রায়হানের মুসলমানি-৫ম ও শেষ পর্ব

এরপর আন্টি,৪-৫ টা ইনজেকশন আমার পেনিসের গোড়ার চারপাশে দিলেন।ইনজেকশন গুলা অনেক ব্যাথার ছিল,আমি অনেক কষ্ট করে সহ্য করলাম।ইনজেকশন দেয়ার পর,আমার পেনিসের গোড়া গোল করে ফুলে গেলো।আন্টি হাত দিয়ে চেপে চেপে ঔষধ গুলো চার পাশে ছড়িয়ে দিলেন।ইঞ্জেকশনের প্রভাবে কিনা জানি না,তখন আমার পেনিস হার্ড হয়ে গেছিলো।তখন আন্টি আমাকে বললেন,তুমি ফুলা জায়গাটা আস্তে আস্তে চাপো,যাতে ঔষধ গুলা ছড়ায় যায়।ভয়ে আমার গলা শুকায় গেসিলো,আমি পানি খাইতে চাইলাম,আন্টি বললো যাও পানি খেয়ে প্রস্রাব করে এসো।
আস্তে আস্তে আমার পেনিস আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসলো।আন্টি আমাকে পেনিসে চিমটি দিয়ে দেখতে বললেন যে,ব্যাথা পাই কিনা ? আমি দেখলাম ব্যাথা লাগছে না।তারপর আমি আবার বিছানায় শুয়ে পড়লাম। এবার আমার সম্পূর্ণ লুঙ্গি খুলে ফেলা হলো।যেহেতু ব্যাথা লাগছে না,তাই এখন আমার সাহসও একটু বেড়ে গেলো।আমি দেখার চেষ্টা করতে থাকলাম,কি করে.........
প্রথমে,আয়োডিন দিয়ে আমার নাভি থেকে ঊরু পর্যন্তু সম্পূর্ণ জায়গাটা পরিষ্কার করা হলো।এবার,আন্টি আবার স্কিনগুলো উপরে উঠিয়ে দেখলেন যে,কতটুকু ফুটানো হয়েছে।ফুটানো খুব অল্পই বাকি ছিলো।তারপর,এক হাতে আমার পেনিসের মাথা আর অন্য হাতে কাঁচি দিয়ে স্কিন ধরে টেনে বাকি টুকু ফুটাতে লাগলেন (আন্টির কাছে ৪-৫ টাইপের কাঁচি ছিল,যার একেকটার কাজ একেক রকম)।তখন গত রাতের থেকেও বেশি ব্যাথা লাগছিলো।সম্পূর্ণ ফুটানো হয়ে গেলে,আয়োডিন দিয়ে স্কিনের ভিতর থেকেও পরিষ্কার করলেন। তারপর,২টা কাঁচি দিয়ে স্কিন ২ পাশ থেকে টেনে ধরে মাঝ বরাবর কাটলেন।এরপর গোল করে বাকি স্কিন গুলো কেটে ফেললেন। তখন অনেক রক্ত বের হচ্ছিলো।সব স্কিন কেটে ফেলার পর আন্টি সেলাই করে ছিলেন,তখন আবার একটু লাগতেছিলো।
সেলাই শেষ করার পর,আমার গায়ে যেসব রক্ত লেগে ছিলো,সেগুলো পরিষ্কার করে,ব্যান্ডেজ করে দিলেন। মুসলমানি করার পর আমার পেনিসটা অনেক ফুলে গিয়েছিলো আর পেনিস এর মাথাটা একদম লাল হয়ে গিয়েছিলো। তারপর আবার আমাকে লুঙ্গি পরিয়ে দেয়া হল।আমি লুঙ্গি পড়ে আমার রুমে শুয়ে রইলাম।

Post a Comment

0 Comments