেয়ে শামিমা বলল, "হাজামের চাকু দিয়ে কাটবে না বড় ছুরি লাগবে..।"
ক্লাস সিক্সের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ।বাড়ীতে মেহমান,এবার ফুফাতো বোনরাও আসলো,সবার মুখে একই কথা যে এবার খতনা করানো হবে,আব্বুরও ইচ্ছা এবার খতনার কাজ শেষ করা। রাতের খাবারের সময় ফুফাতো বোনরা আব্বুকে খাতনা দেওয়ার কথা বললো,আব্বু রাজি হয়ে গেলেন।কাজিনরা বললো হাজাম দিয়া করাতে হবে,তাইলে সবাই উপভোগ করতে পারবে আর ডা.দিয়া করালে কোনো মজা নেই। দুপুর বেলা আব্বু বললেন,কাল সকালে হাজাম আসবে তাই ভোর সকালে রেডি থাকতে হবে।পাশের বাড়ীর চাচী বললেন,"বেটা তুমার নুনুটা ফুটাইয়া নেও,তাইলে কাটার পর ছুলাতে কষ্ট কম হবে।" এসব শুনে চোখ -মুখ অন্ধকার হয়ে গেলো,এখন আবার ফুটামু কি করে?
আমার ভিতরে অস্থিরতা বিরাজ করছে, মানসিকভাবে পুরা নার্ভাস।এদিকে বাড়ীতে মিনি ঈদ বিশেষ করে কাজিনদের,ওরা আনন্দে বিহব্বল,কাল সকালে হাজাম আসবে নুনু কাটা দেখবে, কখনো নুনু কাটা দেখেনি তারা, এবার তাদের স্বপ্ন পুরন হবে হাজাম কিভাবে মুসলমানি করায় এটা স্বচক্ষে দেখবে।
সকালে গোসল করে নতুন লুঙ্গি পড়ে রেডি। বাড়ীতে হাজাম আসলো। হাল্কা নাস্তার পর কাজ শুরু.......একটা নামাজের পাটি আর একটা জলচৌকি দিয়ে মঞ্চ রেডি করা হয়েছে।বারান্দায় কাজিনরাও উপস্থিত,নুনু কাটা দেখার জন্য সবাই চারপাশে দাঁড়ানো,হাজাম নিজ জায়গায় বসলেন আর আমাকে ডাকলেন আমি একরকম অজ্ঞান...ছোট চাচা হাতে ধরে হাজামের সামনে নিয়ে গেলেন,হাজাম লুঙ্গি খুলে ফেললেন,বুকে ধরধর পরপর করছে,চোখে পুরা অন্ধকার দেখছি..এবার জল চৌকিতে বসানো হলো। দুই হাত দুই পায়ের নিচে নিয়ে হাঁটুতে শক্ত করে ধরলেন ছোট চাচা...আর বাশিরা আপু দুচোখে হাত দিয়ে চোখ বন্ধ করে দিলো,আমি হাজামের যন্ত্রপাতি কিছুই দেখতে পারছি না..ভয়ে রক্ত পানি হয়ে যাচ্ছে..এবার হাজাম আসল জায়গায় হাত দিলেন...আহা..এদিকে জবান বন্ধ হয়ে গেছে প্রায়... হাজাম নুনুর আগা পরীক্ষা করে দেখলেন ছুলে না(মাথার চামড়া ফ্রি না)।এবার ফুটানোর জন্য(ছুলানোর জন্য) শক্তির জোরে পিছন দিক ধাক্কা দিলেন,মনে হচ্ছিলো যেন জান বের হয়ে যাচ্ছে..এবার চিমটা দিয়ে নুনুর মাথায় ধরলেন...আমি বেহুঁশ.. আমাকে লা ইলাহা.......পড়তে বলা হয়েছে কিন্তু জবান বন্ধ অনেক আগে থেকেই... তাই কালিমা হাজাম নিজেই পড়লেন...কালিমা শেষে ঘ্যাচাং করে নুনুর আগা কেটে দিলেন !
ওয়াল্লাহু ওয়াল্লাহু চিল্লাইয়া আশপাশ গরম করে দিছি।যখন চামড়া ছুলাইয়া নুনুর মুখ বাহির করলেন মনে হচ্ছিল প্রাণপাখি বের হয়ে যাচ্ছে..বাশিরা আপা চোখ ছাড়লেন। কাজিনরা সবাই আগ্রহের সাথে নুনুর দিকে তাকিয়ে বললো-কালো নুনু সাদা হয়ে গেলো। ব্যান্ডেজ পরানো হলো নুনু কাটা শেষ হলো.......।কিন্তু নিদারুণ কান্না থামলো না।

Post a Comment

0 Comments