জন্মগত খাৎনার ইতিকথা

Aposthia এই রোগটির ব্যাপারে করা কতটুক জানেন? এই শব্দটি চাইলে গুগল, উইকিপেডিয়া তে খুঁজে দেখতে পারেন। আমাদের দেশে খোদাই মুসলমানি / পয়গম্বরী মুসলমানি / জন্মগত খাৎনা এই ধরণের কথা বিদ্যমান আছে। এটা নিয়ে কোনো সমস্যা না। সমস্যা হচ্ছে আমরা অনেকে সঠিকভাবে জানিনা এইটা কেন হয়।
এটাকে মূলত কোনো রোগ বলা চলেনা, এটা অনেকটা জন্মগত একটা ত্রুটি হিসেবে আখ্যায়িত করা যেতে পারে। Aposthia হলে ফোরস্কিন বা লিঙ্গাত্বক ছাড়াই শিশু জন্মগ্রহণ করে যা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক খাৎনা করা লিঙ্গের মতো লাগে। এতে ভবিষ্যতে স্ত্রী সহবাসে কোনো সমস্যা হয়না। অনেকে হাইপোস্পেডিয়াস কে এবং Aposthia কে গুলিয়ে ফেলেন।  হাইপোস্পাডিয়াস হলে মূত্রনালী লিঙ্গের নিচের দিকে থাকে যেটা ডিফেক্ট এবং সার্জারির মাধ্যমে ঠিক করে নেওয়া সম্ভব। তবে aposthia খুব ই রেয়ার এবং এটি ততবেশি দেখাও যায়না যতটা হাইপোস্পাডিয়াস রোগটা দেখা যায়।
আমাদের দেশের গ্রামাঞ্চলে একটা বিষয়  যদি হাইপোস্পাডিয়াস বা Aposthia হয়ে কোনো শিশু জন্মগ্রহণ করে তাহলে তাকে জন্মগত মুসলমান হয়ে এসেছে বলে তার পরিবারের মানুষরা আনন্দফুর্তি করে। তার গ্রামের তো বটেই এমনকি পাশের গ্রামের অনেকেও দেখতে আসে। বেশ আগে আমার এক বন্ধুর থেকে একটা ঘটনা শুনেছিলাম সেটা হলো একটা ছেলের এমন জন্মগত মুসলমানি হয়ে এসেছে এবং দেখতে হুবহু সুন্নত করা লিঙ্গের মতো। বয়স বাড়ার সাথে সাথে ফোরস্কিন যেখান থেকে গজায়, ছেলেটার সেখান থেকে কিছুটা চামড়া  ডেভেলপেড হয়ে গজিয়ে আসে যেটা পুরো ফোরস্কিন কভার না করলেও দেখতে দৃষ্টিকটু লাগে। ছেলেটার বয়স্ক আত্মীয়স্বজন রা ছিল কুসংস্কারাচ্ছন এবং তারা বলছিলো ওরর হয়তো ধর্ম কর্ম কম করার কারণে এই শাস্তিটা হয়েছে, নিয়মিত করলে আবার ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু ছেলেটা ধার্মিক ছিল অনেক।  সৌভাগ্যের বিষয় এটাই ছিল যে তার মামা শিক্ষিত এবং মেডিকেল লাইনের একজন ছিল। সে ব্যাপারটা সেভাবে নেয়নি মোটেও এবং তাকে ইউরোলজিস্ট দেখায় এবং তার পরামর্শ অনুযায়ী একজন অভিজ্ঞ শ্যালো চিকিৎসক সেই বাড়তি গজিয়ে উঠা চামড়াটাকে কেটে খাৎনা করার স্টাইলে সেলাই ও ব্যান্ডেজ করে দেয়। সেই ছেলেটার এখন স্ত্রী সন্তান ও আছে, দাম্পত্য জীবনেও মনে হয়না কোনো সমস্যা আছে তার। সার্জন বলেছিলো যে পুরো ফোরস্কিন যাদের থাকে তারাও কোনো সমস্যা ছাড়া স্ত্রীর সাথে মেলামেশা  করতে পারে কারণ উত্তেজিত অবস্থায় ফোরস্কিন পিছনে চলে এসে সহবাসের সঠিক অবস্থা তে পৌঁছে দেয়। কিন্তু এই ধরণের ত্রুটির ক্ষেত্রে এমনটা সম্ভব হয়না কারণ সামান্য একটু চামড়া ঝুলে থাকে যেটা যৌনিতে লিঙ্গ চালনার সময় বার বার বাধাপ্রাপ্ত হয় এমনকি ছিলে যেতে পারে সহবাসের সময়।

Post a Comment

0 Comments