Story
সুমনের খতনা ১ম পর্ব
আমার খতনার কথা বলছি।
আমার নাম সুমন।আমার খতনা ১৪ বছরে হয়েছিলো।বিভিন্ন
কারণে আমার খতনা দিতে দেরি হয়েছে।হঠাৎ করে কিছুদিন ধরে আমার নুনুতে একটু জ্বালা পোড়া করতো।তাই আমি আমার মাকে ঘটনাটি বললাম।তখন আম্মু আমার নুনু দেখতে চাইলো।আমি আমার ঘরে এনে নুনু দেখালাম।তখন আম্মু দেখে বললো ডাক্তার কে দেখাতে হবে।২ দিন পর ডাক্তার এর কাছে গেলাম।গিয়ে দেখি মহিলা ডাক্তার,উনার বয়স ২৯-৩০ হবে।সে বলল আমার প্যান্ট খুলে বেডে শুতে।আমার খুব লজ্জা লাগছিলো।আম্মুর কথায় প্যান্ট খুলে শুয়ে গেলাম।তখন একজন নার্স ও সেই ডাক্তারটি আমার নুনু নাড়াচাড়া করছিলেন।এর ফলে আমার নুনু দাঁড়িয়ে গেলো।ডাক্তার বললেন,"একটু কন্ট্রোল করো।" তারপর ডাক্তার মাকে বললেন,"আপনার ছেলের মুসলমানি এখনো দেননি কেন ? তাড়াতাড়ি মুসলমানি দিতে হবে না হলে সমস্যা হবে।" এ দিকে আমার নুনু নাড়াচাড়া করছেন।আবার বললেন, "আপনার ছেলের নুনু তো এখনো ঠিকমতো ফুটেনি।" এই বলে ডাক্তার নুনুর চামড়া ধরে উঠা নামা শুরু করলেন।আমার খুব কষ্ট হচ্ছিলো।তাই বললাম,"ব্যাথা লাগছে।"
তখন ডাক্তার আর জোড় করলেন না।বললেন,"বাসায় তাড়াতাড়ি নুনু ফুটিয়ে নেন।আর আপনার ছেলের নুনুর মুণ্ডি থেকে অনেক গন্ধ বের হচ্ছে।তাই ফুটানোর পর মুণ্ডিটা ক্লিন করবেন।আর এমনিতেও ছেলেদের মুসলমানির আগে মুণ্ডি থেকে গন্ধ বের হয়।মুসলমানি হয়ে গেলে নুনু ফুটে থাকে তাই আর বের হয়না।" এরপর ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে চলে আসলাম বাসায়।এসে আম্মু আমার বোনকে আমার নুনু ফুটানোর দায়িত্ব দিলেন।আমার বোন আমার থেকে ৩ বছরের বড়।প্রতিদিন গোসলের আগে আমার নুনু ফুটাতো।আমার একটু লজ্জাই লাগতো।আর ফুটানোর কারণে নুনু ব্যাথা হয়ে যেতো।আর নুনু খাড়া হয়ে যেতো।আপু মুচকি হাসতো শুধু।একদিন আপু বললেন,"তোর নুনু থেকে এত গন্ধ বের হচ্ছে কেন ?" আমি বললাম,"ডাক্তার বলেছে মুসলমানি করালে ঠিক হয়ে যাবে।"
৬ দিনে নুনু প্রায় ফুটে গিয়েছিল।লাল মুণ্ডিটা বের হয়ে গিয়েছিলো।আমার নুনু ফুটাতে ভয় লাগতো তাই আপু ফুটিয়ে দিয়েছে।কিন্তু অনেক ব্যাথা পাইছি।নুনু অনেক ফুলেও গেছে।একদিন আম্মু বললেন,"এই রকম ফুটানোই থাক।এইভাবে সুন্দর লাগছে।" আপু হাসছিলো আর বলছিলো,"সুন্দর লাগবে না এতোদিন ধরে ফুটিয়ে বের করলাম।"তারপর বাসায় হাজামকে দিয়ে মুসলমানি করাবে বলে ঠিক হলো।২ দিন পর হাজামকে ডাকলেন।
এরপরের দিন চলে আসলো।যতদিন যাচ্ছে তত আমার ভয় বেড়েই চলেছে।কিভাবে মুসলমানি করবে,কেমন ব্যাথা হবে এসব ভাবতে ভাবতেই মনে হলো আমার নুনু তো এখনো সম্পূর্ণ ফুটেনি।প্রায় ফুটে গিয়েছে ১০-১৫% ফুটানো বাকি আছে।আমার ওইটুকু ফুটাতেও ভয় লাগছে।কারণ অনেক ব্যাথা হয়।আর আপু অনেক জোরে জোরে নুনুর চামড়া নিচে নামিয়ে ফুটায়।এর মধ্যে আপু এসে নুনুর বাকি অংশ ফুটানোর কথা বললো,আগামীকাল মুসলমানির জন্য।আমি না করে দিই।বলি আর ফুটাতে হবে না বাকিটুকু আমি ফুটিয়ে নিবো।আপু আর জোর করলো না।ওইদিকে আমার আম্মুর ১৪ গোষ্ঠিকে বলা হয়ে গেছে যে কাল আমার মুসলমানি।এতে সবাই খুশি হয় কাল আমার মুসলমানি দেখতে আসবে।আমার গোসলের সময় হয়ে গেছে তাই গোসলে ঢুকলাম।এরপর আমার নুনুটা বের করে চামড়া পেছনে ছড়িয়ে ফুটালাম।দেখলাম খুব সামান্য ফুটানো বাকি।আমি ফুটাতে চাইলাম কিন্তু পারলাম না।এই ৬ দিনে আপু আমার নুনু ফুটিয়ে ব্যাথা করে দিয়েছে।এরপর আমার ডান হাতের কয়েকটা আঙ্গুল গোলাপি মুণ্ডিটাতে দিলাম।দেখলাম মুণ্ডিটা বেশ আঠালো হয়ে আছে।এরপর আমার হাত নাকের কাছে নিয়ে আসতে দেখলাম এক প্রকার গন্ধ বের হচ্ছে।যেই গন্ধের কথা গতকাল আপু আমাকে বলেছিলো।আমি আবার মুণ্ডিটাতে হাত দিয়ে নাকে শুঁকলাম একই গন্ধ।বেশ আকর্ষণীয় গন্ধটা।সেইদিনটা
দেখতে দেখতেই শেষ হয়ে গেলো।চলে আসলো আমার মুসলমানির দিন।
(চলবে)
আমার নাম সুমন।আমার খতনা ১৪ বছরে হয়েছিলো।বিভিন্ন
তখন ডাক্তার আর জোড় করলেন না।বললেন,"বাসায়
৬ দিনে নুনু প্রায় ফুটে গিয়েছিল।লাল মুণ্ডিটা বের হয়ে গিয়েছিলো।আমার নুনু ফুটাতে ভয় লাগতো তাই আপু ফুটিয়ে দিয়েছে।কিন্তু অনেক ব্যাথা পাইছি।নুনু অনেক ফুলেও গেছে।একদিন আম্মু বললেন,"এই রকম ফুটানোই থাক।এইভাবে সুন্দর লাগছে।" আপু হাসছিলো আর বলছিলো,"সুন্দর লাগবে না এতোদিন ধরে ফুটিয়ে বের করলাম।"তারপর বাসায় হাজামকে দিয়ে মুসলমানি করাবে বলে ঠিক হলো।২ দিন পর হাজামকে ডাকলেন।
এরপরের দিন চলে আসলো।যতদিন যাচ্ছে তত আমার ভয় বেড়েই চলেছে।কিভাবে মুসলমানি করবে,কেমন ব্যাথা হবে এসব ভাবতে ভাবতেই মনে হলো আমার নুনু তো এখনো সম্পূর্ণ ফুটেনি।প্রায় ফুটে গিয়েছে ১০-১৫% ফুটানো বাকি আছে।আমার ওইটুকু ফুটাতেও ভয় লাগছে।কারণ অনেক ব্যাথা হয়।আর আপু অনেক জোরে জোরে নুনুর চামড়া নিচে নামিয়ে ফুটায়।এর মধ্যে আপু এসে নুনুর বাকি অংশ ফুটানোর কথা বললো,আগামীকাল মুসলমানির জন্য।আমি না করে দিই।বলি আর ফুটাতে হবে না বাকিটুকু আমি ফুটিয়ে নিবো।আপু আর জোর করলো না।ওইদিকে আমার আম্মুর ১৪ গোষ্ঠিকে বলা হয়ে গেছে যে কাল আমার মুসলমানি।এতে সবাই খুশি হয় কাল আমার মুসলমানি দেখতে আসবে।আমার গোসলের সময় হয়ে গেছে তাই গোসলে ঢুকলাম।এরপর আমার নুনুটা বের করে চামড়া পেছনে ছড়িয়ে ফুটালাম।দেখলাম খুব সামান্য ফুটানো বাকি।আমি ফুটাতে চাইলাম কিন্তু পারলাম না।এই ৬ দিনে আপু আমার নুনু ফুটিয়ে ব্যাথা করে দিয়েছে।এরপর আমার ডান হাতের কয়েকটা আঙ্গুল গোলাপি মুণ্ডিটাতে দিলাম।দেখলাম মুণ্ডিটা বেশ আঠালো হয়ে আছে।এরপর আমার হাত নাকের কাছে নিয়ে আসতে দেখলাম এক প্রকার গন্ধ বের হচ্ছে।যেই গন্ধের কথা গতকাল আপু আমাকে বলেছিলো।আমি আবার মুণ্ডিটাতে হাত দিয়ে নাকে শুঁকলাম একই গন্ধ।বেশ আকর্ষণীয় গন্ধটা।সেইদিনটা
(চলবে)

Post a Comment
0 Comments