একটা ভিন্নধর্মী ঘটনা - দ্বিতীয় এবং শেষ পর্ব

যেহেতু আগে থেকে সেলাই ছাড়া লুঙ্গি পরে ছিলাম, এবার হাজাম বললো যে শুয়ে পড়। কিছু দেখার দরকার নাই, দেখলে ভয় পাব। যা যা বলবো তাই তাই বলবা শুধু। ওই সময় রুমে শুধু বাবা - মা ছিলেন। বাকি ২ জন কে আসতে দেওয়া হয়নি। হাজাম কি কি করলো তেমন টের পাইনি আমি। তবে চাকু ধার দিলে যেমন শব্দ হয় তেমন একটা শব্দ হলো আর তখন অনেক ব্যাথা করে উঠলো। হাজামের সাথে কথা চলতে থাকলো এরপরে শেষ হলে হেলান দিয়ে বসতে বলল। কবে কাপড় খুলতে হবে এইসব উনাদের বুঝে হাজাম চলে গেলো। যেহেতু ছাই দিয়ে দিছিলো তাই বেশ জ্বলছিল। রাত্রে এক শুয়ে ছিলাম তখন দেখি খাটের কোনায় একটা কলাপাতা গোল করে বটে রাখা আর মাঝখানে কাপড় দিয়ে বাধা। খুলে দেখি ওতে লিঙ্গের কেটে ফেলা চামড়াটা রাখা আছে। দেখে শরীরটা হালকা কেঁপে উঠছিলো, এরপরে আবার যেভাবে ছিল সেভাবে বেঁধে রেখে দিলাম সেখানেই। ব্যান্ডেজ খোলার দিন তেমন সমস্যা হয়নি, ৭ দিনের সময় কাপড় এর বাঁধনটা খুললে ছাই ঝরে গেছিলো। ঐদিন ঐভাবেই রাখা হলো পানি স্পর্শ না করায়, মা পরেরদিন কুসুম গরম পানি দিয়ে খুব আলতো করে কচলে ধুয়ে দিয়েছিলো। পরে মায়ের থেকে জানছি চাকু দিয়ে টান দিয়ে চামড়া কেটে দেওয়ার সাথে সাথেই নাকি স্বর্না এর মতো কি দিয়ে আটকেছিলো সেটা খুলে গেছিলো। তখন অনেক রক্ত বের হয়েছে। এরপরে নাকি চামড়া পিছনে উল্টে দিয়ে ছাই আর কাপড় দিয়ে চেপে ধরে রাখছিলো বেশ করে। কিছুক্ষন পরে ছেড়ে দিয়ে দেখে যে রক্ত পড়ছেনা তখন আবার একটু ছাই দিয়ে কাপড় বেঁধে দিছিলো।

আমার মনে হয় ছাই ব্যাবহার করার কারণে নাকি উনার কাটার কোনো কারণে তখন থেকেই চিকন গোল কালো দাগ হয়ে ছিল যা এখনো আছে।  বড় ছেলের মুসলমানিও হাজাম দিয়ে করিয়েছি, তবে সেখানে হাজাম ইনজেকশন ব্যাবহার করছে। তুলে পেঁচিযে দিয়েছিলো যেটা খোলা বেশ সময়সাপেক্ষ এবং কষ্টদায়ক। তবে কোনো কালো দাগ নেই, যদিও দাগ কোনো ইফেক্ট ফেলে না দাম্পত্য জীবনে।
একটা অফটপিক বলি যা পেজের সাথে যায়না। এখন আমরা যে এলাকায় থাকি এখানে আমার সময়বয়সী যারা বেশিভাগের এখনো বিয়েও হয়নি। যৌবনের ঢেউ কিভাবে সামলাচ্ছে ওরাই জানে, এমনকি আমার বয়সী অনেক মেয়েও অবিবাহিতা। এমন না যে অশিক্ষিত; আমি কিন্তু মাস্টার্স কমপ্লিট করা মানুষ, স্ত্রীও অনার্স শেষ করেছে। বড় ছেলের বিয়ে দিয়ে দিবো ১৮-২০ বছরের মধ্যেই। তখন আমার বয়স হবে ৩৬-৩৮ এর মধ্যে। আমার স্ত্রী কিন্তু খাস পর্দানশীল মেয়ে। যেখানে আমরা আছি এখন কেউ তার মুখ ও দেখেনি। একটা কথা বলি, মনে কষ্ট নিবেন না। আশেপাশে জন্মগত বেশিরভাগ মুসলিমদের দেখছি শুধু এই অঙ্গের ত্বক টা কেটেই মুসলিম, আর সমস্ত ব্যাপারে সম্পূর্ণ উদাসীন। সাপ্তাহিক নামাজী, বাৎসরিক নামাজী, শাড়ী পড়ে পর-পুরুষের সামনে নাভি-পেট দেখানো, সিল্কি চুল প্রদর্শন করা মুসলিম মহিলা এসব ই দেখে আসছি শুধু। নিজেকে একটু শুধরানো উচিত, ধর্মীয় বিধান মানুষকে ব্যাকডেটেড বানায় না মোটেও। ভালো লাগলে শেয়ার করেন পেজে, না করলেও আমি মনে কষ্ট নিবো না।

Post a Comment

0 Comments