বড়দের মুসলমানি - দ্বিতীয় এবং শেষ পর্ব

সরফরাজের খাতনা ২য় পর্ব
তারপর আর্মিতে ক্যাপটেন পদে পরীক্ষার জন্য গেলাম।রিটেনে ও ভাইভায়ও ওকে।মেডিকেল এর আগে আমি বুঝতে পারলাম এবার আমাকে মাইন্ডসেট করতেই হবে যে আমি সার্জারি করাবোই।তো বাড়িতে গিয়ে নিজের সমস্যার কথা কাকে প্রথমে বলবো বুঝতে পারলাম না।আমার যেহেতু বাবা নেই।মা অনেক বয়স্ক আর বড় চাচা এবং চাচী ঢাকায় থাকেন শুধু মাত্র ছোট চাচীই বাড়িতে থাকেন মায়ের সাথে।আর ছোট চাচা থাকেন দোহা (কাতার)।ছোট চাচীর বিয়ে হয়েছিল ১ বছরের কিছু বেশি সময়।তার বয়সও অল্প ছিলো।তাই তিনি খুবই মিশুক ছিলেন আর আমাদের সাথে অনেক ফ্রী ছিলেন।চাচীকে সব খুলে বললাম৷চাচী আমাকে বলেন এটা আবার এমন কি? উনি আম্মাকে সব খুলে বলেন এবং কিছুদিন পরেই তিনি আমার সাথে ঢাকায় এলেন খাতনার কাজে।ঢাকায় আমাদের বড় চাচা আর চাচী ছাড়া কোনো আত্মীয় স্বজন ছিলেন না।তাই আমারা বড় চাচীর বাসায় উঠলাম।জানুয়ারীতে ১২ তারিখে মেডিকেল কলেজে যেয়ে খাতনা করাবো ঠিক হলো।তখন আমার বয়স ২১+।
আমার মেডিকেল চেকআপ করালেন চাচীর পরিচিত ডাক্তার ফারিয়া সুলতানা ম্যাডাম।তিনি বললেন,"আপনি আমাকে আপনার পেনিসটা দেখান। পেনিসের সাইজ সার্জারি করতে ম্যাটার করে সুতরাং এক্ষেত্রে হাইড এন্ড সিকের কিছুই নেই।" সেই রুমে আমি,ছোট চাচী আর ডক্টর ম্যাডাম ছিলেন।আমি দেখালাম। ডক্টর ম্যাডাম ইতোমধ্যে ছোট চাচীর সাথে বেশ কয়েকবার আমার ব্যাপারে আলোচনা করলেন।আমার পেনিসের সাইজ আকারে অনেক বড় ছিলো।তাই সমস্যা হবে না বললেন।তারপর আমাকে বেডে শুয়ে পরীক্ষা করলেন।পেনিসের চামড়া পুরু এবং ভারী হয়ে যাওয়ায় তিনি একটু উদ্বিগ্ন ছিলেন।
আমি ভাবছিলাম ব্যাথা বেশি পাবো বয়সের কারণে।আমার লিংগ সে সময় দাড়িয়ে গিয়েছিল।লজ্জায় লাল হয়ে কাপছিলাম!! তিনি পরিস্থিতি বুঝতে পেরে বললেন,"ক্যাপ্টেন সাহেব দেখি ভয়ে কুঁকড়ে যাচ্ছেন।আগে কখনো কী এমন ভয় পেয়েছিলেন আমার এখানে আসার আগে??" এই বলে তিনি আর চাচী হাসলেন এবং পরে আমিও লজ্জা পেয়ে হাসলাম।আমার মধ্যের ভয় কিছুটা কেটে গেলো এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলো।পরদিন সকালে আমার খাতনার কাজ হয়ে গেলো।
(শেষ)

Post a Comment

0 Comments