মাহিব এর মুসলমানি

আমি মাহিব। আজ আমি আমার মুসলমানির ঘটনা শেয়ার করবো।  ১৯৯৯ সালের ঘটনা এটি। যখন আমার ক্লাস ওয়ানের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হয় তখন বাড়িতে সিদ্ধান্ত নেয় আমাকে মুসলমানি করবে , কিন্তু সেটা তখনো আমার অজানা ছিল , শুধু বড় ভাইয়া আর আপু জানতো। 
পরীক্ষা হওয়ার সময় থেকে ছুটি শুরু হওয়া পর্যন্ত আমাকে সব সময় বেশ গরম কাপড় পরিয়ে রাখতো এবং বলছিলো যেন ঠান্ডা বা জ্বর যেন না আসে এই শীতে এই কারণে করতেছে। 
ছুটির শুরুর ৩ দিন পরে একদিন সকালে বাড়িতে মামা , চাচা আসছিলেন।  সবার কেমন একটু অন্য রকমের মুখের ভাব দেখছিলাম কিন্তু সঠিক বুঝছিলাম না কিছু। একটু রৌদ্র উঠার পরে আম্মু আর আপু আমাকে বাসার উঠানে নিয়ে বললো গায়ে হলুদ মাখাবে , তাই এইগুলা খুলে ফেলতে শুধু গেঞ্জিটা থাক আর গামছা পরে নিতে। প্রতিবেশী কিছু আন্টি ছিলেন।  হলুদ মাখায়ে গরম পানি দিয়ে গোসল করায় নতুন আরেকটা গেঞ্জি আর লুঙ্গি পরালো। এই সময়টায় আমি বেশ অনেকবার জিজ্ঞাস করছি কেন এমন করতেছে, কিন্তু কেউ কিছু বলেনা।  আপু বললো তোর গায়ে অনেক ময়লা হয়ে গেছে তাই হলুদ দিয়ে পরিষ্কার করতেছি।  গোসল করানোর পরে রৌদ্রে কিছুক্ষন থাকি , তখন ওস্তাদ আসে। এই লোকটা এলাকাতে পরিচিত, এবং আমিও তখন জানতাম যে উনি নুনু কাটে। তখন বুঝতে পারি যে আজকে আমার হবে। চেয়ার থেকে উঠে দৌড়াইতে গেছি কিন্তু কি কারণে যেনো পড়ে গেছি সাথে সাথে। 

আব্বু আর আপু ভাইয়াকে জোরে ডেকে বললে ধরে রাখ ওকে, পালতে দিস না। এরপরে এক ধস্তাধস্তির কাহিনী হলো। হাজামের সামনে আমাকে কোনোভাবেই দাড় করতে পারছিলেন না। তারপরে আব্বু দিলেন একটা থাপ্পড়, উনি এমনি তেও একটু রাগী ছিলেন।  এবার আমি আর কোনো ধস্তাধস্তি করলাম না, কান্না করতে করতে চুপ চাপ দাঁড়িয়ে ছিলাম। মামা আমার হাত মাথার পিছনে ধরে উপরের দিকে তাকে রাখাল। হাজাম কথা বলতেসিলেন কিন্তু আমি শুধু কান্না করতেছিলাম। এর কিছুক্ষন পরে নুনুতে প্রচন্ড ব্যাথা অনুভব করে আমি লাফাতে লাগলাম আবার। মামার থেকে হাত ছুতে গেলো , দেখি পা দিয়ে রক্ত গড়িয়ে পড়তেছে দেন পায়ে লম্বা ভাবে গোড়ালি পর্যন্ত চলে গেছে, বা পায়ে হাঁটুর উপরে পর্যন্ত।  এইবার আব্বু এসে আমাকে পিছন থেকে বসে একটু চেপে ধরলেন , মামা আর চাচা কেও ধরতে বললেন। এইবার আব্বু আমাকে কোনো বকা দিলেন না, শুধু বলতেছিলেন যে সব ঠিক হয়ে যাবে আর কি কি কিনে দিবে সেইসব বলতেছিলেন। হাজাম তখন নুনুতে ছাই মাখিয়ে কাপড় দিয়ে বেঁধে দিলেন আর কাটা চামড়াটা একটা কাপড়ে পেঁচিয়ে হাতে বেঁধে দিলেন। তারপরে আমাকে ঘরের বারান্দায় নিয়ে শুয়ানো হলো। আম্মু একটা হাতপাখা দিয়ে বাতাস করতে লাগলেন। 
(সমাপ্ত)




Post a Comment

0 Comments