আমার বয়স তখন ১০-১১ হবে। ক্লাস ফোরে পড়ি সম্ভবত। আমার প্রস্রাব করতে হঠাৎ সমস্যা দেখা দিলো।মা-বাবা ডাক্তারের কাছে নিলে ডাক্তার নুনু পরীক্ষা করে বললেন মুসলমানি করাতে হবে।আমি বাসায় এসে খুব চিল্লাফাল্লা শুরু করে দিলাম,কোন মতেই আমি নুনু কাটতে দিবো না। খুব ভয় পেতে থাকলাম।আমার ফুপাতো বোন তখন আমাদের বাসায় থেকে পড়াশুনা করতো। সে আর আমার নিজের বড় বোন,দুইজন আমাকে মুসলমানির ব্যাপারে আরো বেশি ভয় দেখিয়েছে। আমার ফুপাতো বোনের কমন একটা দুষ্টামি ছিলো,সে আমার নুনু মুঠো করে ধরে ফেলতো আর বলতো কিরে তোর পোস্ট অফিস খোলা কেন? চোর ধইরা ফেলছি,এখন তো ছাড়বো না। আর আমি তো তখন রাগে চিল্লাচিল্লি শুরু করতাম।আমার নিজের আপন বোন আবার মাঝে মাঝে আমাকে বাঁচাতো,আবার মাঝে মাঝে এসব দেখে হাসতো।অবশ্য এ জন্য আম্মু তাদের বকাও দিতো।যাই হোক,আমি এত ভয় পাচ্ছি আর রাজি হচ্ছি না দেখে পরে ডাক্তার বললেন,তাহলে আরো কয়দিন পরেই মুসলমানি করাতে,যেহেতু আমি এখন ভয় পাচ্ছি।কিন্তু মুসলমানি করার আগ পর্যন্ত আমাকে নুনুর চামড়াটা উল্টিয়ে প্রস্রাব করতে বললেন। কারণ আমার সমস্যাটা হচ্ছিলো প্রস্রাব ঠিকমত ক্লিয়ার হতো না,আগার চামড়াতে লেগে থাকতো।ডাক্তার দেখিয়ে দিলেন কিভাবে করতে হবে।নুনুর চামড়াটা টেনে পিছনে নিয়ে আসতে হতো,নুনুর লাল মাথাটা বের করে তারপর প্রস্রাব করতাম।এভাবে বার বার চামড়াটা টানতে খুব ব্যাথাও লাগতো।এভাবে কয়দিন যাবার পরও আমার সমস্যাটা ভালো হচ্ছিলো না।পরে সিদ্ধান্ত হলো মুসলমানি করানোই হবে। কিন্তু আমাকে কিছু জানানো হলো না।একদিন সন্ধ্যায় মা বাবা ঘুরতে যাবার নাম করে হাসপাতালে নিয়ে গেলেন।আমি হাসপাতাল দেখে কিছুটা আঁচ করতে পারলাম,কিন্তু মুসলমানির কথা জিজ্ঞেস করার পর মা বাবা বললেন মুসলমানি করাবে না,শুধু চেক করবে আর ওষুধ দিবে।এটা শুনে আমি আশ্বস্ত হলাম।তারপর ডাক্তারের রুমে আমাকে নেয়া হলো। আমার প্যান্ট খুললো। ডাক্তার আমার নুনুটা ধরে কি যেন দেখছিলেন আর হঠাৎ আরেকজন নার্স আমার পাছায় একটা ইনজেকশন দিলো পিছন থেকে,আমি বুঝতে পারিনি।এরপর থেকে বাকি ঘটনা আমার তেমন মনে নেই। তবে মা বাবা থেকে যা শুনেছি পরে তা হলো,ওখান থেকে আমাকে ওটিতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই আমার মুসলমানি হয়।এরপর বাসায় নিয়ে আসা হয়,আমি ঘুমিয়ে থাকি। সকালে ঘুম থেকে জাগার পর নুনুতে অনেক জ্বালাপোড়া অনুভব করি।নুনু সাদা ব্যান্ডেজে ঢাকা,শুধু মাত্র আগার ছিদ্রটা খোলা। প্রথম তিন চার দিন আমি লুঙ্গি পরিনি,খোলাই থেকেছি। চিত হয়ে দুই পা ছড়িয়ে শুয়ে থাকতাম সবসময়।মাঝে মাঝে মা কিংবা আপু পাখা দিয়ে বাতাস করে দিতো। বাতাস দিলে জ্বলাটা কম হতো। কয়েকদিন পর নুনুর ব্যান্ডেজ খোলা হলো। তখন আমার নুনুতে সকাল বিকাল একটা ক্রিম লাগিয়ে দিতো।এভাবে আস্তে আস্তে কাটা ঘা শুকিয়ে উঠার পর আমাকে জাইঙা কিনে দেয়া হয়।কয়েক মাস জাইঙা দিয়ে প্যান্ট পরতাম।এরপর আস্তে আস্তে দিন চলে গেল,বড় হতে থাকলাম
0 Comments