সুমনের খতনা শেষ পর্ব

দিনটি ছিল শুক্রবার।দেখলাম
আমার সব আত্নীয়রা সকাল সকালেই চলে এসেছিলো।আমার দুই চাচী ও চাচীর ছেলে মেয়েরা,মামী ও মামীর মেয়েরা সবাই চলে এসেছে।এসেই সবাই কথাবার্তা শুরু করে দিয়েছে।আমার চাচীরা আম্মুকে বললেন,"ছেলের পাখিটা ফুটেছে নাকি ফুটাতে হবে ?" আম্মু বললেন, "ফুটে গেছে আর সামান্য একটু ফুটাতে হবে।" আমি ভয়ে ঘরে বসে সব শুনছি।এমন সময় আমার ঘরে সবাই এসে ঢুকলো- মামী,চাচী,চাচাতো মামাতো বোনেরা সবাই আসলো।
আমার এক চাচী বলে উঠলেন,"আজতো তোমার নুনু কাটবে।" এক মামী বললেন,"তোমার নুনুটা দেখাও তো বাবু দেখি ওটা কাটার জন্য প্রস্তুত কিনা।" আমিতো লজ্জায় লাল হয়ে গেলাম।আর ওইদিকে আমার বড় বোনেরা সবাই হাসছিলো।এক চাচী বললেন,"দেখি বাবা তোমারটা ফুটেছে কিনা।" আমি দেখাতে অস্বীকার করলাম।কিন্তু আম্মু আর সবার জোরাজুরিতে রাজি হলাম।কিন্তু খুব লজ্জা লাগছিলো।চাচী বললেন,"দাঁড়াও তো বাবা।" আমি উঠে দাড়ালাম আর চাচী আমার প্যান্টটা টান দিয়ে নিচে নামিয়ে দিলেন।আমার নুনু টা সবার সামনে বের হয়ে গেলো।সবাই আমার নুনু দেখছিলেন।অন্য চাচী বললেন,"নুনু তো পাকাপুক্ত হয়ে গেছে।" মামী বললেন,"হ্যাঁ দেখছেন না নুনুটার সাইজও বড় হয়েছে।" এরপর চাচী আমার নুনুতে হাত দিলেন।নুনু শক্ত হয়ে গেলো।এরপর নুনুর চামড়াটা পিছনে সরিয়ে গোলাপী মুণ্ডি বের করলেন এবং দেখলেন একটু ফুটানো বাকি আছে।সবাই আমার ফুটানো নুনুটা আগ্রহের সাখে দেখছিলেন।আমার খুব লজ্জা লাগছিলো।এরপর চাচী বললেন, "বাবা শুয়ে পড়ো আমি বাকিটুকু ছিলে দিই।" আমি বললাম,"আমার খুব ব্যাথা লাগে।" চাচী বললেন,"ভয় করো না ব্যাথা লাগবে না।" এই বলে আমাকে শুইয়ে দিয়ে তারপর পুরো প্যান্ট খুলে ফেললেন।আমি পুরোই ন্যংটো হয়ে গেলাম।
আপুরা সব কানাকানি করছিলো।এরপর চাচী আমার নুনুর চামড়া আরো পিছনে টানেন।আমি উহঃ করে চিৎকার দিই।এরপর কিছুক্ষণ ধরে চাচী নুনুর চামড়া যতোদূর যায় ততদূর নিচে টানছিলেন আবার উপরে উঠাচ্ছিলেন।নুনু
ফুটাছিলেন আবার ঢেকে দিচ্ছিলেন।আপুরা সবাই উওেজনায় দাঁড়িয়ে দেখছিলেন।এই রকম করতে করতে চামড়া ধরে চাচী নিচে জোরে এক টান দিলেন।আমি ওমাগো বলে জোড়ে এক চিৎকার দিলাম আর কাঁদতে লাগলাম।আপুরা বললেন,"ফুটে গেছে ফুটে গেছে!"আর আমি ব্যাথায় কাঁদছিলাম।উঠে দেখলাম পুরো গোলাপি মুণ্ডি বের হয়ে গেছে আর নুনু ফুলে গেছে।এক চাচী বললেন,"সামান্য নুনু ফুটাতে এত কাঁদছো,তাহলে নুনু কাটলে কি হবে?" এই বলে ভয় দেখালেন।আর চাচীর কথা শুনে আপুরা অনেক হাসলেন।মামী বললেন,"হাজাম কখন আসবে?" আম্মু বললেন,"হাজাম নাকি আসতে পারবে না তাই ওর বাবা এক পরিচিত ডাক্তারকে ডেকেছে ২ ঘণ্টা পর চলে আসবে।" তখন চাচী বললেন,"তাহলে আর প্যান্ট পরাতে হবে না,এখন নুনুটা ফুটানোই থাক আর নেংটোই থাকুক একটু পরতো ডাক্তার চলেই আসবে।" আমি লজ্জায় শেষ।এখন আমাকে নুনু ফুটিয়ে নেংটো থাকতে হবে।তখন চাচীরা ঘর থেকে চলে গেলো কিন্তু আপুরা থাকলো।আর আমি বসে আছি নেংটো হয়ে।চাচাতো বোন বলল,"কিরে প্যান্ট পরবি ?" তখন আমার আপু বললো,"না থাক দেখছিস না নুনুটা কি সুন্দর ফুটে আছে।" এই বলে অনেক কথা বললো।বলছিলো,"তোর মুসলমানি হলে গোলাপি মুণ্ডিটা বেরিয়ে থাকবে তখন তোর নুনুটা খুব সুন্দর লাগবে।"এই বলে অনেক হাসলো।কিছুক্ষণ পড় ডাক্তার চলে এলো।সবাই হাসিমুখে ঘরে চলে আসলো।আমিতো ভয়ে শুকিয়ে গেছি।দেখলাম আমার পাশের বাসার এক ক্লাসমেট তার মায়ের সাথে আমার মুসলমানি দেখতে এসেছে।আমাকে নেংটো দেখে মিটি মিটি হাসছিলো।এবার ডাক্তার বললেন,"বসে করবে না শুয়ে করানো হবে।" আপুরা বললো শুয়ে করাতে।তখন বিছানায় একটা চাদর পেরে দিলো এবং আমাকে শুয়ে যেতে বললো।আমি নেংটো হয়ে শুয়ে পড়লাম।আমার চাচাতো মামাতো সব ভাইদের অন্য ঘরে যেতে বললেন ওরা ভয় পাবে এরজন্য।তারপর সবাই একপাশে দাঁড়ালেন।আমার মাথার পাশে আম্মু আর এক চাচী বসলেন।ডাক্তার নুনু দেখে বললেন,"নুনুতো ভালোই ফুটেছে।" ডাক্তারের সাথে একটা নার্স এসেছিলো ওকে ইনজেকশনটা হাতে দিতে বললো আর আমার দুই পা চেপে ধরতে বললো।এই বলে ইনজেকশন দিলো নুনুর গোড়ায় আমি চিৎকার দিয়ে পা এদিক ওদিক করছিলাম।এরপর আপু আর নার্স একসাথে পা ধরলো।আর নড়াচড়া করতে পারছিলাম না।এরপর আরো তিনটা ইনজেকশন দিলো।আমি ব্যাথায় জোরে কাঁদতে লাগলাম।আশেপাশে সবাই দেখছিলো আর হাসছিলো। আমার চাচী বললেন,"মুসলমানি দিলে তো একটু ব্যাথা লাগবেই বাবা।একটু কষ্ট করো।"
আমি তখন বলে বোঝাতে পারবো না যে কতো কষ্ট হচ্ছিলো।একটু পর চুপ হলাম।নুনু অবশ করা হলো।এরপর ডাক্তার নুনুর চামড়া ধরে পিছনে দিলেন এক টান সাথে সাথে গোলাপি মুন্ডি বের হয়ে গেলো।এরপর চিমটা দিয়ে চামড়া সামনে টেনে ধরে দিলেন এক পোঁচ।আমি আহঃ বলে চিল্লিয়ে উঠলাম।সবাই আগ্রহে দেখছেন আর কানাকানি করছেন।আমি কেঁদেই চলেছি।সবাই সান্ত্বনা দিচ্ছেন আর একটু বলে।এরপর বাকি চামড়াটুকু একটা জিনিস দিয়ে গোল করে কেটে দিলেন।আমার তো জান বের হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা।এরপর দেখলাম গোলাপি মুণ্ডি বের হয়ে গেছে।আর অনেক রক্তপাত হয়েছে।নার্সটা তুলা দিয়ে রক্ত মুছে দিচ্ছিলো আর ডাক্তার নুনুটা ব্যান্ডেজ করে দিলেন।সবাই তখন বললেন,"হয়ে গেছে হয়ে গেছে।" ডাক্তার বললেন কিছুদিন পর ব্যান্ডেজ খুলে ফেলবেন আর প্রতিদিন মলম দিবেন।আপু প্রতিদিন মলম দিয়ে দিতো।ব্যান্ডেজ খুলার পর আবার নুনু দেখতে এসেছিলো সবাই।আর আমি নেংটো হয়ে শুয়ে থাকতাম আর সবাই এসে দেখে যেতো।আমার খুব লজ্জা লাগতো। অনেকে বলতো ব্যাথা কেমন আছে? আমি লজ্জায় কিছু বলতে পারতাম না।

Post a Comment

0 Comments