আমার নাম হিমু। মুসলমানির সময় আমার বয়স ছিল সাড়ে ১৪ বছর। ১৯৮৯ সালে হাজাম দিয়ে করানো হয়েছে, মাত্র ক্লাস ৭ এর বার্ষিক পরীক্ষা শেষ করি। বন্ধু বান্ধব, আত্মীয় ভাইদের মুসলমানি প্রায় হয়ে গেছে আর কিছু বাকি আছে কেউ আমার সমান আবার কেউ ছোট বয়স ছিল।

শীতকাল ডিসেম্বর মাস, আমি খুব লজ্জা পেতাম এখনো মুসলমানি করা হয় নাই। কেউ জিজ্ঞেস করলে আরো খারাপ লাগতো সব নিয়ে খুব সমস্যার মধ্যে পরে যাই আর তা ছাড়া বয়সটা বেশি বেড়ে গেছে।

আশেপাশেও প্রায় মুসলমানি হতো কিন্তু কি ভাবে করে দেখার সুযোগ হয় নাই, আর তাছাড়া করানোর আগে সব পোলাপানদের জিজ্ঞেস করে নিতো যে মুসলমানি করানো আছে নাকি। এ সব কারণে আর দেখা হয় নাই। আর সবই হাজাম কে দিয়ে মুসলমানি করানো।

মাঝে মাঝে সকাল দিকে হাজাম দেখা যায় আর খুব কান্না কাটির আওয়াজ পাওয়া যায় তবে সেই বাড়ির সবাই খুব হাসিখুশী ও। ভালো রান্নাবাড়ি ও হয় আবার মাঝে মাঝে অনুষ্ঠান করে হয় না এবং রাস্তাঘাট বাজারে বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে বড় সাইনবোর্ডে লেখা থাকে হাজাম দিয়ে মুসলমানি করানো হয়। আবার কিছু ফার্মেসিতে লেখা আছে এখানে ডাক্তার দিয়ে মুসলমানি করানো হয় কোন ব্যাথা ছাড়া ই ইত্যাদি এ-ই সব।

দেখে আর বন্ধুদের মুসলমানি করা নুনু দেখে আমার খুব আফসোস হতো যে সবার কি সুন্দর মুসলমানি হয়েছে নুনু খুব সুন্দর দেখা যায় কিন্তু আমার টা তো এখনো করা হয় নাই। খুব আফসোস হতো আর লজ্জা ও লাগতো।

আবার খুব উৎসাহ পেতাম নিজের জন্য যে আমারটা ও করনো হবে আমার নুনু ও খুব সুন্দর হবে। আর হাজামের প্রতি আমার অনেক বিশ্বাস হলো যে একমাত্র হাজাম ই সুন্দর করে মুসলমানি করতে পারে। খুব ভালো হবে আমাকে হাজাম কে দিয়ে মুসলমানি করালে।

আর দু একজন বন্ধুর নুনু দেখছি ডাক্তার দিয়ে করনো তেমন ভালো হয় নাই ভালো মতো ফুটে নাই এজন্য জন্য ই হাজাম কে দিয়ে করানো খুব ইচ্ছা হলো।

মাঝে মাঝে বাসায় আশেপাশের বাড়ির লোকজন আসতো এবং আত্মীয়রা বাসায় আসতো বা আমি ও যেতাম বেড়াতে। বাসার সবাইকে নিয়ে আব্বু আর আম্মু কে নিয়ে হঠাৎ করে কেউ মুসলমানির কথা বলতো আমার হয়েছে নাকি হয় নাই এবং সবাই খুব অবাক হতো যে এতো বড় হয়ে গেছে এখনো দেওয়া হয় নাই কেন এইসব আমি খুব লজ্জা পেতাম।

আমি ও বাসায় মাঝে মাঝে আমার টা করনোর কথা বলতাম এবং বাসার সবাই ও বলতো হুম দেখি একটু ফ্রি হয়ে তোমাকে ও করিয়ে দিবো। আবার কাকে দিয়ে মুসলমানি করাতে ইচ্ছে করে তোমার ডাক্তার না হাজাম কে দিয়ে তো আমি কিছুই বলতাম না। আমার কথা হচ্ছে একজনকে দিয়ে করালে ই তবে তবে কিছু বন্ধু বা ভাইয়ের নাম বলতাম হুম ওদের তো খুব সুন্দর হয়েছে খুব ভালো লাগে।

আবার বাসায় বিভিন্ন জনের মুসলমানির গল্প শুনতাম সবাইকে হাজাম কে দিয়ে করানো আর খুব মজার মজার গল্প খুব ভালো লাগতো আর আমার খুব ইচ্ছে হতো এবার করাবোই আর হাজাম কে দিয়ে করাবো।

আমার নুনু ফুটতো আমি নিজেই প্রসাব করার সময় ফুটিয়ে ধরে করতাম আর মাঝে মাঝে শুয়ে থাকলে নুনু ফুটিয়ে শুয়ে থাকতাম। খুব ভালো লাগতো খুব সুন্দর করে ফুটে আছে নুনুর মাথা টা লাল টকটকে লিচুর মতো খুব ভালো লাগতো।

স্কুলে পড়ার সময় সন্ধার আগে বাসায় আসতাম বাইরে তেমন ঘুরা ফেরা করতাম না। একদিন বন্ধুদের সাথে মুসলমানি নিয়ে গল্প করে মনে মনে ঠিক করলাম আমার টা খুব তাড়াতাড়ি করাতে হবে বাসায় বলবো। পরীক্ষা শেষ আর কতদিন করাতেই যখন হবে বেশি দেরি করালে আমি ই কষ্ট পাবো আর ঝামেলা হবে। বাসায় বলবো এ-ই শীতেই করাবো।

যথানিয়মে বাসায় আসলাম এসে দেখি আব্বু আর আম্মু আর বড় আপু গল্প করছে আমি ও বসে পড়লাম হঠাৎ করে বলে ফেলালাম, আমার মুসলমানি কবে দিবা আর কতদিন পড়ে আর কত বড় হবো।

এইসব কথা বললো হুম তোমার তো পরীক্ষা শেষ দেখি এবার কি বল। আমি ও বললাম আমি অনেক বড় হয়ে গেছি তা হলে এবারই করাও খুব তারাতাড়ি করাবা। আর যাতে সুন্দর হয় যে সুন্দর করে, করে দেয় আমার আর এভাবে চলতে আর থাকতে ভালো লাগে না।

এ সব বিভিন্ন কথা বলে আমি বললাম আর দেরি না এবার করাতেই হবে এ-ই বলতে বলতে দাঁড়িয়ে গেলাম। দেখি বড় আপু ও বসা থেকে দাঁড়িয়ে বললো হুম খুব ভালো কথা বলতে বলতে দাঁড়া এবার তোর মুসলমানিটা করিয়ে দিচ্ছি।

তা তোর কাকে দিয়ে মুসলমানি করাতে ইচ্ছে করে এইসব, আমি বললাম কেন যে খুব ভালো করে করতে পারে। তারপরও শুনি কাকে খুব ভালো লাগে আমি বললাম সবাই তো দেখছি হাজাম কে দিয়ে মুসলমানি করে আর ওদের টা ও সুন্দর হয়।

ও আচ্ছা বলে পাশে বসে রইলো মুসলমানি নিয়ে বিভিন্ন কথা। হঠাৎ আম্মু আসলো বললো কি তুমি কি করাতে রাজি? আমি বললাম রাজি মানে মুসলমানি তো করাতেই হবে।

আপু ও বললো হুম আর হাজাম কে দিয়ে ই মুসলমানি খুব ভালো ও সুন্দর হয় কি বলিছ এ-ই বলে আমার দিকে তাকালো। আমি ও বললাম হুম মুসলমানি হাজাম কে ছাড়া আর কে করবে বলতেই চুপ হয়ে গেলাম।

পেজে সমস্যার জন্য দিতে পারিনি সময় মতো। এই গল্পটায় কিছু এমন শব্দও জানবেন যেটা অনেক আনকমন লাগবে, ইভেন আমিও শুনিনি।