আমি বেশি গুছিয়ে লিখতে পারিনা এজন্য বেশি বড় করে লিখছিনা। আমার মুসলমানি শহরে হয়েছিল তবে হাজাম দিয়ে। মুসলমানির ১ দিন পরে আম্মুর থেকে শুনেছিলাম ঘটনা। তো কিভাবে শুরু আর কি হইছিলো সব মিশিয়ে লিখছি। হাজাম আসার পরে আমার সাথে সাধারণ কিছু কথা বলে এরপরে টাউজার অল্প একটু নামিয়ে নুনু ফুটায় এরপরে নুনুতে ২ টা ইনজেকশন দেয়। এরপরে টাউজার আবার উঠিয়ে দিয়ে ট্রাউজারের উপর দিয়েই নাড়াচাড়া করতে থাকে নুনু আর আমাকে মালিশ করতে বলে। আমি খাটে বসে মালিশ করতেছিলাম মোটামুটি ৫-৬ মিনিট নিয়ে উনি বিছানায় উনার ব্যাগের আড়ালে কি কি সব রেডি করতে থাকে। এরপরে আমাকে প্যান্ট পুরো খুলতে বলে, আম্মু প্যান্টটা খুলে নেয় আমার। আমি দাঁড়িয়ে থাকি আব্বু পিছন থেকে ধরে রাখে আমাকে আর আম্মুও ধরে রাখে যেন সোজা দাঁড়িয়ে থাকি। এরপরে কিছুক্ষন পরে হাজাম আমাকে শুইয়ে দেয় বালিশ বাদে এরপরে কি কি করে চলে যায়।
এখানে যা যা হৈসিলো সেসব আমি জানিনা পরে আম্মুর থেকে শুনেছি। হাজাম আমাকে দাঁড়ায় রেখে নুনু ফুটিয়ে একটা চিকন কাঠি রাখলো নুনুর মাথায় এরপরে চামড়া ঢেকে দিলো টেনে। একটু সময় নিয়ে নুনুর মাথা টেনে ধরে দেখলো আর আরেকটা কাঠের চিমটা দিয়ে নুনু আটকে দিলো। আটকে ভালো করে দেখলো তারপরে কাঠির জায়গা পরিবর্তন করলো সামান্য এরপরে ক্ষুর দিয়ে কেটে দিলো। চিমটা বেয়ে ১-২ ফোটা রক্ত বেয়ে পড়লো মেঝে। চিমটা খুলতে খুলতে আরেকটু রক্ত পড়লো। এরপরে একটা কাপড় দিয়ে নুনু চেপে ধরে বেঁধে দিলো আর ফ্লোরে চামড়া আর রক্ত যেখানে পড়ছে সেখানে কাপড় ফেলে রাখলো ঢেকে রাখতে। এরপরে আমাকে শোয়ানোর পরে কাপড় খুলে নুনুর যেখান থেকে কাটছে সেটুক উল্টে দিয়ে ভায়োডিন মাখিয়ে তুলো দিয়ে পেঁচিয়ে গজ দিয়ে বেঁধে দিলো। পরে ফ্লোরের থেকে কাটা চামড়া ছোট একটা কাপড় দিয়ে বেঁধে আম্মুর কাছে দিয়ে মাটিতে পুঁতে দিতে বলছিলেন। তখন অবশ্য বুঝিনি যে মাটিতে পুঁতে দিতে বলতেছেন কিন্তু ওটা আসলে কি ছিল। শুনছি আমার নাকি বয়স বেশি হওয়ার দরুন চামড়াও একটু বেশি কাটা লাগছিলো।
0 Comments