আমার আর আমার বড় ভাইয়ের মুসলমানি একসাথে করা হয়েছিল। যদিও গ্রামের মুসলমানি করে খোলা উঠানে নিয়ে পাড়াপ্রতিবেশী, আত্মীয় সবার সামনে। কিন্তু আমার পরিবার বেশ রক্ষণশীল তাই সেভাবে করা হয়নি। বলা হয়েছিল, এমন কাজ গোপনে করে ফেলা ভালো। ঢাকঢোল পিটায়ে করার কিছু নাই। আমার আম্মু আর ছোটফুপী আমাদের ২ জনকে বেশ সময় নিয়েই বুঝিয়েছেন এই ব্যাপারগুলা যেন মন থেকে একসেপ্ট করে নিয়েই আগাই। ঠিক অনেকটা ব্রেনওয়াশ করার মতো ব্যাপার। এমনকি বলে রাখা হয়েছিল ২ জনের মধ্যে যারা সবচেয়ে শান্ত হয়ে থাকবে এই কয়দিন তাকে পুরস্কার দেওয়া হবে। মুসলমানির দিন হাজাম আসে সকালে, আমাদের বলে যে তোমাদের আজকে মুসলমানি করবোনা।আজকে ফুটায় ময়লা পরিষ্কার করে বেঁধে দিয়ে যাবো। প্রথমে ভাইয়াকে নেওয়া হলো, আমি পাশেই ছিলাম। দেখি হাজাম ওর নুনুর ভিতরে একটা কাঠি দিয়ে ঘুরায় তারপরে ফুটায় মুছে দেয়। একটা কাপড় দিয়ে বেঁধে দেয় ওভাবেই। আমাকে বলে যে দেখলা কিভাবে করতে হয়? কত সহজ না? কোনো কষ্ট ও হয়না, কাটি ও নাই। এরপরে আমাকে নেওয়া হলো হাজামের সামনে, আমাকে বলা হল যে ওই একই কাজ ই করবো, তুমি উপরের দিকে তাকাও। আমি উপরে তাকালাম, একটু পরে নিচে তাকে দেখি কাঠি ঢুকিয়ে চামড়া টেনে ধরছে। হাজাম বলতেছে নিজের টা নিজে দেখতে হয়না, তাহলে ময়লা পরিষ্কার হয়না। আমি কি করবো তা তো দেখছোই। তখন পাশে ভাইয়া ও ছিল, আবার উপরে তাকালাম একটু পরে বেশ একটু ব্যাথা করে উঠলো। কিন্তু পুরস্কার এর লোভে চুপ থাকলাম, কিন্তু নিচে তাকালাম। দেখি নুনু ফুটানো, হাজাম নুনু চেপে ধরে রাখছে। এরপরে বেঁধে দিয়ে আমাকে শুয়ে থাকতে বললো। এবার ভাইয়াকে বললো তোমার টায় বান্ধোন মনে হয় একটু লুজ হইয়া গেছে, ঠিক করে না বাধলে নুনুর মাথা পড়ে যাবে। এরপরে ওকে বসিয়ে ওকেও মুসলমানি করে দিলো, যেটা আমি দেখিনি।
পরে আম্মুর থেকে জানছি যে আমাদের বোকা বানায় মুসলমানি করানোর জন্য উনি এইটা করছে। আমাকে ভাইয়ার নকল মুসলমানি দেখাইছে ভয় দূর করতে, আর ভাইয়াকে যখন নকল মুসলমানি দিচ্ছে তখন সে ভাবছে তাকেও দিয়ে দিছে তাই সে আমার তা দেখে ভয় পায়নি। কারণ সে ভাবছে তার হয়ে গেছে, যেহেতু আমিও নুনু কাটলে চুপ ছিলাম ও মনে করছিলো কোনো কষ্ট হয়না আসলেই। পরে আমাকে বলছে যে বাঁধন টাইট করতে যেয়ে অনেক জ্বলছিল। আর পরে জানা গেলো যে বাঁধন টাইট না, ওর মুসলমানি করে দেওয়া হয়েছিল তখন।
0 Comments