আসসালামু আলাইকুম। আজকে আমি আমার ভাইয়ের মুসলমানি করার কাহিনি শেয়ার করবো। অন্য পোস্ট গুলো দেখলাম, যদি অমন ইন্টারেষ্টিং মনে করেন তাহলে দু:খিত। আমার ছোট ভাইকে মুসলমানি করার সিদ্ধ্বান্ত নেওয়া হয় তখন ও ক্লাস টু আর বার্ষিক পরীক্ষা শেষ করলো কেবল। ২০০৭ সাল, নভেম্বর এর শেষের দিকে মোটামুটি শীত পরে গেছে। প্রাইভেট পড়তে যেয়ে দেখছি এই সময় টিচার যদি বেতের বাড়ি দিতো কত ব্যাথা লাগতো আর ভাইয়ের তো একদম কেটেই দিবে।
একটা দিন ধার্য করা হলো এবং সেদিন সকালে ওকে নিয়ে হাসপাতালে যাই আমরা। আব্বু ক্লিনিকে আগে থেকেই কথা বলে রাখছিলেন। এরপরে ওকে একটা রুমে নিয়ে যায়, ও বলছিলো পরে যে ওকে যেই বেডে শোয়ানো হয়েছিল পিঠের নিচে নাকি গোল করে ফাঁকা ছিল। ও স্বভাবতই একটু শান্তশিষ্ট ধরণের তাই কোনো জোরাজুরি করেনি। ভিতরে ডাক্তারের সাথে আরো ২ টা মহিলা নার্স ও ঢুকলো। মোটামুটি ১০ থেকে ১৫ মিনিট পরে কাজ শেষ হয়ে গেলো। সাথে যেই লুঙ্গি টা নিয়েছিলাম সেটা পরিয়ে ওকে বাড়িতে আনি। কিছুদিন আগে আমার চাচাতো বোনের ছেলেকে এক হাসপাতাল থেকে খাৎনা করিয়েছে, তার বাচ্চার বয়স তো ওই সময় আমার ভাইয়ের যা ছিল তার থেকেও ১ বছর কম। তবুও ডাক্তাররা নাকি ওকে অজ্ঞান করে নিয়েছিল। কিন্তু আমার ভাইকে অজ্ঞান করেনি। বললো ৪ টা ইনজেকশন দিয়েছিলো সেগুলোতে ব্যাথা পেয়েছে শুধু। কয়েকটা দিন আম্মুর সাথে ঘুমালো ও, প্রায় ৫ বা ৬ দিন পরে আবার সেই ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয় ওকে ব্যান্ডেজ খুলতে। সেইদিন আর যাইনি আমি, কিন্তু পরে ভাইয়ের কাছে শুনলাম ডাক্তার নাকি ব্যান্ডেজ বেশ কষ্ট দিয়ে খুলছে। একটু জোরে টান দেওয়াতে রক্ত বের হয়ে গেছিলো। এরপরে ২ দিনের মতো ভালোকরে হাটতে পারতোনা ও, নুনুটা অনেক ফুলে গিয়েছিলো। এরপরে আস্তে আস্তে ও কিছুদিন এ সুস্থ হয়ে যায়।


0 Comments