Story
আন্টিদের খাতনার আলাপ
আমি সারা। আমার ছোট ভাই এর মুসলমানি দিয়েছিল সে যখন ৩য় শ্রেণীতে পড়ত। আমি তখন ৫ এ। বাড়িতে অনেক মজা হয়েছিল মনে আছে আমার। অনেক খাওয়া দাওয়া। বাড়িতেই দিয়েছিল মুসলমানি। আমার দেখার শখ ছিল। কিন্তু দেখা হয়নি। তাই আমার তেমন অভিজ্ঞতা নাই।
তবে তার অনেকদিন পরের একটা ঘটনা বলি।আমি তখন ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে বাসায় এসেছি। তেমনি একদিন এ হঠাৎ আমাদের এক আন্টি বাসায় আসলেন। উনার নাম রুনা। অনেকদিন পর আসলেন আমাদের বাসায়। গল্প করছিলেন আমাদের সাথে। ঘরে তখন আমি, আমার ছোট ভাই, আমাদের এক প্রতিবেশী আন্টি আর আম্মু ছিলো। কথায় কথায় রুনা আন্টি বললেন উনার বোনের ছেলের মুসলমানি দিয়েছে তাই দেখতে আসছিলেন, ফেরার পথে আমাদের বাড়িতে উঠেছেন দেখা করতে।
আম্মু বললো,"ছেলে তাহলে বড় হয়ে গেছে। ছোটবেলায় দেখেছিলাম। তা কবে মুসলমানি দিয়েছে? এখন কেমন আছে?"
রুনা আন্টি বললো,"৫ দিন হয়ে গেছে। ভালই আছে তবে...।"
এর মধ্যে আকাশ মেঘলা হয়ে গেছে। মনে করে আম্মু ছাদ এ চলে গেলো কাপড় আর আচাড় তুলতে। ওগুলা শুকাতে দেয়া ছিলো ছাদে । প্রতিবেশী আন্টি রুনা আন্টি কে জিজ্ঞাসা করলো,"তবে কি?" রুনা আন্টি বললো,"ডক্টর এর কাছে মুসলমানি দিলে নাকি ভাল হয়না। দেখতেই ভয়ানক লাগে। যে যাই বলুক আমি শুদ্ধ কে ওস্তাদ দিয়ে মুসলমানি দিবো।" (শুদ্ধ উনার ছেলে, আর আমাদের এলাকায় যারা মুসলমানি দেয় তাদের ওস্তাদ বলে)
আমি বললাম," আমাদের আফনানকে তো ওস্তাদ দিয়েই দিয়েছিলো। ও অনেক কষ্ট পেয়েছিলো। ওর চিৎকার এর কথা আমার এখনো মনে আছে।" এটা শুনে আমার ভাই লজ্জা পেয়ে চলে গেলো এখান থেকে।
তখন বেবী আন্টি (প্রতিবেশী) বললো,"ওস্তাদ দিয়ে অনেক কষ্ট হয়। আমি দেখেছি। ওরা একটা সুচ ঢুকায় তারপর একটা ক্লিপ এর মতো চিমটা দিয়ে চেপে ধরে। তারপর খুর দিয়ে দ্রুত কেটে দেয়। ক্লিপ এর কারণে রক্ত বের হতে পারেনা। শুধু তাইনা,এরপর ক্লিপটা খুলে চামড়াটা চারদিকে উল্টায় দেয়।এই উল্টানোর সময় নাকি সব থেকে বেশি কষ্ট হয়।"
তবে তার অনেকদিন পরের একটা ঘটনা বলি।আমি তখন ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে বাসায় এসেছি। তেমনি একদিন এ হঠাৎ আমাদের এক আন্টি বাসায় আসলেন। উনার নাম রুনা। অনেকদিন পর আসলেন আমাদের বাসায়। গল্প করছিলেন আমাদের সাথে। ঘরে তখন আমি, আমার ছোট ভাই, আমাদের এক প্রতিবেশী আন্টি আর আম্মু ছিলো। কথায় কথায় রুনা আন্টি বললেন উনার বোনের ছেলের মুসলমানি দিয়েছে তাই দেখতে আসছিলেন, ফেরার পথে আমাদের বাড়িতে উঠেছেন দেখা করতে।আম্মু বললো,"ছেলে তাহলে বড় হয়ে গেছে। ছোটবেলায় দেখেছিলাম। তা কবে মুসলমানি দিয়েছে? এখন কেমন আছে?"
রুনা আন্টি বললো,"৫ দিন হয়ে গেছে। ভালই আছে তবে...।"
এর মধ্যে আকাশ মেঘলা হয়ে গেছে। মনে করে আম্মু ছাদ এ চলে গেলো কাপড় আর আচাড় তুলতে। ওগুলা শুকাতে দেয়া ছিলো ছাদে । প্রতিবেশী আন্টি রুনা আন্টি কে জিজ্ঞাসা করলো,"তবে কি?" রুনা আন্টি বললো,"ডক্টর এর কাছে মুসলমানি দিলে নাকি ভাল হয়না। দেখতেই ভয়ানক লাগে। যে যাই বলুক আমি শুদ্ধ কে ওস্তাদ দিয়ে মুসলমানি দিবো।" (শুদ্ধ উনার ছেলে, আর আমাদের এলাকায় যারা মুসলমানি দেয় তাদের ওস্তাদ বলে)
আমি বললাম," আমাদের আফনানকে তো ওস্তাদ দিয়েই দিয়েছিলো। ও অনেক কষ্ট পেয়েছিলো। ওর চিৎকার এর কথা আমার এখনো মনে আছে।" এটা শুনে আমার ভাই লজ্জা পেয়ে চলে গেলো এখান থেকে।
তখন বেবী আন্টি (প্রতিবেশী) বললো,"ওস্তাদ দিয়ে অনেক কষ্ট হয়। আমি দেখেছি। ওরা একটা সুচ ঢুকায় তারপর একটা ক্লিপ এর মতো চিমটা দিয়ে চেপে ধরে। তারপর খুর দিয়ে দ্রুত কেটে দেয়। ক্লিপ এর কারণে রক্ত বের হতে পারেনা। শুধু তাইনা,এরপর ক্লিপটা খুলে চামড়াটা চারদিকে উল্টায় দেয়।এই উল্টানোর সময় নাকি সব থেকে বেশি কষ্ট হয়।"
আন্টিদের খাতনার আলাপ- পর্ব ২
বেবী আন্টির কথা শুনে গা শিউরে উঠল আমার। ব্যাপারটা ভয়ানক মনে হলো। আমি বললাম,"চামড়া উল্টায় দেয় কেনো?"
রুনা আন্টি বললো,"উল্টায় দিলে রক্ত কম বের হয়, তাড়াতাড়ি ভালো হয়ে যায়। আর উল্টায় দেবার কারনেই নুনু দেখতে ভালো লাগে। তবে সুচ সব ছেলেকে ঢুকায় না।যাদের নুনু ফুটে না,তাদের ঢুকাতে হয়। আমার শুদ্ধর নুনু ফুটলে ওর মুসলমানি দিবো।
রুনা আন্টি বললো,"একটা অবাক করা বিষয় কি জানেন ভাবী ? চামড়া যেভাবে উল্টায় আটকে দেয় তাতে তো কিছুদিন পরে ভাঁজটা খুলে আসার কথা। কিন্তু এই ভাঁজটা সারা জীবন থেকে যায় সেটাই অবাক লাগে।"
আন্টির কথা শুনে আমিও সেটাই ভাবি। বেবী আন্টির ছেলের গোসলের দিন আমি দেখেছিলাম একটা ভাঁজ আছে ফোলা ফোলা। আন্টি ছবিও দেখালো।
রুনা আন্টি বললো,"এটাই তো ভালো। ডাক্তার দিয়ে দিলে সেলাই এর অনেক দাগ থাকে। ভালো হয়না দেখতে।"
আমি অবশ্য কোনদিনও সরাসরি মুসলমানি দেয়া দেখিনি। তবে আন্টিদের কথা থেকে একটা অভিজ্ঞতা হলো আরকি।

Post a Comment
0 Comments