Story
রায়হানের মুসলমানি-২য় পর্ব
কিছু দিনের মধ্যেই আমার পরীক্ষা শেষ হয়ে গেলো। ঐদিনই বিকালে আম্মু সুমি আন্টিকে ফোন করে আমার মুসলমানির কথা মনে করিয়ে দিলেন।আন্টি বললেন,আজ উনি ডিউটি শেষ করে একবার আমাদের বাসায় আসবেন।আমাদের বাসা থেকে আন্টির বাসা বেশি দূরে না।রাত ৯ টার দিকে আমি আর আপু টিভি দেখছিলাম।এমন সময় সুমি আন্টি আমাদের বাসায় আসলেন।আন্টির সাথে আমি সব সময়ই অনেক ফ্রি ছিলাম আর আন্টিও আমাকে অনেক আদর করতেন।কিন্তু আজ কেন জানি আন্টিকে দেখে অনেক ভয় লাগতেছিলো।আন্টি
আমি,আন্টির সামনে গিয়ে শুধু প্যান্টের চেইন খুলে,পেনিসটুকু বের করলাম।আন্টি দেখলেন,তারপর আরও ভালো করে চেক করার জন্য,আমার প্যান্ট হাটু পর্যন্ত নামিয়ে রাখলেন।আমাকে বললেন,স্কিনটা উপরের দিকে টেনে নিতে,যাতে পেনিস গ্লান্স কতটুকু ফুটানো হইসে সেটা তিনি চেক করতে পারেন। আমি স্কিনটা উপরের দিকে টানলাম,কিন্তু খুব অল্পই স্কিন উপরে উঠতে পারলাম। তখন আমার ৪ ভাগের ৩ ভাগই ফুটানো ছিল না। আন্টি নিজে ফুটাতে ধরলেন কিন্তু তখন আমি অনেক ব্যথা পাচ্ছিলাম। আম্মু,আপু আমাকে শান্ত করার চেষ্টা করতেছিলো।আন্টি কিছুটা ফুটানোর পর যখন দেখলেন গ্লান্স এর উপর সাদা সাদা ময়লা জমে গেছে তখন আপুকে বললেন কটন বাড,টিস্যু আর ভ্যাসলিন নিয়ে আসতে। আন্টি বললেন গ্লান্স ফুটানো না গেলে মুসলমানি করানো যাবে না।আমাকে চেয়ারে বসানো হলো।আম্মু আমাকে অন্যদিকে তাকিয়ে থাকতে বললেন, আমি ভয়ে মরে যাচ্ছি।তারপর সুমি আন্টি আর আপু ভ্যাসলিন আর কটন বাড দিয়ে কি যে করলো আমি জানি না কিন্তু আমি অনেক ব্যথা পেয়েছিলাম।ওরা গ্লান্স পরিষ্কার করে অর্ধেকেরও বেশি ফুটিয়ে দিয়ে ছিলো।আন্টি যাবার সময় বলে গেলেন আমি যেন নিজে থেকে বাকিটুকুও ফুটিয়ে নিই আর ২টা ব্লাড টেস্টও দিয়ে গেলেন যেটা সকাল এর মধ্যে করিয়ে রাখতে বললেন। সুমি আন্টি চলে যাওয়ার পর আমি বাথরুমে গিয়ে আমার পেনিসটা দেখলাম। পেনিস কিছুটা ফুলে গেছে আর গ্ল্যান্সটা একদম লাল হয়ে গিয়েছে। গ্ল্যান্স এর অলমোস্ট ৮০% ফুটানো হয়ে গিয়েছে,বাকিটুকু

Post a Comment
0 Comments