পরদিন সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে ব্লাড টেস্ট করলাম।সুমি আন্টির লিখে দেয়া ঔষধ,গজ,ডেটল ইত্যাদি কিনলাম।আম্মু আর আপু আমার জন্য ২টা নতুন লুঙ্গি কিনে এনেছেন।আজ আমাকে জীবনের প্রথম লুঙ্গি পড়তে হবে।এই সব নিয়ে ওরা অনেক মজা করতে লাগলো।এরই মাঝে আমি আরও কয়েকবার গ্লান্স ফুটানোর ট্রাই করছি এবং অলমোস্ট সবটুকু ফুটিয়েও এনেছি।দুপুরে গোসল করার সময় আমি নুনুটা দেখলাম।আগে যেখানে একদম-ই ফুটানো ছিলো না,এখন সেখানে ৮০% ফুটানো হয়ে গিয়েছে। নুনুর মাথাটা যতটুকু ফুটানো হয়েছে,সেটা একদম লাল হয়ে আছে।ফুটানোর পর অনেক জ্বালা পোড়া করতেছিলো।আন্টি বললেন,স্কিন এর নিচে ময়লা জমেছিলো আর জোর করে ফুটানো হইসে,তাই একটু জ্বালা-পোড়া করবেই। তাই এখন আমি আর ফুটানোর চেষ্টা করলাম না।শুধু মাত্র পানি দিয়ে পরিষ্কার করলাম।তাড়াতাড়ি আমি গোসল শেষ করে আসলাম। বাহিরে এসে দেখি,আম্মু আমাকে লুঙ্গি পরতে বলছেন।আমি ভয় পেয়ে গেলাম।ভাবলাম আন্টি মনে হয় চলেই আসছেন।কিন্তু না.........আন্টি আসেন নি।আমাকে লুঙ্গি পড়ে অভ্যাস করতে বলছেন।আমি এর আগে কখনো লুঙ্গি পরি নাই।তাই আমি যথেষ্ট সাবধানতার সাথে লুঙ্গিটা পড়লাম।আর তা দেখে আম্মু আর আপু ভীষণ মজা নিলো।
তারপর আম্মু আমাকে খেতে দিলেন।ঐদিন আমার সব প্রিয় রেসিপি গুলো রান্না করা হয়েছিলো।আমরা সবাই এক সাথে খেলাম।তারপর আম্মু আন্টিকে ফোন করলেন।আন্টি জানালেন,উনি ডিউটি শেষ করে তারপর আসবেন।অলমোস্ট বিকাল হয়ে যাবে।এর মাঝে উনি আমাদেরকে ব্লাড টেস্ট এর রিপোর্টগুলো এনে রাখতে বললেন।আমি আর আপু রিপোর্টগুলো আনতে গেলাম। রিপোর্ট নিয়ে আসার পথে,আমরা ১টা সুতি গামছা ও কিনে আনলাম।
অবশেষে,সন্ধ্যার
0 Comments