শহীদের খাতনা (মহিলা ডাক্তার দিয়ে মুসলমানি)

 এক ভাই ইনবক্সে লেখাটি পাঠিয়েছেন
আমার খতনা কিভাবে হলো সেটা বলছি।আগেই বলে রাখি,বিভিন্ন কারণে আমার খতনা করাতে দেরি হয়।যাহোক আমার খতনা ১৪ বছর বয়সে আমার আন্টির বাসায় করানো হয়েছিলো।আন্টির বাসায় করানোর কারণ আমাদের বাড়ি ছিলো গ্রামে তাই আন্টির বাসায় করে নিলাম।জেএসসি পরীক্ষা শেষ করা মাত্র আন্টি আমাকে তার বাসায় নিয়ে গেলেন।যাওয়ার দুই-তিন দিন পর আন্টি আর আপু অর্থাৎ খালাতো বোন বললেন,"কাল তোমার মুসলমানি।" এদিকে আমি ভয়ে শেষ।কারণ আপু আন্টির সামনে কিভাবে নেংটু হব আবার নুনু কাটার ভয়।যাহোক আপু সাহস দিতে লাগলো।পরদিন আপু বললেন,"যা গোসল করে নে,ডাঃ আসবে।" আন্টি বললেন,"যাও বাবা সাবান দিয়ে ভালো করে গোসল করে এসো।" এদিকে গোসল শেষ করে বাথরুম থেকে বের হয়ে দেখি আমার মুসলমানির ঐ ডাঃ আন্টি চলে আসছে।আমি দেখলাম উনি আর আমার আন্টি বসে কথা বলছিলেন।আমি উনাকে দেখে সালাম দিলাম,এরপর উনি বললেন,"কেমন আছো ?" আর আমার আন্টি আমার আপুকে বললেন ভেজা গামছাটা খুলে শুকনা গামছা পরিয়ে আনতে।
আপু এসে ভেজা লুঙ্গিটা খুলে নতুন লুঙ্গি আর স্যান্ডো গেঞ্জি পরিয়ে নিলেন।তারপর ডাঃ আন্টির কাছে নিলেন।উনি লুঙ্গিটা খুলে একপাশে রাখলেন এবং আমাকে শোয়ালেন।তারপর আমার পা ওনার দুই পাশে দিয়ে উনি নুনু বরাবর বসলেন।আমার আন্টি পা গুলো ধরলেন।আপু মাথার কাছে।এরপর নুনুতে হেক্সিসল দিলেন,তারপর একটা ইনজেকশন দিলেন।নুনুটা গরম,বড় ও মোটা হয়ে গেলো।এরপর একটু নাড়াচড়া করলেন।তারপর একটা কাঁচি নুনুর মাথায় আটকিয়ে নিলেন।আর আপু তার ওড়নাটা দিয়ে আমার চোখদুটো বন্ধ করে দিলেন।এরপর নুনুটা টান করে কেটে দিলেন।তারপর মুণ্ডিটা বের করে ব্যান্ডেজকরে দিলেন।হয়ে গেলো আমার মুসলমানি।
(সমাপ্ত)

Post a Comment

0 Comments