১৬ বছর বয়সে মুসলমানির গল্প (পর্ব ৪)

ডাক্তার চলে যাওয়ার পর আমি কিছুক্ষণ ঘুমালাম।বিকেলে চোখ খুলতেই দেখি আমাকে দেখার জন্য গ্রামের অনেকেই চলে এসেছে।গ্রামের সবচেয়ে বড় বাড়ির ভাগ্নের মুসলমানি মিস করলেও তারা দেরিতে হলেও দেখতে চলে এসেছে।আমি লজ্জায় শেষ।একটি সুতাও নেই শরীরে।তবুও কিছুই করার নেই আপাতত যে এভাবেই থাকতে হবে।দুদিন কেটে গেল। কিন্তু জ্বালাপোড়া না কমায় সেলাইবিহীন লুঙ্গিও পড়তে পারছি না। তার মধ্যে আরেক বিপদ হলো টয়লেট। যা কিনা ঘর থেকে প্রায় ২০ ফুট দূরে।টয়লেটে গেলেই দেখা যেতো বাড়ির বাইরে থেকে কেউ না কেউ তাকিয়ে থাকতো।ঘরের মানুষ বিশেষ করে ভাবী আর আমার মামাতো বোন মিলি আমাকে নিয়ে সারাদিনই মজা মশকরা করতো।যেহেতু গ্রামের সবচেয়ে নামকরা বাড়ি তাই অনেকেই বাড়িতে আসতো।আর আমাকে এ অবস্থায় দেখতো প্রতিদিনই। ততদিনে অবশ্য লজ্জা শরম আমার শরীর থেকে এক প্রকার উঠেই গেছে। মনে হচ্ছে এটা আর কোনো ব্যাপারই না। এখন লজ্জাহীনভাবেই আমি বাড়ির মানুষের সাথে অবলীলায় কথা বলছি। বিষয়টা ভাবীর দৃষ্টি এড়ায়নি।তিনি বললেন কি দেবরজী অহন আর শরম লাগে না?

আমি ওনার কথার জবাব দিইনি।
ভাবী বললেন তোমার মেশিনটারে যত্নে রাইখো।দিনদিন বড়ো অইতাছে।
এভাবে ১২ দিন চলে গেল।আমার অবশ্য এটা নিয়ে আর মাথাব্যথা নেই। নিজের নগ্নতাকেই এখন সাধারণ ব্যাপার মনে হচ্ছে।একদিন হঠাৎ আমার মামাতো বোন মিলি বললো
মিলি: কিরে তোর বাল তো বেশ বড়ো হয়ে গেছে।কামাইবি না বলেই হো হো করে হেসে উঠেছিল।
আমি:তুই আয়।কামিয়ে দে।
মিলি: সর শয়তান। দূর হ।
এটা শুনে ভাবীও বললেন
ভাবী:ব্যান্ডেজ খুলার পরই কামাইয়া ফেইলো দেবরজি।আসলেই বড় হয়ে গেছে।ওদিকে মুসলমানির ১২ দিন পার হয়ে গেল।নুনুও অনেকটা শুকিয়ে উঠেছিলো।

Post a Comment

0 Comments