আর তো নুনু তে কয়েক রকমের ব্যাথা নুনু টাটাচ্ছে ভিষণ জালা পুরা আমার কান্না কাটি অনেক আর সেদিন ছিল শুক্রবার সকাল আমি কাঁদছি আর দেখি হাজাম সহযোগী আর আব্বু সোফায় বসে কথা বলছে একটু পড়ে আবার সহকারী আমার খাটের কাছে আসে সে ও হাজামের মতো করে অনেক জোরে চাপ দিয়ে নুনু ধরে আর আমি কাঁদতে কাদতে আমার হাত সহকারীর হাতের সাথে লাগালাম তারপর ছেড়ে আবার বসলো তারপর বুয়া আর কাজের মেয়ে দুই জন দুই বালতি আনলো যেখানে বসিয়ে আমার মুসলমানি করে সেখানে মুছা শুরু করলো আর হাজামকে আর একটা বালতি দিলো আর সাবান হাজাম আর সহকারী হাত ধুলো আর বসলো আর ভিতর থেকে কি কি যেন খাবার আনলো তারা খেলো আবার ও সহকারী আমার কাছে আসলো আর আঙুল দিয়ে নুনু দেখিয়ে আব্বু কে বললো খুব সুন্দর মুসলমানি হয়েছে আব্বু ৫০০ টাকার একটা নোট দিলো আরও জানি কি কি কথা পরে বললো আরও ৭, ৮ মুসলমানি করাতে হবে আর শুক্রবার বেশি কাজ থাকে এই বলে তারা চলে গেলো আর আমার তো কান্না কাটির শেষ নাই লাগে যেন আর জালা বাড়ছে এদিকে দেখি বাসার সবাই কম বেশি করে টাকা নিয়ে আমার বালিশের পাশে রাখলো বাসার বুয়া ও কাজের মেয়ে টা টাকা নিয়ে রাখলো আর সবার মুখ ফেকাসে হয়ে আছে আমার কান্না কাটি আর অবস্থা দেখে আমি আবার কাঁদতে কাঁদতে বললাম হাজাম যে কাটার পরে নুনু মাথা অনেক জোরে চাপ দিয়ে ধরে রাখে সে কথা আর কান্না আমাকে সবাই আদর করছে, আর দুই আপু হাত পাখা দিয়ে নুনু তে বাতাস করছে আর উপরে ফ্যান ও চলছে আরো অনেক সময় কান্না কাটি করছিলাম।
আচ্ছা খুটিনাটি আরো কিছু আছে সেগুলো বাদ হয়ে গেছে আর মুসলমানির সময় আমার বয়স ছিল সাড়ে ১৪ তখন ক্লাশ 7 য়ের বাষিক পরিখা দিলাম আর ক্লাশ 8 এ ওঠবো ডিসেম্বর মাস কড়া কনে কনে শীতে
হাজাম মুসলমানি দিয়ে চলে যাওয়ার পড়ে আমি কান্না কাটি করে আরো অনেক কথা বলছি যেমন শুরু থেকে কি কি করছে সব সবাই কেমন যেন আন মনা হয়ে শুনছে কিন্তু কিছু ই বলে না শুধু আদর করে ইত্যাদি যেমন শুরু তে যখন কাঠি টা টান দেয় তখন যে চিৎকার দেই সাথে সাথে হাজাম তার হাতের আঙুল দিয়ে অবশ্য হাজামের হাতের আঙুল গুলো মোটা ও নোখ ছিল যাক কি ভাবে যেন হাজাম দুই আঙুল দিয়ে চামড়ায় চিপ দেয় অনেক জোরে আর নুনু কে ভেতরে অনেক ঢুকিয়ে দেয় আর চিমটা বা ফাঁক করা কাঠি টা দিয়ে আটকে ফেলে তারপর ও আরো কিছু চামড়া ধরে জোরে জোরে টানতে থাকে আর কাঠি টা ভেতরে চাপতে থাকে আর আটকানো হয় আর দাঁড়িয়ে বসেই হাজাম মুসলমানির জন্য কাঠি টা ঠিকঠাক করতে থাকে আর নিচের দিকে চাপ বা মুঠ করে দুই টা ফাঁক কাঠি কে এক করে দেয় মানে চুঙি দেয় তখন তো যান বের হয়ে যাওয়ার অবস্থা তারপর ই কাটা হয় যাক অনেক কান্না কাটির করলাম দুপুর পযন্ত দুপুর হলো এখানে আরেক টা ব্যাপার তা হচ্ছে হাজাম যাওয়ার ৫ /১০ মিনিট পরে ই ও-ই বিহারি চাচা আসে সে নাকি আমার মুসলমানি দেখবে তা হয়ে গেছে আরেক টু আগে আসলে দেখতে পেতো সে খুব মন খারাপ করলো আমি কান্না কাটি করছি সে ও আমার পাশে সোফায় বসে আব্বু আর আম্মুর সাথে কথা বলছে সব ঘটনা শুনলো আর আফসোস করেছে আবার বললো সে নাকি হাজাম কে আমার বেলুন মুসলমানি করতে বলছে পড়ে আব্বু বললো আরে না সেটা করে নাই হাজামের সহযোগী শুরু থেকে আমার মুসলমানি টা দেখে আমার কাঁধের উপর দিয়ে আর সেও চাইছিলেন বেলুন মুসলমানি করাতে কিন্তু হাজাম তো জাদা মানে খুব বেশি টাইট করে দেয় তার তারপর ও চাচা আফসোস করেছে যে তার সামনে কেন করে নাই আর বেলুন মুসলমানি কেন করে নাই এসব নিয়ে যাক আব্বু বললো সহযোগী বলেছে মুসলমানি সুন্দর হয়েছে ও চাচা আর একটু বেশি করে মানে কেউ বেশি বেশি কান্না কাটি করে মুসলমানিতে সেটা সে আরো বেশি করে চায় যাক সে আমার দিকে কয়েক বার তাকিয়ে ছিল তার কিছু খাওয়া দাওয়া করে চলে গেলো এদিকে আমি আবার আব্বু কে বললাম বেলুন আর জাদা টাইট মুসলমানি কি কাকে বলে আব্বু কিছুই বললো না পড়ে আমি দুপুর দিকে কান্না কাটি বন্ধ করলাম জলা পুরা একেবারে ই কমে গেলো কিন্তু অনেক ব্যাথা করছে ও-ই ব্যাথা নিয়ে আমি আস্তে আস্তে বসলাম খাটের বাইরে দুই পা রাখতে শুরু করলাম তারপর ই দাঁড়িয়ে গেলাম হাটা শুরু করলাম দেখি আমি বাঁকা বা খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাটছি সোজা হয়ে হাটতে পারছি না আবার দাড়াতে ও পাড়ছি না যাক ১ /২ পা করে আমার রুমের দিকে যেতে শুরু করলাম আর লুঙ্গি সবটুকু খুলে ফেললাম সম্পুর্ন নেংটা শুধু শাট পড়া তাও গিটঠু দেওয়া হাজামের হাতের গিটঠু
তবে আমি শুরু থেকে তেমন বেশি জোরে জোরে চিৎকার বা কান্না কাটি করি নাই অনেকের মতো তারা তো খুব জোরে জোরে অনেক শব্দ করে কান্না কাটি করে সবাই কে জানিয়ে দেয় যে তার আজ মুসলমানি বা খৎনা কার হয়েছে ইত্যাদি আমি শুধু হালকা শব্দে কান্না কাটি করছি আর মাঝে মাঝে যখন বিভিন্ন রকমের ব্যাথা বা জালা পুরা করেছে তখন সহ্য করতে না পেরে জোরে জোরে কাঁদছি যাক এভাবে দুপুর গরিয়ে বিকাল ও সন্ধা হলো আমি শুয়ে আছি একা নেংটা হয়ে আর মন খারাপ যে প্রতিদিনের মতো আজ বাইরে জেতে পারলাম না কি অবস্থা আমার রাত হলো আম্মু আসলো আমাকে খাওয়াবে, খাওয়া দাওয়া শেষ করে আম্মু তার সাথে আমাকে নিয়ে শুলো দুই জন একখাটে অনেক দুরে দুরে বলা যায় না হঠাৎ কোন ধাক্কা বা আঘাত লাগলে তো আবার অন্য রকম আবার রাতে ব্যাথা ও করছিল আমি ও খুব কান্না কাটি করি
0 Comments