একটা খাৎনার ঘটনা ও পারিবারিক কাহিনী - পর্ব ২

এর সপ্তাখানেক পরে খাৎনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এবং কোন হসপিটালে হবে তাও জানানো হয়। খাৎনার আগেরদিন থেকে তুলনামূলক বেশি ভয় পাওয়া শুরু করছিলাম। খাৎনার দিন সকালে আম্মু যখন পড়তে বসতে বললো বললাম আজকে থাক। আম্মু বললো আজকে কেন থাকবে, কোন কাজে যাবা এখন। আমি শুধু বললাম বিকালে তো....., এইটুকু শুনে আম্মু বললো বিকালে এমন কিছু হতে যাচ্ছে না যার জন্য এখন থেকেই পড়াশোনা বাদ দিয়ে বসে থাকতে হবে। এরপরেও আমার উঠে টেবিল পর্যন্ত যেতে দেরি করছিলাম, মানে খাটে বসে ছিলাম তখনও। আম্মু টেবিল থেকে বেত ধরে এনে হাত এর মাসল এর ওখানে  কয়েকটা বাড়ি দিলো। আম্মুর মার গুলো টিচারদের মারের থেকেও বেশি ব্যাথার হতো। 

আম্মু শারীরিকভাবে স্ট্রং ছিল অনেক, বাড়িতে সব কাজ নিজে করতো। আব্বু না থাকায় বাজার ও করতে হতো। বডিবিল্ডার দেড় মতো হাতের সাইজ আর শেপ ছিল ছিল কিছুটা। একটু মোটা হলেও ভুঁড়ি বের হওয়া ধরণের না, একদম টাইট বডি, বিএমআই ও নরমাল। শুধু আম্মু না, আমি ও আমার সৎ বোন এর ও একই ধরণের শরীর। এবং আমাদের এখনো শারীরিক কন্ডিশন এমন ই। বোন আম্মুর মতো বেশি লম্বা হয়নি। ও ৫ ফিট ৬ বা ৭ এর মতো। 

আমার যখন ১৭-১৮ তখন আম্মুকে সাথে নিয়ে বাইরে গেলে মানুষজন বড় বোন ছোট ভাই মনে করতো। কারণ আম্মু চুল উঁচু করে খোঁপা করে বাধতো মাথার উপরে না, মাথার পিছনেই তবে একটু উঁচু করে।আর কুর্তি বা ৩পিচ এর সাথে বড় ওড়না ঘুরিয়ে পরতো। মানে প্রথম বুক ঢাকার মতো করে নিয়ে ২ কাঁধের দিকে সেফটিপিন দিয়ে ঘুরিয়ে ঘাড় এর দিকে পেঁচিয়ে সামনে ঝুলিয়ে রাখতো। এখন এমন কাউকে ২৯-৩০ বয়সের ই মনে হতো। এজন্য সাথে আরেকটা ৬+ ফিটের ছেলে তাও কম বয়সী, নিশ্চই ভাই ই হবে।    

যাই হোক, আমি প্রচন্ড ব্যাথায় তাড়াতাড়ি উঠে যেয়ে চেয়ার টেবিলে বসলাম। কান্না করলে আরো বেশি মারে এজন্য অভ্ভাস করে নিয়েছি ব্যাথা সহ্যের। তবে সেইদিন প্রথম দেখলাম দিনের বেলাতে যে আম্মু কিছুটা মন খারাপ করে রাখছে। হয়তো তার মেজাজ কন্ট্রোল করতে না পেতে এভাবে মারার কারণে অনুশোচনা আসছে। এরপরে মামা খালা ২ জনই চলে আসে দুপুরের পরে। হাত এর দাগ দেখে বলে এটা কিভাবে হলো, ওকে মারছিস কেন?

আম্মু বললো যে পড়তে বসতে বলছিলাম, কথা না শোনায় রাগ কন্ট্রোল করতে না পেরে মেরে দিছি। তবে বলার সময় আম্মুর মুখের অবস্থায় তারাও বুঝলো এইটা করে আম্মুরো খারাপ লাগছে তাই আর কিছু বললো না। 

মামার গাড়িতে করে ডাক্তারের কাছে গেলাম, সেখানে কিছু কথার পরে ওটি তে ঢুকালো। আম্মু মামা খালা সবাই ছিল ওটি তে। ডাক্তার হাতেও ইনজেকশন দিয়েছিলো এরপরে নিতম্বে ও ইনজেকশন দিয়েছিলো আর অক্সিজেন রেডি করতেছিলো। কিছুক্ষনের মধ্যে বেশ ঘুমের ঝিম আসলো, ওখানের একজন ডক্টর আমার সাথে কথা বলতেছিলো তবে আমি আর কোনোভাবেও ঘুম কন্ট্রোল করতে পারছিলাম না। শেষে ঘুমিয়েই পড়লাম। ওই অবস্থাতেই কাজ শেষ করছে, এরপরে ঘুম ভাঙলে দেখলাম হসপিটালের বেডে আছি। এবার ওখান থেকে চলে আসার জন্য রওনা দিলাম। আম্মু কোলে করে গাড়ি পর্যন্ত নিয়ে আসে আমাকে। গাড়ির মধ্যেও মাথা ঘুরাচ্ছিলো আর ঘুমের ঝিমটি আসছিলো। বাড়িতে এসে কোনোরকমে একটু খাওয়াদাওয়া করে মেডিসিন খেয়ে আবারো ঘুমিয়ে পড়লাম। মাঝরাত্রে ঘুম ভাঙলো প্রস্রাবের চাপে। পশে আম্মুও ঘুম তাই তাকে ডাকলাম না। লুঙ্গিটা ধরে আস্তে আস্তে উঠে গেলাম বাথরুমে। তখন প্রথম নুনুর কন্ডিশন দেখলাম ভালোভাবে। লালচে ফর্সা মাথাটা বের হয়ে আছে আর তার পিছনের দিক থেকে ব্যান্ডেজ করে দেওয়া, নুনু মোটামুটি সাইজে লম্বা হওয়ার কারণে পুরোটা জুড়ে গজ টেপ পেঁচিয়ে দেয়নি । ভাবলাম যে প্রস্রাব করতে সমস্যা হবে কি না আবার, তবে আম্মুকেও ঘুম থেকে উঠালাম না। তবে কোনো অসুবিধা হয়নি করতে। কিন্তু নুনুটা বেশ ভারী ধরণের হয়ে ছিল তবে কোনো ব্যাথা বা জালাপোড়া ছিল না।

Post a Comment

0 Comments