অদ্ভুত হলেও সত্য ঘটনা

সাল ২০০৭ আমার বয়স তখন ১১ বছর ক্লাস ফাইভে পড়ি আমি হটাৎ একদিন এক দুর্ঘটনাই আমার বাবা মা এক সাথে মারা যান, এরপর কেটে গেলো আরও ৫ টা বছর, আমি থাকি আমার একমাত্র ফুপির কাছে, আমার এখন তখন বয়স ১৬ বেশ বড় হয়ে গেছি, কিন্তু আমার তখনো মুসলমানি হয়নি, কারনটা তো উপরে বল্লামই, আমিও তখন মুসোলমানি নিয়ে এতো কিছু জানতামনা, আর আমার ফুপিও বা কেউ জানতোনা যে আমার মুসোলমানি করানো হইনি এটা। আমি ক্লাস এইট এ তখন, আমি একদিন স্কুল থেকে ফিরে জামা কাপড় বদলাচ্ছি প্রতি দিন এর মতো, আমার রুমে সচারচর কেই আসেনা তাই রুমের দরজা খোলাই ছিলো, হুট করে ফুপি কি এটা কাজে সেদিন আমার রুমে আসে আর সে আমাকে নেংটু অবস্তাই দেখে ফেলে, আমি সাথে সাথে গামছা দিয়ে ঢেকে ফেলি কিন্তু যা দেখার তা তো ফপি দেখেই ফেলে। সে আমাকে একটু লজ্জা দিয়ে আমার রুম থেকে চলে যায়, তখনও সে আমাকে কিছু বলেনি মুসোলমানি নিয়ে, পরদিন রাতে আমি পড়তেছি ফুমি আমার রুমে আসলো, বাবু(ফুপি আমাকে বাবু বলে ডাকতো ছটো থেকেই) তোর সাথে কিছু জরুরি কথা আছে আমার। আমি তাকে বলতে বল্লাম, তখন সে বল্লো যে দেখ আমি তো তোর মুসোলমানি করানো হইনি এটা জানতানা, গতদিন দেখে বজলাম তোমর মুসোলমানি করানো হইনি তা, আসার এসব বিষয়ে তখন এতো সব ধারনা ছিলোনা, আমি ফুপি কে বল্লাম সেটা আবার কি, ফুপি বল্লো তুই ভই পাসনা আমি তোকে বঝিয়ে বলতেছি, ফুপি আমাকে বল্লেন সব বুঝলাম আমি, আমি বল্লাম আমি এতো বড়ো হয়ে গেছি মুসোলমানি করাতে গেলে তো নেংটু হওয়া লাগবে সবার সামনে আমি এটা পারবোনা, আমি মুসোলমানি করাবোনা ফুপি, আমি করাবোনা, ফপি আরাও বোঝালো একজান মুসলমানে এটা অবস্যই করাতে হই, আর বল্লো তুই এখন না করালে পরে যখন আরো বড়ো হয়ে গেলে কি করবি। আমি বল্লাম ঠিক আছে আমি করাবো কিন্তু কউকেই জানাতে পরবানা এটা, ডক্টর তুমি আর আমি ছাড়া আর কেউ জানবেনা, ফুপি বল্ো তোর ফুফাকে তো বলতেই হবে সেই তো ডাক্টর আনবে নাজি, আমি রাজি হলাম, আমার একটা ফুপাতো বন আছে আমার থেকে ৫ বছোরের বড়ো, আমি ফুপি কে বল্লাম ও জানো না জানে, ফুপি বল্লো ওকে না জানানোর চেস্টা করবো, এর পর ফপি আমাকে জিজ্ঞেস করল তোর নুনতু পাখি(ফুপি নুনু কে এটা বলতো) কি ফুটেছে.? আমি বল্লাম সেটা আবার কি, ফুপি বল্লো আমাকে দেখা আমি বলে দিচ্ছি, আমি বল্লাম না তুমি বলো আমি দেখতেছি, ভল্লো যে নুনতু ফুটানো মানে তোর নুনতুর সামনে যে চামড়াটা আছে ওটাকি পরা পিছোনের দিকে যায় কি না, আমি বল্লাম তুমি চোখ বন্ধ করো আমি দেখে বলতেছি, ফুপি চোখ বন্ করলো আর আমি অন্যদিক ফিরে পেন্টের চেন খুলে দেখলাম যে পুরাটা পিছনে যাচ্ছেনা বেশ অেনটাই বেধে থাকতেছে, এটা ফুপিকে বল্লাম ফুপি বল্লো জোর করে টেনে পরোটা পিছনে নে তা হলে ফুটে জাবে, আমি একটু চেষ্টা করায় অনেক বেথা পেলাম আর চিল্লাই উঠলাম আর রক্ত ও আসতেছিলো, এবার ফুপি গিয়ে দরোজা বন্ধ করে এসে বল্লো, মুসোলমানির দিন তো আমি দেখবানি ই, আর গত দিন তো দেখছিই, তুই আমাকে দেখা বাবু, অনেক জোরা জুরির পর শেষে রাজি হলাম, ফুপি বল্লো খাটে শুয়ে পড়, আমি শুয়ে পড়লাম, ফুপি পেন্টটা খে নিলেন, এবার আমকে লজ্জা দেয়ার জন্য বল্লো কই গেলো তোর সব লজ্জা তোর নুনতু পাখি এখন আমার হাতের মুঠোয়, ফুপি বল্লো বাবু তোর নুনতু তো বেশ অনেক বড়ো হয়ে গেছে, আমি বললাম বড়ো হবেনা তা বয়স কি কম হয়ছে নাকি, ফুপি বল্লো দেখিস মুসোল মানি করানোর পরে আরও দেখতে সুন্দর হয়ে যাবে তোর নুনতু, ফুপি এবার ফুটানোর চেষ্টা করতে লাগলেন তেল দিয়ে আমি অনেক বেথা পাচ্ছিলাম বলে বল্লো কাল আবার গোসোলের আগে বাকিটা ফুটিয়ে দিবে। পর দিন যথাযথ ভাবে ফুটিয়ে মুন্ডি বের করে দিলেন পুরোটা, এবার বল্লো বাবু দেখ কতো সুন্দর লাগতেছে, আরও বল্লো আজ তোর ফুপার সাথে কথা বলবানি ডাক্টার ডেকে আনার বেপারে, কাজ কাম শেষে ফপি চলে গেলেন, রাতে আমার রুমে আপু আসছে সে ফুফির কাছ থেকে খবর পেয়ে গেছে, আমি ফপিকে ডাক দিলাম ফুপি বল্লো আরো ও তো তোর বড়ো বোন, ও জানলে সমস্যা নেই, শুক্রবার ডেট ফাইনাল করা হলো, ফপি আমাকে সবান দিয়ে গোসোল করিয়ে দিলো ওদিন, একটা সেলাই ছাড়া লুঙ্গি পরতে বল্লো আমাকে আমি পলাম, আপু মার সাথে মজা করতে থাকলো আজ তোম ইজ্জত মান সব লুটে যাবে, সব দেখে ফেলবে সবাই, বাসাই শুধু ৩ জনই ছিলো, ফুপি, ফুফা আর বোন তাই আর কেউ দেখেনি, আমি বোন কে বল্লাম তোমাকে তো দেখাবোনা তুমি কেমনে দেখাব, বোর বল্লো তোমার দোনো লাগবেনা আমি নিজে দেখে নিবানি বলে মজা করতে লাগলো, ডাক্টার এসে গেলো ১০ টাই, আমার রুমেই হবে খতনার কাজ সবাই আসলো আমার রমে, ডাক্টার আমাকে দেখাতে বল্লো আমি বোকে বাইরে জেতে বল্লাম ও গেলোনা, তারপর ফুপি বলায় ও চলে গেলো, লুঙ্গি খলে ফেল্লাম, ডাক্টার ধরে বল্লো বেশ বড়ো আর চামড়া অনেক মোপা হয়ে গেছে তাই ইনজেকশন দিয়ে অবশ করে নিতে হবে, আমি বললাম অনেক ব্যথা লাগবে না তো, ডাক্তার আংকেল বল্লো না অল্প ব্যথা থাকবে পিপড়ার কামড়ের মত, তারপর ভালো করে ইংলিশ শান্তি অবশ করে নিল এবং পনের বিশ মিনিটের মধ্যে কাজ কমপ্লিট হয়ে গেল, সুন্দর করে সাদা গজ কাপড় দিয়ে ব্যান্ডেজ করে দিয়ে গেলেন, ফুপি বললো দেখেছিস কত সহজ, তোর কোনো বেথাই লাগেনি আর তুই শুধু শুধু ভই পাচ্ছিলি, ডাক্টার চলে গেলেন, আমি আমার দুই পা দুইটা কোল বালিশের উপর দিয়ে চিত হয়ে শুয়ে আছি তখন, ফুপি পাশে বসা, আমার বোন আইছে তখন, বোন এসে বললো বলেছিলামনা তোর কিছু দেখানে লাগবেনা মি নিজেই দেকে নিবানি, এই দেখ দেখে নিলাম, এবার তুই কি করবি, আমি ফুপি বলে চল্লাই উঠাম, ফুপি বল্লো আরে রাগ করিসনা বড়ো বোনরা এমন একটু করে, ৬ দিন পরে ফুপি বেন্ডেজ খুলে দিলো, ফুপি বললো দেখ কত দুন্দর লাগতেছে, এই শনে রুম থেকে বোন এসে বল্লো কই কই আমি একটু দেখি আমি হাত দিয়ে ঢাকলাম দ্রুত, তার পর ফুপি বললো আরে লজ্জা পাচ্ছিস কেনো ও তো বড় বোন একটু দেখা বলে ফুপি আমার হাত সবাই নিলো আর ওদেখে ফেরলো আর বললো আম্মু আসোলেই ওর নুনতু পাখিটা অনেক সুন্দর হইছে, একটা পিক তুলে রাখবো নাকি, ফুপি বললো পিক তুলে কি করবি বললো পরে ওরে দেখাবো আর আমরাও দেখবো, ফুপি বললো পরে দেখতে ইচ্ছা হলে ওর কাছ এ এসে দেখে নিবানি, এর পর আমি পরো সুস্থ হয়ে গেলাম, এটাই ছিলো সে ঘটনা..


Post a Comment

0 Comments