আমার ছোটভাইয়ের সুন্নতি খাৎনা

আমার ছোটভাইয়ের সুন্নতি খাৎনা করা হয়েছিল ২০১৬ সালের দিকে একটা প্রাইভেট ক্লিনিকে। ওর বয়স ছিল ৬ বছরের মত। কয়েক জায়গাতে কথা বলে জানছিলাম যে অনেকে নাকি পুরো অজ্ঞান করে খাৎনা করে। এটা আমার বাড়ির কেউ পছন্দ করেনি, তবে একটা ক্লিনিকের সন্ধান পাই যারা শুধু প্রাইভেট পার্ট অবশ করবে অজ্ঞান করবে না। আমরা আর কথা না বাড়িয়ে  সেখানেই এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নেই। পরের সপ্তাহে দেওয়া থাকে তারিখটা। ভাই ভয় পাচ্ছিলো অনেক, বাড়ি থেকে বুঝানো হয় যে মুসলিমদের এটা করতেই হয়। না করলে কি কি সমস্যা হতে পারে এইসব নিয়ে বেশ কিছু ভয় দেখানো হয়। আর করলে যে কোনো ব্যাথা লাগেনা এরকম বেশ কিছু পজিটিভ কথা শোনানো হয়। ওর মুসলমানির তারিখ এ ওকে সকালে নেওয়া হলো ক্লিনিকে। ভিতরে আমাদের থাকার অনুমতি মিললো কিন্তু আব্বু রক্ত, কাটাছেড়া এসব দেখতে পারেনা তাই আব্বু আম্মু বাইরে থাকলেন আর আমি ভিতরে গেলাম শুধু। ওকে শুইয়ে রেডি করার পরে ওর পেনিসে ৩ টা ইনজেকশন দিলো। ইনজেকশনে খুব কষ্ট হইছিলো তাই চিল্লায় কান্না করছিলো। মাথার কাছে ছিলাম বিধায় ওর উপর ঝুকে পরে একটু শান্তনা দিচ্ছিলাম। একটু পরে অবশ হয়ে আসলে ওর মুসলমানি করে দিলো। অবশ হলেও অল্প একটু ব্যাথা পেয়েছিলো তাই কাটলে একটু কেমন করে উঠছিলো। পাশে একুরিয়াম ছিল যেতে ছোট কচ্ছপ রাখা ছিল ২ টা। ওর কেটে ফেলা চামড়াটা একুরিয়ামে ফেলে দিলো, নিচে পরে যাওয়ার আগেই একটা কচ্ছপ সেটা খেয়ে ফেললো। ও ব্যাপারটা খেয়াল করছিলোনা কারণ পেটের  সোজাসুজি পর্দা টানানো ছিল। সিলাই শেষে টেপ মেরে দিয়ে এরপরে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দিয়ে দিলো প্রেসক্রিপশন সহ। ৪ দিন পরে যেয়ে  ব্যান্ডেজ খুলে নিয়ে আশা হলো তবে একটু সুতা বের হয়ে ঝুলছিলো। এটা জানালে ডাক্তাররা বললো ঘ শুকানোর শেষ পর্যায়ে গেলে আলতো করে টান দিতে, বের হয়ে গেলে ভালো নয়তো ওখান থেকে হয় এমনি পরে যাবে নয়তো কেটে দিতে হবে। উনাদের আছেও নেওয়া যেতে পারে অথবা নিজেরা কেটে দিলেই হবে। কয়েকদিন পরে মোটামুটি ফ্রেশ হয়ে গেলো যখন তখন সুতাটা টান দিলাম ও একটু ব্যাথা পেয়ে উঠলো তবে বের হয়ে আসলো সুতাটা।

বাংলিশে লেখার জন্য দুঃখিত, ভালো লাগলে পোস্ট করবেন।

Post a Comment

0 Comments