আমার খাৎনা দেওয়া হইসিলো এলাকার এক ফার্মেসিতে। মূলত হাজাম আর হাজামের ছেলের ওষুধের দোকান ছিল। মূলত উনাকে ডাকলেই উনি বাড়িতে যেয়ে খাৎনা করে দিতেন। কিন্তু বাপ মা জানতো যে আমি একটু বেশি লজ্জাশীল ধরণের তাই বাড়িতে ডাকার চিন্তা বাদ দিলো। কারণ বাড়িতে ডাকলে আসে পাশের সব ভিড় করবে। আব্বা যেয়ে ফার্মেসির উনাকে বলে আসলেন যে বাড়িতে করা যাবেনা তাহলে এখন সমাধান কি। আপনি বাড়িতে আসছেন এটা দেখলেই সব চলে আসবেনে। আর ছেলে তো এমন যে একটু বুঝার মতো বয়স হওয়ার পর থেকে মার সামনেও পান খোলেনা। হাজাম বলে দিলো যে তাহলে রাত ৮ টার পরে আমার দুকানে নিয়ে আইসেন যেকোনো দিন। এখানেও ওই সময় আর লোক থাকেনা আর রোগী দেখি তো পর্দার আড়ালের ওখানে নিয়ে। ওখানে নিয়েই মোসলমানি করে দিবো।
এর পরেরদিন আমাকে সব বলা ও হলো, এবং মোটামুটি মানসিক ভাবেও প্রস্তুত আমি। যেহেতু মানুষের সামনে হবেনা তাই বেশ খুশি আমি। রাত্রে খাওয়াদাওয়া ঐদিন সন্ধ্যায় মাগরিবের পরেই করা হলো। ৮ টার পরে আমি আর আব্বা গেলাম উনার দোকানে। এরপরে উনি আমার সাথে একটি আধটু কথা বললো। তারপরে ভিতরে নিয়ে গেলো।
এরপরে একটু মজার কান্ড হলো। উনি আমাকে বললেন যে আজ শুধু পাউডার দিয়ে মন্ত্র পড়ে ফু দিয়ে দিবো। এর ১ মাস পরে মুসলমানি করে দিবো। আমি বললাম যে আমি সব জানি আজকে মুসলমানি করা হবে , আমি ভয় পাইনা। হাজাম একটু হেসে বললো বাহ্ তুমি তো খুব বাহাদুর ছেলে। এরপরে প্যান্ট খুলতে বলা হলো, একটু ইতস্তত লাগলেও খুললাম। ওই বেঞ্চের মতো বেডে শুইতে বললেন। মাথার দিক উঁচু তাই সব দেখতে পাচ্ছিলাম। উনি চোখ বন্ধ করতে বললে আমি বললাম আমি দেখবো, আমার ভয় লাগবেনা। হাজাম কথা বাড়ালো না আর। ইনজেকশন রেডি করে নুনুর মাথায় ফুটায় দিলেন অর্ধেক দিয়ে বের করে ডলতে লাগলেন তারপরে নুনুর আরেক সাইডে ঢুকায় দিলেন এবং বাকিটা দিয়ে দিলেন। এবার নিজে একটু ডলে আমাকে ডলতে বললেন। আমিও ডলতে থাকলাম আর উনি পাশের টেবিলে উনার জিনিসপত্র রেডি করতে থাকলেন। একটু পরে বললেন দেখতো নুনুতে চিমটি দিয়ে কেমন লাগে। চিমটি দিয়ে দেখি কোনো ব্যাথা লাগেনা। এরপরে হাজাম কাছে এসে একটা কাঠি ঢুকে একটু ঘুরানি দিলো চারিদিকে। এরপরে কাঠির সাথে নুনুর মাথা চেপে ধরে একটা স্টিলের চিকন শক্ত চিমটা লাগলেন আর বললেন চোখ বন্ধ করতে। বললাম আবারো যে আমি দেখবো, আমার এতে ভয় লাগেনা। এরপরে হাজাম ব্লেড নিয়ে নুনু কেটে দিলেন। চিমটা তখনো আটকে ছিল, উনি তুলা দিয়ে ধরলেন কাটা নুনু আর ওই অবস্থায় চিমটা খুললেন। এবার হাতে তুলা থাকা অবস্থায় নুনু ফুটিয়ে আর উল্টিয়ে দিলেন। এরপরে ভায়োডিন দিয়ে দিলো। তারপরে তুলা আর গজ দিয়ে ব্যান্ডেজ। কেটে দেওয়া চামড়াটাও ছোট একটু গজ দিয়ে পেঁচায় আমার কাছে দিয়ে বললেন তোমার আম্মাকে যেয়ে কও এই চামড়াটা বাড়ির চালে শুকাতে দিতে তাহলে নুনু সারবে দ্রুত, আর এই কয়দিন টক কোনো কিছু খাবনা । এরপরে কিছু ওষুধ দিয়ে দিলো আর কখন খেতে হবে বলে আর লিখেও দিলেন। লুঙ্গি নেওয়া হইসিল না, আব্বা তখন একটু টেনশনে পড়লেন। হাজাম বললেন প্যান্ট পরায়ে চেন খোলা রেখে নুনু বের করে নিয়ে যান। নুনু অসাড় করে দেওয়া। ওর জামার টাচ লাগলেও কোনো ব্যাথা হবেনা এখন । প্যান্ট পরানো হলো ঠিকই তবে আব্বু একটু ভিন্ন কায়দায় কোলে করে নিয়ে গেলো বাড়িতে।
0 Comments