রায়হানের মুসলমানি-৪র্থ পর্ব


আমি গোসল করে আসলাম।এইবার আমি জীবনের প্রথম লুঙ্গি পড়েছি।ভীষণ অস্বস্তি লাগতেছিলো।খালি মনে হচ্ছিলো এই বুঝি খুলে যাবে,এই বুঝি খুলে যাবে।এখন সিদ্ধান্ত নেবার পালা,কোথায় খাৎনা করানো হবে।আম্মু বলছে,ড্রইং রুমে সোফায় বসে,আর আপু বলছে,আমার রুমে বিছানায় শুয়ে।আন্টি বললেন,যেহেতু আমার বয়সটা একটু বেশি তাই,আমাকে বসিয়ে না করানোই ভালো।তাই,অবশেষে সিদ্ধান্ত হলো,আমার রুমেই হবে।জাস্ট বিছানার উপর একটা টেবিলক্লথ দেয়া হলো যাতে,বিছানা ভিজে না যায়।সব কিছু সাজানোর পর আমি আমার রুমে ওয়েট করছিলাম।আর অন্যরা সবাই হালকা নাস্তা করতেছিলো।
তার কিছু সময় পর,সবাই হাসি হাসি মুখ করে আমার রুমে আসলো।আর আমি ভয়ে মরে যাচ্ছি।আন্টি রুমে এসেই জিজ্ঞেস করলেন যে,আমি রেডি কিনা ? আমি বললাম,আমি রেডি কিন্তু আমার ভয় লাগতেছে।উনি বললেন,ভয় পাওয়ার কিছুই নাই।জাস্ট,ইনজেকশন দিতেই যা একটু লাগবে,এরপর আর কিছুই বুঝা যাবে না।
তারপর আন্টি,আপুকে গরম পানি আনতে বললেন।আর আন্টি তার ব্যাগে করে বড় একটা ট্রে নিয়ে আসছেন।যার ভিতর বিভিন্ন টাইপ এর কাঁচি ও অন্যান্য জিনিসপত্র ছিল।এর মাঝে আমাকে ২-৩ গ্লাস পানি পান করানো হলো।আন্টি আর আপু গরম পানি আর আয়োডিন দিয়ে ইন্সট্রুমেন্টগুলো পরিষ্কার করে নিলো।ঐ সব দেখে আমার ভয় আরও বেড়ে গেলো।সবকিছু পরিষ্কার করার পর,আমাকে বিছানায় শুয়ে পড়তে বলা হলো।আমি অনিচ্ছা সত্ত্বেও শুয়ে পড়লাম।
তারপর আম্মু বললেন,লুঙ্গিটা এখন খোলতো।আমি লুঙ্গি খুলতে ধরলে,আন্টি জাস্ট আমার নাভি পর্যন্ত উঠালেন।তারপর আয়োডিন দিয়ে পেনিস এর গোড়া পরিষ্কার করে নিলেন।আমাকে বললেন,এখন তিনি ইনজেকশন দিবেন,একটু ব্যাথা লাগবে,তারপর আর কোনো ব্যাথা লাগবে না।আগেই বলছিলাম,আমি ইনজেকশন অনেক ভয় পাই।আন্টি ইনজেকশন দিতে শুরু করতেই আমি ব্যাথায় চিৎকার দিয়ে নড়ে উঠলাম।ভয় যদিও ছিলো,তার থেকেও বড় কথা আমি অনেক ব্যাথা পাইছিলাম ! আন্টি বললেন,আরও ইনজেকশন দিতে হবে আর ও যেভাবে নড়াচড়া করে এইভাবে ইনজেকশন দেয়া যাবে না।কাজেই আমাকে আবার গতকালের মতো চেয়ার এ বসানো হলো।আপু আর আম্মু আমার হাত ধরলেন,আমি চোখ বন্ধ করে রাখলাম।

Post a Comment

0 Comments