Story
আন্টি ভাবীদের খাতনার আলাপ
এই লেখাটা পড়লে সবার পরিষ্কার ধারণা হবে কিভাবে আন্টি ভাবী আপুরা মুসলমানি নিয়ে ছেলেদের লজ্জা দিয়ে থাকে...
আপু আন্টি ভাবিরা যখনই একসাথে গল্প করতে বসে তখনই তাদের ছেলেদের বিছানায় হিসু করে দেওয়ার গল্প করবে নয়তো খৎনার গল্প। আর এই গল্প শুরু করতে গিয়ে কত ছেলের যে ইজ্জত তখনই পানি পানি করে দিবে তার ঠিক নাই। আর তখন তাদের সামনে যে ছেলে বসে থাকবে তাকে কিছুক্ষন পরপর জিজ্ঞাসা করবে যে, "বাবা কি লজ্জা পাচ্ছো নাকি আন্টিরা যে তোমার খৎনা নিয়ে গল্প করতেছি ! লজ্জা পাওয়ার কিছু নাই আমরাতো তোমার আম্মু/আপুর মতই"।
গল্প শুরু হবে হয়তো এভাবে-"জানেন ভাবী আমাদের পাশের বাসার সজীবের তো খৎনা হবে পরশু। ভাবীতো আমাকে যেতে বলছে ঔ দিন। আপনাদেরকেও জানাবে নিশ্চয়ই।" নীলিমা আন্টি বললেন "ভাবী অনেকে বলে যে ছেলেদের খৎনা করাইলে নাকি ওদের তেজ বাড়ে আবার কেউ কেউ বলে ছেলেরা বেশী দুষ্টুমি করলে নাকি ওদের ষাঁড়কে যেমন বলদ বানায়,তেমন ওদেরও খৎনা করাইলে তাদের লজ্জা বাড়ে,তাতে করে ছেলেদের দুষ্টুমি কমে।এটা কি সত্য ?" আমিতো উনাদের কথা শুনে লজ্জায় লাল। তখন দিতি আন্টি বললেন "কি জানি তবে হাসান তো অনেক দুষ্ট ছিলো আগে। আমার তো মনে হয় ওর খৎনা করায়া দেওয়ার পর ওর দুষ্টামি কিছুটা কমছে। দেখতেছেন না বেচারা আমাদের কথায় কেমন লজ্জা পাচ্ছে!!" নীলিমা আন্টি বলে উঠলেন,"আরে হাসান এত লজ্জা পাওয়ার কি আছে ? আমরাতো সব তোমার আন্টিরাই তো। আর আমরাতো তোমার খৎনা করা দেখছিই এমনকি বলতে গেলে আমরাই তো তোমার খৎনা করাইলাম।" আমারতো তখন জাঙ্গিয়ার নিচে নুনু খাড়া হয়ে যাচ্ছে প্রায়।
জেনি আপু বলল "হাসানের খৎনার কথাতো আমারও মনে আছে ওকে তো আন্টি একটু বয়স করেই খৎনা দেওয়া হইছিলো। খৎনার সময়ে ওর যে চিৎকার কিছুটা ভয় অনেকটা লজ্জা। সবার সামনে নেংটু হয়ে নুনুর আগা কাটানোর। বেচারার অবস্থা তখন দেখার মত ছিল।সব আন্টি আপুদের সামনে যখন ওর সেলাই ছাড়া লুঙ্গি সরায়ে হাজাম খৎনা শুরু করতে নিল তখন হাসানের মুখ ঠিক এখনকার মতই লাল হয়ে গিয়েছিল।"
"আচ্ছা আন্টি হাসানের নুনুতে ইনজেকশন দেওয়া হইছিলো ? নাহলে তো ওর নুনু খাড়া হয়ে যাইতে পারত খৎনার সময়!" আম্মু তখন বললো যে-"হুম তোমরা আসার আগেই ওর নুনুতে ইনজেকশন দিয়ে দিছিলো ।"
দিতি আন্টি বললেন,"আমার তো এখনও মনে আছে হাসানের খৎনার ঘা শুকাতে সময় লাগছিল অনেক। ও তো পণ্ডিতি করে ঘা শুকানোর সময়েই টক জাতীয় জিনিষ খেয়ে ফেলছিলো। আমি বোকা ছেলেটা কে নিষেধও করছিলাম কিন্তু কথা শুনে নাই বোকাটা।"
নীলিমা আন্টি তখন বললেন,"আরে ভাবী মনে আছে,ওই সময়ে হাসানের খৎনার ঘা শুকানোর পর যে একদিন আমরা সবাই এমন করে ওদের বাসায় গল্প করতেছিলাম। সাথে হাসানের এক খালাতো বোনও ছিল যে ওর খৎনার সময় থাকতে পারে নাই। পরে যে গল্প করতে করতে হাসানকে ডেকে আনলাম রুম থেকে। এরপর ওর খালাতো বোন শ্রাবন্তী হাসানের খৎনা দেখতে পারে নাই দেখে যে আমরা সবাই হাসানকে বলে ওর প্যান্ট খুলিয়ে শ্রাবন্তীকে হাসানের খৎনা করা নুনু দেখার ব্যবস্থা করে দিলাম। হাসানের তখন সে কি লজ্জা!! প্রথমে তো প্যান্ট খোলাতেই পারতেছিলাম না পরে ওর আম্মু বলাতে খুলে দেখাইছিলো। ওই দিন আন্টি আর আপুরা ওরে একটু বেশীই লজ্জা দিয়ে দিছিলো। অবশ্য এরপরেও মাঝে কয়দিন আমরা ওর বাসায় গিয়ে অনেকেই ওর লুঙ্গি উঁচায়া ওর খৎনা করা নুনু দেখছিলাম। মজার ব্যাপার হইতো যখন আমরা দেখতে চাইতাম হাসানের খৎনা করা নুনু তখনই ও যা লজ্জা পাইতো! ওইটা দেখেই মজা লাগতো। আর দেখার সময় ওর নুনুটা লজ্জায় অল্প অল্প নড়তো আর আস্তে আস্তে খাড়া হয়ে যাইতো ওইটা দেখে আমার যেই হাসি পাইতো আর মজাও লাগতো অনেক।"
আপু আন্টি ভাবিরা যখনই একসাথে গল্প করতে বসে তখনই তাদের ছেলেদের বিছানায় হিসু করে দেওয়ার গল্প করবে নয়তো খৎনার গল্প। আর এই গল্প শুরু করতে গিয়ে কত ছেলের যে ইজ্জত তখনই পানি পানি করে দিবে তার ঠিক নাই। আর তখন তাদের সামনে যে ছেলে বসে থাকবে তাকে কিছুক্ষন পরপর জিজ্ঞাসা করবে যে, "বাবা কি লজ্জা পাচ্ছো নাকি আন্টিরা যে তোমার খৎনা নিয়ে গল্প করতেছি ! লজ্জা পাওয়ার কিছু নাই আমরাতো তোমার আম্মু/আপুর মতই"।গল্প শুরু হবে হয়তো এভাবে-"জানেন ভাবী আমাদের পাশের বাসার সজীবের তো খৎনা হবে পরশু। ভাবীতো আমাকে যেতে বলছে ঔ দিন। আপনাদেরকেও জানাবে নিশ্চয়ই।" নীলিমা আন্টি বললেন "ভাবী অনেকে বলে যে ছেলেদের খৎনা করাইলে নাকি ওদের তেজ বাড়ে আবার কেউ কেউ বলে ছেলেরা বেশী দুষ্টুমি করলে নাকি ওদের ষাঁড়কে যেমন বলদ বানায়,তেমন ওদেরও খৎনা করাইলে তাদের লজ্জা বাড়ে,তাতে করে ছেলেদের দুষ্টুমি কমে।এটা কি সত্য ?" আমিতো উনাদের কথা শুনে লজ্জায় লাল। তখন দিতি আন্টি বললেন "কি জানি তবে হাসান তো অনেক দুষ্ট ছিলো আগে। আমার তো মনে হয় ওর খৎনা করায়া দেওয়ার পর ওর দুষ্টামি কিছুটা কমছে। দেখতেছেন না বেচারা আমাদের কথায় কেমন লজ্জা পাচ্ছে!!" নীলিমা আন্টি বলে উঠলেন,"আরে হাসান এত লজ্জা পাওয়ার কি আছে ? আমরাতো সব তোমার আন্টিরাই তো। আর আমরাতো তোমার খৎনা করা দেখছিই এমনকি বলতে গেলে আমরাই তো তোমার খৎনা করাইলাম।" আমারতো তখন জাঙ্গিয়ার নিচে নুনু খাড়া হয়ে যাচ্ছে প্রায়।
জেনি আপু বলল "হাসানের খৎনার কথাতো আমারও মনে আছে ওকে তো আন্টি একটু বয়স করেই খৎনা দেওয়া হইছিলো। খৎনার সময়ে ওর যে চিৎকার কিছুটা ভয় অনেকটা লজ্জা। সবার সামনে নেংটু হয়ে নুনুর আগা কাটানোর। বেচারার অবস্থা তখন দেখার মত ছিল।সব আন্টি আপুদের সামনে যখন ওর সেলাই ছাড়া লুঙ্গি সরায়ে হাজাম খৎনা শুরু করতে নিল তখন হাসানের মুখ ঠিক এখনকার মতই লাল হয়ে গিয়েছিল।"
"আচ্ছা আন্টি হাসানের নুনুতে ইনজেকশন দেওয়া হইছিলো ? নাহলে তো ওর নুনু খাড়া হয়ে যাইতে পারত খৎনার সময়!" আম্মু তখন বললো যে-"হুম তোমরা আসার আগেই ওর নুনুতে ইনজেকশন দিয়ে দিছিলো ।"
দিতি আন্টি বললেন,"আমার তো এখনও মনে আছে হাসানের খৎনার ঘা শুকাতে সময় লাগছিল অনেক। ও তো পণ্ডিতি করে ঘা শুকানোর সময়েই টক জাতীয় জিনিষ খেয়ে ফেলছিলো। আমি বোকা ছেলেটা কে নিষেধও করছিলাম কিন্তু কথা শুনে নাই বোকাটা।"
নীলিমা আন্টি তখন বললেন,"আরে ভাবী মনে আছে,ওই সময়ে হাসানের খৎনার ঘা শুকানোর পর যে একদিন আমরা সবাই এমন করে ওদের বাসায় গল্প করতেছিলাম। সাথে হাসানের এক খালাতো বোনও ছিল যে ওর খৎনার সময় থাকতে পারে নাই। পরে যে গল্প করতে করতে হাসানকে ডেকে আনলাম রুম থেকে। এরপর ওর খালাতো বোন শ্রাবন্তী হাসানের খৎনা দেখতে পারে নাই দেখে যে আমরা সবাই হাসানকে বলে ওর প্যান্ট খুলিয়ে শ্রাবন্তীকে হাসানের খৎনা করা নুনু দেখার ব্যবস্থা করে দিলাম। হাসানের তখন সে কি লজ্জা!! প্রথমে তো প্যান্ট খোলাতেই পারতেছিলাম না পরে ওর আম্মু বলাতে খুলে দেখাইছিলো। ওই দিন আন্টি আর আপুরা ওরে একটু বেশীই লজ্জা দিয়ে দিছিলো। অবশ্য এরপরেও মাঝে কয়দিন আমরা ওর বাসায় গিয়ে অনেকেই ওর লুঙ্গি উঁচায়া ওর খৎনা করা নুনু দেখছিলাম। মজার ব্যাপার হইতো যখন আমরা দেখতে চাইতাম হাসানের খৎনা করা নুনু তখনই ও যা লজ্জা পাইতো! ওইটা দেখেই মজা লাগতো। আর দেখার সময় ওর নুনুটা লজ্জায় অল্প অল্প নড়তো আর আস্তে আস্তে খাড়া হয়ে যাইতো ওইটা দেখে আমার যেই হাসি পাইতো আর মজাও লাগতো অনেক।"
Post a Comment
0 Comments