রাজুর মুসলমানি - শেষ পর্ব

তাই কথা ঘুরিয়ে বললাম না ব্যাথ্যা পাব ভেবেছি।উনি বলল ব্যাথা একটু পাবি আচ্ছা আমি একটু ধরে দেখিয়ে দিচ্ছি তারপর তুই নিজে নিজে করিস আমি রাজি হলে উনি আমার নুনু টা ধরেন এবং ফুটানো শুরু করেন আমি শুধু দেখতে থাকি এবং হাল্কা হাল্কা ব্যাথা অনুভব করি।তারপর উনি নুনু টা ছেড়ে দেয় বলেন এভাবেই করে আস্তে আস্তে কর দেখ টুন্ট টা চামড়া থেকে বাহির হয়ে আসবে গোলাপি হয়ে যাবে তখন টুন্টু টা সুন্দর লাগবে অনেক।এই বলার পর আমি করতে থাকি এবং উনি দেখতে থাকেন তারপর আমার গাল টা টেনে দিয়ে বলেন এইত শিখে গেছে বাবু টা এই বলে পিছে ঘুরে শুয়ে যান।আর আমিও করতে করতে অর্ধেক ফুটিয়ে  ফেলি।পরদিন সকালে বাসায় চলে যায় এবং বেশ কিছু দিন পর আম্মু আমাকে এসে বলে কয়েকদিনের মধ্যে ডাক্তার আসবে তোর আব্বু তোর মুসলমানিটা দিয়ে দিবে তোর নুনুটা আম্মু কে একটু দেখি মুসলমানি দিতে হলে ওটা ফুটানো  লাগে বাবা, কিন্তু আমি বলে দিই আমি নিজে নিজে নুনু ফুটিয়ে রেখেছি রুমা আপু যে এই কাজে হেল্প করেছে সেটা গোপন রাখি লজ্জায়।আম্মু এর আগেও আমার নুনু দেখেছেন কিন্তু কখনোও ফুটানো অবস্থায় দেখেনি বলে একটু অবাক হন কিন্তু তিনি আমাকে আর প্রশ্ন করলেন না আমি সব বুঝে গিয়েই হয়ত নিজে নিজে করে ফেলেছি এই ধারানায় করেছেন।দুই দিন পর আব্বু আমাকে এক পরিচিত ডাক্তার এর কাছে নিয়ে যান আমার মুসলমানি সেখানে দিবেন বলে এবং যাওয়ার আগে আমাকে একটা লুঙি পরিয়ে নিয়ে যান।ওখানে গিয়ে আব্বু আর আমি একটি রুমের বাহিরে সিটে বসে ছিলাম।সেখানে আমার মত আরও অনেকেই ছিলেন।কিন্তু মজার ব্যাপার হলো ওখানে বেশির ভাগই পস্রাবের সমস্যা কিংবা আমার মত খতনা করার জন্য আর কেউ কেউ নুনুর যেই পট্টি টা দেওয়া হয় ওটা বদলানোর জন্য বাবা মায়েরা তার সন্তান্দের নিয়ে  এসেছেন।আমি এইসব দেখে আরও ভিত হয়ে যাই। কারন যাদের খতনা হিয়ে গিয়েছিল তারাও জোরে জোরে চিল্লাছিল ব্যাথার কারনে।আর আন্টি আংকেল রা তাদের বাচ্চাদের কে সান্তনা দিচ্ছিল। অবশেষে আমার পালা আসল।এক মুহুর্তের জন্য নিজেকে কোরবানের পশুর মত মনে হল এবার হয় আমাকেই জবাই করবে।ডাক্তার আমাকে দেখে আমার মন ভোলানোর জন্য আমার নাম কোন ক্লাসে পড়ি জিজ্ঞাসা করতে থাকে আমি ওইসব বলার পড় উনাকে দেখলাম একটা ইঞ্জেকশন বাহির করতে ওটা আমার ব্যাথা কমানোর জন্য দেওয়া হচ্ছিল যাতে কিছুটা অবশ হয়ে যাই।ডাক্তার আংকেল আমাকে ইঞ্জেকশনের টোপ টা আমার হাতে দিলেন বললেন যখন বেশি ব্যাথা পাবা এটা জোরে জোরে চুষতে থাকবা দেখবা ব্যাথা অনেক খানিই কম লাগছে তোমার,ডাক্তার এটা আমাকে অন্য মনষ্ক করার জন্যই বলেছিলেন।এদিকে আমি শুয়ে পড়ি বেডে এবং বাবা আমার পাশে বসে হাত দিয়ে আমার চোখ টুকু ঢেকে রাখেন যাতে আমার নুনুর সাথে কি কি করা হচ্ছে তা আমি না দেখি। এই ভাবে আস্তে আস্তে করে আমার সম্পূর্ণ নুনু কেটে ব্যান্ডেজ করতে থাকেন একটু একটু করে অনেক ব্যাথায় সহ্য করতে হয়েছিল।খতনা শেষ হলো।আমার লুঙি টুকু নিয়ে আসা হয় আব্বু ওটা পড়িয়ে আমাকে ব্যাঞ্চে বসিয়ে রাখেন এদিকে আমি যন্ত্রনায় কাতরাতে থাকি কখন বাসায় যাব আম্মুর কাছে।এক আন্টি আমার পাশে বসে ছিলেন তিনি বললেন,তুমি লুঙি আরও উপরে করে ধরে রাখ ওটা ওখানে বাজলে বেশি ব্যাথা করবে।আমি উনার কথা মত তেমন টা করি।পরে আব্বুর সাথে এক সিএনজি করে বাসায় ফিরি।আম্মু বাসায় আসা মাত্র তাড়াহুড়া করে লুঙি টা খুলে বিছানায় শুয়ে দিল আমাকে।আমি বস্ত্র হারা হয়ে শুয়ে থাকলাম।বাসার কাজের মেয়েটাও দৌড়ে এল আমার নুনু টা দেখতে।অনেক নিরুপায় হয়ে শুয়ে থাকি পুরো দিন। রাতের বেলায় ঘুমানোর সময় হিসু পেলে ওয়াস রুমে গিয়ে দেখি যেমন টা করে হিসু ধরে ছিল সেই প্রেসারে হিসু হচ্ছে না, এক দুই ফোটা করে হিসু পড়ছে মাত্র।এটা আম্মুকে বললে আম্মু বলে ঠিক হয়ে যাবে কালকের মধ্যে।এইভাবে কয়েকদিন যাওয়ার পর আমার খোঁজ খবর নিতে প্রতিবেশির এক আন্টি আসে।খতনা নিয়ে গল্প করে এবং আম্মুকে অনেক সাজেশন দেয়।আমার নুনু তে পাওডার দেওয়ার সময় হলে আম্মু পাওড়ার নিয়ে এসে লুঙি উঠিয়ে নেন পাওডার দেওয়ার জন্য আন্টি অই সুযোগে আমার নুনুটা দেখে নেন।কিন্টু মজার কথা হলো উনি এক হাজার টাকা বকশিস দেন খতনার উপহার হিসেবে।কয়েকদিন পর ঘর থেকে লুঙি পরেই বাহির হয় বন্ধুদের সাথে মিলেমিশে করার জন্য এতে এক আঙ্কেল আমার লুঙি ধরে দুষ্টুমি করে টান দেন আর বলে উঠেন দেখিতো আঙ্কেলের জিনিস টা শুকাইছে কিনা । আমি অনেক অপমান বোধ করলে উনি আরো বেশি করে টান দিতে থাকেন আমাকে ক্ষেপানোর জন্য আর বন্ধুরা এ নিয়ে হাসতে থাকেন আমার সাথে, সেদিন এর পর আর তেমন একটা বাহিরে যায়নি। তিন সপ্তাহ পর পুরোপুরি সুস্থ হয়ে গেলে পেন্ট পরা শুরু করে দিয় ।কিছু না যেতেই আমার খতনার অনুষ্ঠান করে বসেন আব্বু। এতে সবাই আসে রুমা আপু সহ অন্যান্য কাজিন সহ।এক এক জন বাসায় এসে আমার খতনা নিয়ে এক এক ধরনের দুষ্টামি শুরু করে দেয় আমার সাথে। আমাকে পাকড়ি পায়জামা পাঞ্জাবি পড়িয়ে স্টেইজে বসানোর আয়োজনো করে বসে আব্বু। এই জন্য আম্মু আমাকে নিজের রুমে নিয়ে যান পায়জামা পাঞ্জাবি পড়ানোর জন্য কিন্তু ওই সময় রুম ভর্তি গেস্ট ছিল ফুফু খালা, এবং আপুরা সবার সাম্নেই আম্মু আমাকে কাপড় খুলতে বলেন,আমি বলে উঠলাম না ওয়াস রুমে চেঞ্জ করব, এতে আম্মু আপত্তি জানালো বলল না সবাই মিলে তুকে দুলা সাজিয়ে বসাব স্টেইজে এখানেই খুলে ফেল তারপর চেঞ্জ করার সময় ফুফু আমার নুনু টা দেখে বলে উঠল হায় হায় তোর নুনু টা তো কাইট্টা কুইট্টা বাইট্টা করে দিছে। সবাই এই কথা শুনে হাসি দিয়ে উঠে। এরপর স্টেইজে গিয়ে বসার পর মামাতো এক বড় ভাই বলে উঠলেন কিরে তুই পেন্ট খুলে এনা স্টেইজে বসবি নাহলে এইটা যে খতনার অনুষ্ঠান তা কি কেউ কি বুঝব।

Post a Comment

0 Comments