পরেরদিনসকালে হাজাম আসে, হাজামএর সামনে নেওয়া হলেবেশ কিছু কথা বলেআমার সাথে। এবারখাৎনার পালা, আমাকে ন্যাংটাকরিয়ে শোয়ানো হলো। আমিবললাম আমি দেখতে চাই। তখনহাজাম বললো আচ্ছা আমিদেখাবো, এবার সিরিঞ্জে ইনজেকশননিয়ে নুনুর মাথার চারিদিকেএকটু একটু করে পুরোইঞ্জেকশনটা পুশ করে দিলেন। হাতদিয়ে ডলতে বলে উনিউনার জিনিসপত্র রেডি করতে থাকলেন। এবারআমাকে একটা বালিশে হেলানদিয়ে বসিয়ে ২ পাফাঁকা করে বসতে বললেন। আব্বুআম্মু ফুপি কাছেই ছিল, হাজাম কাঠি দিয়ে মাপমতো চামড়া টেনে চিমটিআটকালো। এবারকি একটা যেন ইশারাদিলে ফুপি আমার চোখেরসোজা এত রাখলো আরঅন্যদিকে মাথা করলো।আমি একটু চিল্লায় উঠলামযে আমি দেখবো, এবারছেড়ে দিলো। দেখিযে চিমটি আটকানো আছেকিন্তু সামনের যে চামড়াটাকাঠি সহ ধরে ছিলসেটা নেই। হাজামবললো এই দেখো কি করি, মুসলমানিতেশুধু ফুটায় দিলেই হয়। তোমারসামনেই এটা আটকাইছি, তোমারসামনেই খুলে কি কিকরি দেখো। আমিবললাম চিমটির সামনে আপনিচামড়া টেনে ধরে রাখছিলেন, আমি ফুপিকে বললাম যেতুমি আমার চোখ নাঢাকলে আমি দেখতে পারতাম। কাটাহয়ে গেছে এখন, হাজামবললো কাটা দেখতে হয়না। এখনযা যা করবো এটাইআসল। এবারচিমটি খুলে উল্টো করেএকটা ভাঁজ দিয়ে দিলোচামড়াটা। ভাঁজদিয়ে বললো এই দেখো, কাজ শেষ। নুনুরচেহারা কত সুন্দর হইছেদেখো। কোনোরক্ত নাই, কষ্ট নাই। আমিদেখলাম যে আসলেও নুনুটাদেখতে সুন্দরই লাগছিলো আগের থেকে।মাথা বের করা আরগোল একটা ভাঁজ করেদেওয়া। এবারহাজাম ঔষধ মাখানো টিসুপেপার দিয়ে নুনু মুড়িয়েদিলো, আর কাপড় দিয়েবেঁধে দিলো।
কাজ শেষ, তখন বলতেছেকাটা দেখলে ভয়তে জরআসে। এইটাবলে ওখানে একটা কাপড়েরনিচে রাখা ছিল চামড়াসেটা বের করে দেখালোযে এই হলো চামড়া। এইটুকফেলে দিছি নুনু থেকে। আমিদেখলাম, ফুপি আমার হাতথেকে চামড়াটা নিয়ে দেখলো আরবললো যে অনেক মোটাচামড়াটা। তাওভালো যে কষ্ট হয়নি, এক পোচে কেটে গেছে। আমারআরেকজন আত্মীয়ের কথা বলে বললোযে তার দুই পোচলাগছিলো, গরুর মতো গোঙরাচ্ছিলো। হাজামবললো তাহলে মনে হয়কম ধারের চাকু-ছুরিদিয়ে কাটছিলো। আমিসবার জন্য একটা হাফব্লেড ব্যাবহার করি। হাজামখুর থেকে ব্লেড বেরকরে ফেললো সামনেই।বললো এই ব্লেড দিয়েনুনুটা কাটলাম, কাজ শেষে ব্লেডের। আবারএকটুপরে যাবো আরেকজায়গায় ওখানেআরেকটা ব্লেড সেট করেতার নুনু কাটবো।এরপরে হাজাম তার সবকিছুগুছিয়ে নাস্তা করে সম্মানীনিয়ে বিদায় নিলো।
পরে অবস কেটে গেলেঅনেক ব্যাথা হচ্ছিলো, তবেপাওয়ারফুল পেইনকিলার লিখে দিয়ে গেছিলোসেটা খাওয়াতে ব্যাথা বেশিক্ষন থাকেনি। অন্যবন্ধুদের থেকে শুনছি রাত্রেঅনেক জলে কিন্তু রাত্রেকিছুই হয়নি। ৫দিনের দিন হাজামের কথামতোব্যান্ডেজ খোলা হলো, খোলাটাওএকটু ঝামেলার ছিল। চামড়াজুড়ে গেছিলো তবে শুকায়নি। কিছুদিনখোলা বাতাসে রাখা, গরমেরভাপ আর নেবানল পাউডারদিতে দিতে ঘা শুকিয়েগেলো।
0 Comments