 |
| আরিফের মুসলমানি (পর্ব ২) |
মহিলা দুজন ডাক্তার,উনাদের বয়স বেশি হবে না,এই হবে ৩৫/৩৬,উনারা আমাকে আমি কোন ক্লাসে পড়ি এবং পড়াশোনা কেমন চলছে জিজ্ঞেস করলেন, এরপর বললেন যে আজ যা হবে তার জন্য আমি মানসিকভাবে প্রস্তুত কিনা।আমি হ্যাঁ বললাম,এরপর আমাকে বিছানায় শুয়ে পড়তে বললেন আর এক পাতিল গরম করে আনতে বলা হলো,যেটা আমার বোন নিয়ে এসেছিলো।বোনের বয়স তখন ১৮-১৯।আমার আম্মু তখন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি,মুসলমানির জন্য মহিলা দুজনের হাতে ব্যাগে (ডাক্তারি ব্যাগে) কিছু জিনিসপাতি ছিলোঃকাঁচি,ডাক্তারি ছুরি
,ইঞ্জেকশন,ওষুধ।বিছানায় আমি শুয়ে আছি,মহিলা দুজন সোফায় বসা,আব্বু পাশের রুমে,বোন এই রুমেই দাঁড়িয়ে আছে।আমি আমার বোনকে চলে যেতে বললাম আর যাওয়ার আগে একটি লুঙ্গি দিয়ে যেতে বললাম আর আব্বুকে আসতে বললাম।আব্বু আসলেন,তখন ঐ মহিলা দুজনের একজন আমাকে আমার হাফ-প্যান্ট খুলতে বললেন।আমি খুললাম, বেরিয়ে এলো আমার শিশ্ন,আব্বুর সামনে যদিও যৌন-উত্তেজনা উঠেনি,মহিলা ডাঃ একজন বললেন পুরোটা খুলতে,আমি খুললাম।মুসলমানির আগে আমি শিশ্নের এলাকার লোম শেভ করেছিলাম।আমি টি-শার্ট ছাড়া পুরো অনাবৃত হয়ে গেলাম।শিশ্নে ওষুধ দেয়া হলো ওটাকে অবশ করার জন্য,অবশ হলো সেরকম অনুভূতি পাইনি,ডাক্তার বললেন,"এবার ইঞ্জেকশন দিলে তুমি ব্যাথা পাবেনা কারণ ব্যথানাশক ওষুধ তোমাকে দেওয়া হয়েছে আর তোমার শিশ্ন অবশ করা হয়েছে।"
এরপর ইঞ্জেকশন দেওয়া হলো,তারপর আরো কি যে একটা ওষুধ দিয়ে শিশ্নের মাথায় কাঁচি ধরা হলো, শিশ্ন কাটার সময় আমি কোনো ব্যথা পাইনি,টেরই পায়নি কখন শিশ্ন কাটা হয়ে গেলো,তারপর উনারা (মহিলারা) ব্যান্ডেজ করে বিভিন্ন ওষুধ আমার জন্য এক সপ্তাহের জন্য রেখে বিদায় নিলেন।
(শেষ)
0 Comments