সাগরের মুসলমানি - ২য় পর্ব

খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে। তখন আমার একটু দাঁতে ব্যাথা করতেছিল তাই গালে হাত দিয়ে বসে ছিলাম। আর বাবা পাশে বসে মাথায় হাত দিয়ে বলছিলেন বাবা মন খারাপ করো না এটা সবারি হয়।
কিছুক্ষন পর একজন হাসপাতালের পোশাক পড়া লোক এসে আমায় ওটিতে নিতে চাইল। আমি তখন ভয় পাচ্ছিলাম। উনি আমায় অভয় দিয়ে নিয়ে গেলেন।যাওয়ার আগে দরজার সামনে আমার জুতা খুলে রাখতে বললো আমি তাই করলাম।

ভিতরে ডুকে দেখি আরো একজন লোক। উনি বেড তৈরি করছে আর বেডের উপর অনেক বড় একটা লাইট। আগে শুনতাম মানুষ অপারেশন করলে নাকি এমন বেডে নিয়ে আসে।
তারপর আমি যার সাথে ডুকছিলাম সে আমায় হাত ধরে ওই বেডের কাছে নিয়ে গেল। এবং আমায় উপরে উঠতে বলল। আমি উপরে উঠে বসলাম অনেক সময়। একটু পর যে লোকটা ভিতরে ছিল সে আমায় ধরে বেডের উপর শুয়ে দিল পা সোজা করে। একটু সামনের দিকে টেনে নিল। আবার একটু পর এসে আমার কোমরের নিচে হাত দিয়ে একটু উচা করে দিল। পরে আমার পরনের লুঙ্গিটা ধরে সোজা কমরের উপর তুলে দিল গোছা করে। ফলে আমার নিচের অংশপুরোই উলঙ্গ হয়ে গেল। রুমের ভিতর এসি চলছিল তারপরেও আমি কেন যেন ঘামছিলাম।
একটু পর ডাক্তার সাহেব এসে একটা হাসি দিয়ে গেল, উনি তখন পুরো ওটির পোশাক পড়া। কিছুক্ষন পর ওই দুইজনের একজন ট্রলিতে করে অনেক যন্ত্রপাতি নিয়ে আসলেন হাতে গগলস পড়ে। এবং এসে একটা মাথা বাঁকানো কেঁচি নিয়ে তাতে তুলা লাগিয়ে সেটায় লাল পানির মত লাগিয়ে আমার নুনু থেকে উপর তলপেট পর্যন্ত ডলতে লাগলেন আর তাতে ওই জায়গাটা পুরো লাল হয়ে গেল, এবার উনি হাত দিয়ে ধরে নুনুর মাথার চামড়া পিছনে ঠেলা দিলেন এবং নুনুটা ফুটে গেল এবাবে দুইবার করলেন। এবার উনি চলে গেলেন। এবার আরেকজন যে সে মাথার উপরের লাইনটা আমার কোমড়ের উপর নিয়ে গেলেন এবং ওখানে আলোকিত করে দিলেন।
তারপর ডাক্তার সাহেব আসলেন পুরো প্রস্তুতি নিয়ে। এসে আমার কোমড়ের পাশে দাড়ালেন আর একজন এসে আমার মাথার কাছে দাড়ালেন। তারপর ডাক্তার হাত দিয়ে আমার নুনুটা ধরে আবার পিছনে দিলেন এবং একটা কেঁচি ডুকিয়ে দুইদিকে ঘুরান দিলেন। ফলে আমি একটু ব্যাথা পেলাম।(উল্লেখ্য ডাক্তার চমশা পড়ায় আমি তার চশমায় অনেককিছুই দেখছিলাম) এরপর একটু পর আমি ব্যাথা পেয়ে আহ্ করে উঠলাম দেখলাম উনি সুই দিচ্ছে। ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে একটা সুই তিন জায়গায় দিল।এতে নুনুটা অনেকটা ফুলে গেল।

Post a Comment

0 Comments